বিজ্ঞাপন

মাদ্রাসার ধর্ষক হুজুরদের কবে বয়কট করবো আমরা?

October 30, 2020 | 4:17 pm

রা'আদ রহমান

'একটি সুন্দর ছেলে যদি মাদ্রাসায় ভর্তি হয় যারা বড় ছাত্র তারা একজন আরেকজনকে বলে, ‘ও আমার’। আরেকজন বলে, ‘না। ও আমার’। এরপর ঐ ছেলেটার উপর অত্যাচার শুরু হয় যা বলে বোঝানো সম্ভব না। যা-ই হোক, তাও বলার দরকার তাই বলছি।'

বিজ্ঞাপন

ঠিক এই কথাগুলোই পাওয়া গেছে রাজধানীর উত্তরার জামিয়াতুস সালাম আল-আরাবিয়া মাদ্রাসার দ্বিতীয় জামাতের ছাত্র সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আব্দুল্লাহর লাশের পাশে। তার মৃতদেহ মাদ্রাসার রান্নাঘরের বারান্দা থেকে উদ্ধার করা হয়। নিহত আশরাফুল ইসলাম আব্দুল্লাহর ডায়রিতে পাওয়া গেছে মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষার্থীদের দ্বারা জুনিয়র শিক্ষার্থীদের বলাৎকার হওয়াসহ নানা ঘটনার কথা। আরও জঘন্য ঘটনা হচ্ছে পরিবারের কেউ বিস্তারিত জানার আগেই পুলিশে খবর না দিয়ে তড়িঘড়ি করে বাচ্চাটার লাশ দাফন করে ফেলেছে মাদ্রাসার শিক্ষকেরা। বাচ্চাটার বাবা জুবায়ের হোসেন অভিযোগ করেছেন, 'ছেলের ডায়েরি পড়ে এটা বোঝা গেছে যে সে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতো।' এবং এই ঘটনা ধামাচাপা দেবার জন্যই মাদ্রাসা শিক্ষক বশির আহমদ তাড়াতাড়ি লাশ দাফনের উদ্যোগ নিয়েছেন।

নিহত মাদ্রাসার শিক্ষার্থী খালু শফিকুল ইসলাম ডায়েরিতে লিখে যাওয়া বাচ্চাটার বর্ণনা থেকে আরও স্পষ্টভাবে বলেছেন, ‘মাদ্রাসার সিনিয়র দুই শিক্ষার্থী রেদওয়ান এবং মেজবাহর দেওয়া বলাৎকারের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় হয়তো তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়। এর এক পর্যায়ে সে মারা গেলে ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়।' মজার ব্যাপার হচ্ছে এমন স্পষ্ট অভিযোগ থাকার পরেও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এখনো অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বাঁচাবার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তুরাগ থানায় বাবা জোবায়ের অভিযোগ দায়ের করলেও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের অসহযোগিতার কারণে এই হত্যাকান্ডের বিচার ঠিকঠাক হবে কিনা তা অনিশ্চিত।
নিহত আবদুল্লাহর ডায়েরীর নানা পাতার ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ক্লাস টু-এর একটা বাচ্চার ভাষাজ্ঞান কিংবা শব্দভান্ডার খুব বেশি হবার কথা না, ধর্ষণের মত এমন ভয়াবহ পৈশাচিক কিছু বোঝাবার মত নাই-ই। তারপরেও বাচ্চাটা সহজ সরল ভাষায় যথেষ্ট গুছিয়ে লিখেছে নানা কিছু। সেখান থেকেই জানা যায় মাদ্রাসায় জুনিয়র শিক্ষার্থীদের অর্থাৎ একেবারেই ছোট ছোট বাচ্চাদের ধর্ষক শিক্ষকদের বিকৃত লোলুপতার শিকার তো হতে হয়ই, একইসাথে তাদের মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষার্থীদের হাতেও ধর্ষণের শিকার হতে হয়। এখানে প্রশ্ন আসতে পারে মাদ্রাসার সিনিয়র ক্লাসের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই বিষ এমন ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়লো কিভাবে?

বিজ্ঞাপন

মাদ্রাসার ধর্ষক হুজুরদের কবে বয়কট করবো আমরা?

এর উত্তরটাও খুবই সহজ। কেউই অপরাধী হয়ে জন্মায় না। কেউই ধর্ষক হয়ে জন্মায় না। যে নিরীহ শুভ্র কাদামাটির মত নরম মনের বাচ্চাগুলো কুরআন শিক্ষার জন্য, ধর্ম শিক্ষার জন্য ধর্মশিক্ষার প্রতিষ্ঠান মাদ্রাসায় এসে প্রতিদিন প্রতিমুহুর্তে ধর্ষণের মত পৈশাচিক ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয় তাদেরই পরম শ্রদ্ধেয় হিসেবে সম্মান জানানো ব্যাক্তিত্ব হুজুর বা মাওলানাদের দ্বারা, তখন আসলে এই ঘটনাগুলো তাদের মনের উপর, সুকুমার বৃত্তির উপর অচিন্তনীয় প্রভাব ফেলে। অনেক বাচ্চা আর বাকী জীবনে এই ট্রমা কাটিয়ে উঠতে পারে না। কিন্তু সবচেয়ে আশংকার ব্যাপার হচ্ছে ক্রমাগত প্রতিদিন ধর্ষণের শিকার হতে হতে নির্যাতনের এক পর্যায়ে গিয়ে নিজেদের অজান্তেই এই বাচ্চাগুলো নিজেরাই পরিণত হয় ধর্ষকে, নির্যাতকে। শিকার পরিণত হয় শিকারীতে। ঠিক যে অকথ্য যন্ত্রণার ভেতর দিয়ে একজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর শৈশবটা কাটাতে হয়েছে, সেই একই যন্ত্রণা আর ভয়াবহতা সে ঘটায় আরও অসংখ্য বাচ্চার উপর।

বিজ্ঞাপন

এভাবেই মাদ্রাসার জুনিয়র শিক্ষার্থীদের শুধুমাত্র শিক্ষকদের হাতেই না, অত্যাচারিত হতে হয় সিনিয়র শিক্ষার্থীদের হাতেও। খুব স্বাভাবিকভাবেই এসব ধর্ষণের ঘটনার বেশিরভাগই প্রকাশিত হয় না, ধর্ষক শিক্ষক এবং সিনিয়র শিক্ষার্থীরা বাচ্চাদের মারধোর করে, ধর্মগ্রন্থের নানা আয়াতের বিকৃত ব্যাখা দিয়ে সৃষ্টিকর্তার শাস্তির ভয় দেখিয়ে কিংবা সরাসরি মেরে ফেলার ভয় দেখায়। ফলে বাচ্চারা তাদের সাথে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অভিজ্ঞতাগুলো প্রকাশে সাহস পায় না। এরপরেও বর্তমান অনেকেই সাহস করে মুখ খুলছে, জানাবার চেষ্টা করছে, আইনের আওতায় বিচারের মুখোমুখিও হচ্ছে অনেক ধর্ষক হুজুর। কিন্তু এই ইতিবাচকতার অপরপিঠেই আছে আবদুল্লাহর মত শিক্ষার্থীরা, যারা আপ্রাণ চেষ্টা করেও জানাবার সুযোগ পায় না, শেষ পর্যন্ত তাদের মেরে ফেলা হয় পাপের চিহ্ন ঢাকতে। আজকে আবদুল্লাহর ডায়েরিতে সব লিখে রাখতো এবং ভাগ্যক্রমে তার ডায়েরিটা পাওয়া যাওয়ায় জানা গেল সে সিনিয়র শিক্ষার্থীদের হাতে ধর্ষণের শিকার হয়ে মারা গেছে। যদি পাওয়া না যেত? কিভাবে জানা যেত এই হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে?

মাদ্রাসাগুলোতে ধর্ষণের ভয়াবহতা থামবে কবে?

বিজ্ঞাপন

ঠিক আবদুল্লাহর মত এমন অসংখ্য বাচ্চার ঘটনা আমরা হয়তো আর কোনদিনই জানতে পারব না। ধর্ষণ এবং অন্যান্য শারীরিক নির্যাতনে মারা যাওয়া বাচ্চাদের লাশটাও তাদের বাবা-মা পরিবারের কাছে পৌছাবার আগেই উপরের ঘটনায় বশির আহমদের মত ধর্ষকের সহযোগী শিক্ষকেরা তড়িঘড়ি করে দাফন করার ব্যবস্থা করেন যেন ধর্ষকেরা বেঁচে যায়, থেকে যায় ধরাছোঁয়ার আড়ালেই। যতদিন না মাদ্রাসাগুলোতে সরকারী উদ্যোগে এবং বেসরকারী সহায়তায় সার্বিক প্রচেষ্টায় মনিটরিং সিস্টেম চালু না হবে, ততদিন এই ধর্ষকদের দৌরাত্ম্য কমবে না, নিরীহ বাচ্চাদেরও নির্যাতনের শিকার হওয়াও কমবে না। শুধু মাদ্রাসা না, প্রাইমারি ও মাধ্যমিক স্কুলেও এই মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা জরুরি।

এই পদ্ধতিতে সবার প্রথমে শিক্ষার্থীদের শারীরিক নিপীড়ন ও হ্যারাজমেন্ট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিতে হবে। গুড টাচ, ব্যাড টাচ ইত্যাদি শেখাতে হবে। বিশেষ করে মাদ্রাসাগুলোতে শিক্ষকরা বা সিনিয়র শিক্ষার্থীরা ছোট ক্লাসের শিক্ষার্থীদের উপর কোন ধরনের জোর জবরদস্তি কিংবা শারীরিক নির্যাতন চালাচ্ছে কিনা সেটা কৌশলে তাদের কাছ থেকে বের করতে হবে। অনেক বাচ্চা ভয়ে কিংবা ট্রমাটাইজড থাকার কারণে বলতে চাইতে নাও পারে। সেজন্যই খুবই যত্ন ও আন্তরিকতার সাথে আদর ও ভালোবাসার মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে এ ব্যাপারে তথ্য বের করতে হবে। তাদের ভয় কাটাবার ব্যবস্থা করতে হবে যেন তারা বলার সময় কিংবা ধর্ষক শিক্ষক ও ছাত্রকে চিহ্নিত করবার ক্ষেত্রে কোনরকমের সংকোচ বোধ না করে, ভয় না পায়।

বিজ্ঞাপন

এরও আগে আরেকটি সহজ প্রাথমিক জরিপ চালানো যেতে পারে মাদ্রাসা-স্কুল-কলেজসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় পুলিশ ও প্রশাসনের সাহায্যে মাসে একটাদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে গোপন ব্যালট পদ্ধতিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা শিক্ষক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা কোন কর্মচারী বা সিনিয়র শিক্ষার্থীদের হাতে কোনভাবে যৌন হয়রানী, যেকোন ধরনের নির্যাতন, জোর জবরদস্তি, পাশবিক নির্যাতন, ধর্ষণ এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে সেসব চেপে রাখতে বাধ্য করেছে কিনা সে ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। ক্লাসে ক্লাসে বা স্কুল-মাদ্রাসার নির্দিষ্ট কোন জায়গায় সবাইকে একসাথে সমবেত করে গোপন ব্যালট বা খামের মাধ্যমে প্রশ্ন পৌঁছে দিয়ে শিক্ষার্থীদের মতামত সংগ্রহ করা যেতে পারে।

এই পুরো পদ্ধতি পরিচালনা করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, সবধরনের সাহায্য করবে পুলিশ-প্রশাসন, ঐ সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ পুরোপুরিভাবে এর বাইরে থাকবে। শিক্ষক কিংবা সিনিয়র শিক্ষার্থীদের তখনকার মত প্রতিষ্ঠানের বাইরে রাখা যেতে পারে যেন তারা বাচ্চাদের কোনভাবেই ভয়-ভীতি দেখাতে বা প্রভাবিত করতে না পারে। এই পদ্ধতিতে যদি কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জানা যায় যে তারা যৌন নির্যাতনের ও ধর্ষণের শিকার হচ্ছে নিয়মিত, তবে বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ধর্ষক শিক্ষককে খুঁজে বের করতে হবে। হাত ধোয়া, স্যানিটেশন কর্মসূচিসহ শিশুদের স্বাস্থ্য উন্নয়ন সংক্রান্ত নানা কর্মসূচির যতটা জরুরি, ঠিক ততটাই জরুরি এই কাজটাও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে নিয়মিত প্রাথমিক স্কুল ও মাদ্রাসাগুলোতে চালিয়ে যেতে হবে।

মেয়ে ও ছেলেদের মাদ্রাসাগুলোতে আলাদাভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া নারী ও পুরুষ স্বেচ্ছাসেবক, মানবাধিকার কর্মীসহ শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে এই প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা কর্মসূচি চালানো যেতে পারে। স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মকর্তাগণ এ ব্যাপারে সর্বত সাহায্য সহযোগিতা এবং সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারেন। বাচ্চারা যেন নির্ভয়ে তাদের সাথে ঘটা যৌন হয়রানী ও পাশবিক নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ করতে পারে, সেজন্য প্রত্যেক মাদ্রাসায় বিশেষ কোন ব্যবস্থা রাখা জরুরি যেটা মাদ্রাসার শিক্ষক এবং কর্তৃপক্ষের এখতিয়ারের বাইরে থাকবে। শুধুমাত্র নির্যাতনের শিকার বা আশংকায় থাকা শিক্ষার্থীরাই এই ব্যবস্থাটি ব্যবহার করে সাহায্য চাইতে পারবে।

প্রতিদিন কত অসংখ্য অর্থহীন ব্যাপারে কী প্রবল প্রতিবাদে ফেটে পড়ি আমরা। অথচ একবারও ভাবি না যে কেন একটা বাচ্চা শিক্ষাগ্রহণ করতে শিক্ষালয়ে গিয়ে পাশবিক নির্যাতনের শিকার হবে? কোন অপরাধে শিক্ষক নামধারী হুজুরেরা নিষ্পাপ বাচ্চাগুলোর শৈশব নষ্ট করে দেবে? কেন সারাজীবনের জন্য এই বাচ্চাগুলোকে এক ভয়াবহ ট্রমা দুঃস্বপ্নের মত বয়ে বেড়াতে হবে? নারায়ণগঞ্জের ঘটনাটার মত এরকম অসংখ্য ক্ষেত্রে এই ধর্ষণের ঘটনাগুলো জন্ম দেয় অসংখ্য নতুন ধর্ষকের। শৈশবে শিক্ষকদের হাতে ধর্ষণের শিকার হয়ে কৈশোরে সিনিয়র শিক্ষার্থী হিসেবে ছোট ছোট বাচ্চাদের ধর্ষণ করে নিজেই ধর্ষকে পরিণত হওয়া এরা মাদ্রাসায় পড়াশোনা শেষ করে মাদ্রাসাতেই রাশিক্ষক হিসেবে যোগ দিক অথবা অন্য কোথাও যাক, সবসময়ই সে স্বভাবে-চিন্তায় ধর্ষকই থাকে! চারপাশের সবার জন্য চরম ক্ষতিকর এক প্রিডেটর হয়ে জীবন কাটিয়ে দেয় সে।

কেন এই পরিণতি হবে আমাদের শিশুদের? যে দেশে, যে সমাজে এমন নোংরা পৈশাচিকতা স্বাভাবিক জীবনযাত্রা হয়ে যায় এবং তাতে দেশের সিংহভাগ ধর্মপ্রাণ জনগণের কিছু যায় আসে না, কোন ধরনের নিম্নস্তরের কীট সে দেশের, সে সমাজের মানুষ? দুনিয়ার কোন দেশে কোথায় কে ধর্মকে কি বলল, পয়গম্বরকে কি বলল, তাতে হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়ে প্রচন্ড প্রতিবাদে ফেটে পড়ে এরা, বয়কট ঝড়ে তোলপাড় করে ফেলে সব, অথচ প্রতিদিন মাদ্রাসাগুলোতে তাদের সন্তানদের ধর্ষণের শিকার হবার ভয়াবহ বাস্তবতায় তাদের বিন্দুমাত্র বিকার হয় না, ধর্মের এতো ভয়াবহ অবমাননা আর অপমানে তাদের রক্ত জ্বলে ওঠে না, বাচ্চাগুলোর আর্তচিৎকারেও তাদের বিবেকের ঘুম ভাঙ্গে না, এই ধর্ষক হুজুরদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-বয়কট তো দূরের কথা, একটা টুঁ শব্দও করার প্রয়োজনবোধ করে না তারা, এ কেমনতর পশু এরা? কেমনতর পিশাচ এই দেশের মানুষ? কেমনতর নির্লজ্জ শয়তান এই ভন্ডের দল? কিসের ধর্ম পালন করে এরা?
পশুরাও কি এদের চেয়েও অধম? কিভাবে?

সারাবাংলা/আরএফ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন