বিজ্ঞাপন

কাশ্মিরবিহীন ভারতের মানচিত্র প্রকাশ করল সৌদি আরব

October 30, 2020 | 7:21 pm

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নেপাল, পাকিস্তানের পর এবার সৌদি আরব, জম্মু-কাশ্মির এবং লাদাখকে বাদ দিয়ে ভারতের মানচিত্র প্রকাশ করেছে। খবর ডয়চে ভেলে।

বিজ্ঞাপন

২০২০ সালের জি-২০ বৈঠক উপলক্ষে সৌদি আরবের মানিটারি অথরিটি একটি নতুন ব্যাংক নোট বের করেছে। যেখানে, জি-২০ সদস্য দেশ হিসেবে ভারতের ম্যাপ দেওয়া হয়েছে। সেই ম্যাপে জম্মু-কাশ্মির এবং লাদাখককে বাদ দেওয়া হয়েছে।

২৪ অক্টোবর ওই নোটটি প্রকাশিত হয়েছে।ওই নোট প্রকাশের পরেই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। ভারতের পক্ষ থেকে সৌদি আরবকে দ্রুত ভুল সংশোধনের আবেদনও জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, দিল্লির সৌদি আরব দূতাবাস এবং রিয়াদে আরবের প্রতিনিধিদেরকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। দ্রুত ভুল স্বীকার করে তারা যেনো ভারতের ম্যাপ সংশোধন করে নেয়, সেই আবেদনও করা হয়েছে।

একই বিবৃতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জম্মু-কাশ্মির এবং লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ কথা ভারতের মিত্রদের মনে রাখতে হবে।

বিজ্ঞাপন

ভারতের সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, উত্তর ভারতের অভিন্ন অঙ্গ জম্মু-কাশ্মির। তাই সে দেশের মানচিত্রে পাকিস্তান ও চীন নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরকেও ভারতের অংশ হিসাবে দেখানো হয়। শুধু তাই নয়, ভারতে সরকার অনুমোদিত নকশা ছাড়া কাশ্মিরের অন্য সব মানচিত্র অবৈধ।

এর কয়েকমাস আগে, নেপাল প্রথম মানচিত্র বিতর্কের জন্ম দেয়। নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি ওলি সংসদে নতুন একটি মানচিত্র পেশ করেন। সেখানে, ভারত-নেপাল সংলগ্ন কয়েকটি অঞ্চল নেপালের অংশ হিসেবে দেখানো হয়।

বিজ্ঞাপন

যদিও, ভারতের দাবি ওই এলাকাগুলি ভারতীয় ভূ-খণ্ডের অন্তর্ভুক্ত। দীর্ঘদিন ধরেই তা ভারতের মানচিত্রে আছে। বিষয়টি নিয়ে বহু জলঘোলা হয়। তারই মধ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান একটি বিতর্কিত মানচিত্র পেশ করেন।

সেখানে দেখা যায় কাশ্মির, লাদাখের কিছু অংশ এবং গুজরাটের কিছু অংশ পাকিস্তানের মানচিত্র ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের ওই মানচিত্র নিয়েও ভারত তীব্র প্রতিবাদ জানায়। আন্তর্জাতিক মহলেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সম্প্রতি মস্কোয় একটি অধিবেশনে পাকিস্তান ওই একই মানচিত্র দেখালে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান।

বিজ্ঞাপন

এবার সেই একই বিতর্কে যোগ হলো সৌদি আরব। যদিও বিশেষজ্ঞদের একাংশের বক্তব্য, নেপাল বা পাকিস্তানের মতো ইচ্ছাকৃতভাবে সৌদি আরব এ কাজ নাও করে থাকতে পারে।

গত বছর ভারত সফরে এসেছিলেন সৌদি বাদশাহ। সে সময় প্রটোকল ভেঙে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানাতে গিয়েছিলেন। বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করেছিলেন, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের এক নতুন দিগন্ত তৈরি হয়েছিল ওই বৈঠক।

সারাবাংলা/একেএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন