বিজ্ঞাপন

তিগ্রাই অভিমুখে ‘চূড়ান্ত’ অভিযানের ঘোষণা

November 26, 2020 | 8:27 pm

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিদ্রোহী তিগ্রাই পিপলস লিবারেশন ফ্রন্টকে (টিপিএলএফ) আত্মসমর্পণের জন্য বেঁধে দেওয়া সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর রাজধানী মেকেল্লে অভিমুখে চূড়ান্ত সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ। খবর রয়টার্স।

বিজ্ঞাপন

এর আগে, গত সপ্তাহের রোববার (২২ নভেম্বর) টিপিএলএফ'কে অস্ত্রবিরতি এবং আত্মসমর্পণ করার জন্য বুধবার (২৫ নভেম্বর) পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছিলেন আবি। অন্যথায়, মেকেল্লে অভিমুখে চূড়ান্ত অভিযান শুরু হবে বলে তিনি হুঁশিয়ার করেছিলেন।

এদিকে, সে সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর এক টুইটার বার্তায় ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি বলেন - টিপিএলএফ'কে শান্তিপূর্ণভাবে আত্মসমর্পণ করার জন্য দেওয়া ৭২ ঘন্টা পার হয়ে গেছে, এখন ইথিওপিয়াকে চূড়ান্ত অভিযান শুরু করতে হবে।

বিজ্ঞাপন

তবে, এই অভিযানে বেসামরিক জনগণ যেনো হামলার শিকার না হয় সে লক্ষ্যে, নগরীর বাসিন্দাদেরকে ঘরে থাকার আহ্বান জানান আবি আহমেদ।

বিজ্ঞাপন

আবি আহমেদ আরও জানান, এরই মধ্যে তিনি ইথিওপিয়ার সেনাবাহিনীকে মেকেল্লে অভিমুখে টিপিএলএফ'র বিরুদ্ধে তৃতীয় এবং চূড়ান্ত ধাপের সামরিক অভিযান শুরু করার নির্দেশনা দিয়েছেন।

অন্যদিকে, মেকেল্লে নগরীতে পাঁচ লাখ মানুষের বাস। তাদেরকে রক্ষায় বিশেষভাবে সতর্ক থাকা হবে এবং ক্ষয়ক্ষতি যথাসম্ভব কম রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে। এমনকি কোনো আবাসিক, ধর্মীয় কিংবা ঐতিহাসিক এলাকায় হামলার নিশানা করা হবে না বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বিজ্ঞাপন

ওদিকে, তিগ্রাইয়ের টিপিএলএফ বাহিনীর মুখপাত্র বলেছেন, তারা তাদের আঞ্চলিক প্রশাসন পরিচালনার অধিকার সুরক্ষার জন্য লড়াই করে মরতেও প্রস্তুত।

প্রসঙ্গত, টিপিএলএফ'র যোদ্ধারা বেশিরভাগই একটি আধাসামরিক ইউনিট এবং স্থানীয় মিলিশিয়া বাহিনীর সদস্য। তাদের সংখ্যা আনুমানিক প্রায় দুই লাখ ৫০ হাজার। এ যাত্রায় লড়াই গেরিলা যুদ্ধে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

বিজ্ঞাপন

পাশাপাশি, ত্রাণ সংগঠনগুলোর শঙ্কা দুপক্ষের সংঘাত মানবিক সংকট সৃষ্টি করতে পারে এবং অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে ইথিওপিয়া। ইথিওপিয়া সেনাবাহিনীর মেকেল্লে অভিযান নিয়ে জাতিসংঘও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং যুদ্ধাপরাধ ঘটার ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছে। ইতোমধ্যেই, তিগ্রাইয়ের প্রায় ৪০ হাজার বাসিন্দা প্রাণ রক্ষা করতে পালিয়ে প্রতিবেশী ‍সুদানে আশ্রয় নিয়েছে।

সারাবাংলা/একেএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন