বিজ্ঞাপন

‘৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক টয়লেট নির্মাণ করবে সরকার’

November 26, 2020 | 8:19 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেছেন, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য তিনশ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট নির্মাণ করবে সরকার।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) সচিবালয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) সদস্যদের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘দুর্যোগবিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি)-২০১৯’ অবহিতকরণ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সারাদেশে দরিদ্র মানুষের কাঁচা ও জীর্ণ-শীর্ণ টয়লেট বদলে নতুন টয়লেট নির্মাণ করা হবে। এ জন্য প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এই প্রকল্পে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে।’

বিজ্ঞাপন

ডা. এনামুর রহমান বলেন, ‘বুধবার ( ২৫ নভেম্বর) সংসদীয় কমিটির বৈঠবে একটি প্রকল্প অনুমোদন নিয়েছি। আমরা দেখেছি ওয়াটার এইড, সাজেদা ফাউন্ডেশনসহ অনেক এনজিও স্যানিটেশন নিয়ে কাজ করে। কিন্তু ক্যাপাসিটি কম। আমরা দেখেছি সারাদেশে লাখ লাখ পরিবারের টয়লেট জীর্ণ-শীর্ণ, কলাপাতা দিয়ে ও পলিথিন দিয়ে ঢাকা, পুরনো শাড়ি দিয়ে ঘেরাও করা। এ জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যতোগুলো পরিবার এ ধরণের ঝুঁকিপূর্ণ টয়লেট ব্যবহার করে আমরা সেই টয়লেটগুলো রিপ্লেস করে আধুনিক মানসম্মত স্যানিটারি টয়লেট তৈরি করে দেবো। এরপর সমগ্র বাংলাদেশের সব দরিদ্র-অতি দরিদ্র মানুষদের টয়লেট স্বাস্থ্য সম্মত করে দেবো।’

এনামুর রহমান বলেন, ‘এই টয়লেটের কারণে পানি ও মলবাহিত আমাশয়, কৃমিসহ অন্যান্য রোগ ছড়ায়। এটা যদি আমরা করে দিতে পারি তাহলে পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধ করতে পারব। এছাড়া কৃমির কারণে যে পুষ্টিহীনতা সেটা প্রতিরোধ করে নতুন প্রজন্মকে পুষ্টিবান হিসেবে গড়ে তুলতে পারব। লাওসে একটি কনফারেন্সের আলোচনায় এসেছে, পানিবাহিত রোগের কারণে মানুষ খর্বাকৃতি হয়। আমরা যদি এটা করতে পারি তাহলে মানুষের গ্রোথও ভালো হবে।’

বিজ্ঞাপন

উপকূলীয় এলাকা জলাবদ্ধতার বিষয়ে একজন সংবাদিক দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘উপকূল নিয়ে অনেকগুলো দাবি আছে। আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন, ডেল্টা প্ল্যানে যে ছয়টি হটস্পট আছে, তার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও এক নম্বরে উপকূলীয় অঞ্চলে প্রতিবছর ঘূর্ণিঝড়ে বাধ ভেঙে পানি প্রবেশ করে, জলাবদ্ধতা হয়, বোল্ডারগুলো ভেঙে যায়। এ সমস্ত সমস্যা সমাধানের জন্য উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়নের কথা বলা আছে। একশ বছরের পরিকল্পনা হলেও প্রধানমন্ত্রী দশ বছরের মধ্যে সমাধানের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। আগামী দশ বছরের মধ্যে এসব সমস্যার টেকসই ও স্থায়ী সমাধান হবে।’

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহসীন, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব মো. ফিরাজ সালাউদ্দিন, উপ-মহাসচিব মো. রফিকুল ইসলাম, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) পরিচালক আহমাদুল হক এবং বিএসফআরএফের সভাপতি তপন বিশ্বাস কর্মশালায় বক্তৃতা করেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/জেআর/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন