বিজ্ঞাপন

করোনার পর এবার নরোভাইরাস

November 28, 2020 | 3:48 pm

সারাবাংলা ডেস্ক

ঢাকা: নভেল করোনাভাইরাসের সঙ্গে যুদ্ধ করতে করতে পুরনো বছর প্রায় পার করে দিচ্ছে গোটা বিশ্ব। এই মহামারি অবস্থার মধ্যে আরেক ভাইরাসের দেখা মিলেছে করোনাভাইরাসের উৎপত্তিস্থল চীনে। ভাইরাসটির নাম নরোভাইরাস। করোনাভাইরাসের মতো নরোভাইরাসের কোনো ভ্যাকসিন নেই বাজারে।

বিজ্ঞাপন

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম গ্লোবাল টাইম প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, সিচুয়ানের জিগং শহরের একটি কিন্ডারগার্টেনে বুধবার (২৫ নভেম্বর) রোগটি দেখা দিয়েছে। সেখাকার ৫০ শিক্ষার্থী এরইমধ্যে ভাইরাসটির কবলে পড়েছে।

নমুনা সংগ্রহের পর ইয়ানথান জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, শিক্ষার্থীরা বমি করছিল। নরোভাইরাসের সংক্রমণের কারণেই এমনটি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

নিউক্লিও এসিড টেস্ট ও মহামারি সংক্রান্ত গবেষণার পর কেন্দ্রীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ (সিডিসি) নিশ্চিত করেছে ‘নরোভাইরাসের কারণেই শিশুরা বমি করেছে।’ স্বাস্থ্যবিভাগ জানিয়েছে যে, ‘শিশুদের অবস্থা স্থিতিশীল, পুনঃ গবেষণার জন্য তাদের হাসপাতালে রাখা হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি থাকা শিশুদের মধ্যে মৃদু উপসর্গ এখনও রয়েছে।

নভেম্বরের পর চীনে দফায় দফায় নরোভাইরাসের বিস্তার দেখা দিয়েছে। গত ১৩ নভেম্বর পূর্ব চীনের ফুজিয়ান প্রদেশে এক স্কুলে ৩০ জন শিক্ষার্থী আক্রান্ত হয়েছিল। তার আগে ২৯ অক্টোবর উত্তর-পূর্ব চীনের লিওনিং প্রদেশের একটি স্কুলে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী সংক্রমিত হয়। এ মাসের প্রথমদিকে উত্তর চীনের শানজি প্রদেশে নরোভাইরাসের বিস্তার দেখা দেয়। নরোভাইরাসের সংক্রমণের বিষয়টি এখন চীনের হেলথ ইস্যু হয়ে উঠেছে।

বিজ্ঞাপন

ভাইরাসটি নভেল করোনাভাইরাসের মতোই মারাত্মক ছোঁয়াচে বা সংক্রামক। অধিকাংশ সময় বাচ্চারা এতে আক্রান্ত হয়। তাতে বমি এবং ডায়রিয়া দেখা দেয়। তবে যে কোনো বয়সের মানুষ এতে আক্রান্ত হতে পারে।

করোনার মতোই নরোভাইরাসেরও কোনো ভ্যাকসিন নেই। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে চীনা প্রশাসন প্রথম টেট্রাভ্যালেন্ট ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু করে। এটি ৮০-৯০ শতাংশ কার্যকর বলে দাবি করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। তবে টেট্রাভ্যালেন্ট এখনও বাজারে আসেনি।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন