বিজ্ঞাপন

চেলসির সঙ্গে ড্র করেও শীর্ষে স্পার্স

November 30, 2020 | 8:22 am

স্পোর্টস ডেস্ক

লন্ডন ডার্বিতে টটেনহামকে হারাতে পারলেই প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে আসতে পারত চেলসি। তবে না জোসে মোরিনহোর দলেরর বিপক্ষে দুর্দান্ত খেললেও শেষ পর্যন্ত ড্র করেই তুষ্ট থাকতে হয়েছে ফ্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের চেলসিকে। এদিকে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে ব্লুজদের বিপক্ষে ড্র করেও লিভারপুলকে টপকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান পুনঃদখল করেছে টটেনহাম হটস্পার্স। চেলসির ঘরের মাঠে ডার্বি শেষ হয় গোলশূন্য ড্র'তে।

বিজ্ঞাপন

চলতি মৌসুমটা দুর্দান্ত কাটছে মোরনিহোর দলের। চেলসির মাঠে আতিথ্য নেওয়ার ঠিক আগের ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটিকে ২-০ গোলে হারিয়ে শীর্ষস্থান পোক্ত করে স্পার্স। তাই তো লন্ডন ডার্বির দিকে একটু বেশিই নজর ছিল ফুটবলপ্রেমিদের। এছাড়া মোরিনহোর এবং তাঁর সাবেক শীষ্যের একে অপরের বিপক্ষে লড়াইটা বেশ জমজমাটই হয়। এদিন কোনো গোল না হলেও লড়াইটা হাড্ডাহাড্ডিই হয়েছে।

ম্যাচের ৯ম মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত স্পার্স কিন্তু কেন ও সনের যুগলবন্দিতে দারুণ এক আক্রমণ থেকে পাস আসে স্টিভেন বারগিনের কাছে কিন্তু তাঁর শট গোলপোস্টের ওপর দিয়ে বেরিয়ে গেলে গোলবঞ্চিত হয় স্পার্স। এর ঠিক মিনিট দুই পরে চেলসির হয়ে গোল করেন জার্মান স্ট্রাইকার টিমো ভার্নার। তবে অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। এরপর প্রথমার্ধে আরও কিছু আক্রমণ প্রতি আক্রমণেও দুই দলের রক্ষণে কেউই ফাটল ধরাতে পারেনি। আর তাতেই প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্যতে।

বিজ্ঞাপন

বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত চেলসি, জেমস রিসের দুর্দান্ত এক ক্রসে টামি আব্রাহাম মাথা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হলে গোলের সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া হয় ব্লুজদের। এরপর ম্যাচের ৫১ মিনিটে রিসের আরও এক ক্রস আসে আব্রাহামের উদ্দেশ্যে, এবার মাথা ছোঁয়ালেও তা লক্ষ্যে রাখতে পারেননি তিনি। খেলার ৬৭ মিনিটে বেন চিলওয়েলের দারুণ এক ক্রস পেয়ে যান হাকিম জিয়েচ, ভলি শটে গোল করার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত বল চলে যায় গোলপোস্টের উপর দিয়ে। ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে মেসন মাউন্ট আর অলিভার জিরুডের দুর্দান্ত দুই আক্রমণও ব্যর্থ হলে শেষ পর্যন্ত কোনো দলই আর গোলের দেখা পায়নি। আর তাই তো গোলশূন্য ড্র'তে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে লন্ডের দুই ক্লাবকে।

গোটা ম্যাচ জুড়ে অবশ্য স্পার্সকে কোণঠাসা করে রেখেছিল চেলসি। ম্যাচের ৬০ শতাংশেরও বেশি আর চেলসির দখলে ছিল প্রায় ৪০ শতাংশ। চেলসির ১১টি গোলের সুযোগ তৈরির বিপরীতে স্পার্সের এই সংখ্যা ছিল কেবল তিনটি। প্রতিপক্ষের গোল বরাবর নেওয়া শটের সংখ্যায়ও চেলসি বেশ এগিয়ে। ব্লুজদের ১৩ শটের বিপরীতে স্পার্সের শট সংখ্যা মাত্র ৫টি। তবে এত কিছুর পরেও গোলশূন্যই থেকে যায়।

বিজ্ঞাপন

এই ড্র'তে ১০ ম্যাচে ৬টি জয়, ৩টি ড্র আর বাকি একটিতে হেরেও ২১ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে টটেনহাম হটস্পার্স। অন্যদিকে সমান ম্যাচে একই পরিসংখ্যান নিয়ে ২১ পয়েন্ট নামের পাশে থাকা সত্ত্বেও গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে দুই নাম্বারে অবস্থান করছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন লিভারপুল। আর সমান ম্যাচে ৫টি জয়, ৪টি ড্র আর একটি হারে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে চেলসি।

সারাবাংলা/এসএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন