বিজ্ঞাপন

সরকারি ক্রয়কেন্দ্র খুলে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ফসল কেনার দাবি

December 3, 2020 | 11:18 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: উৎপাদন খরচের সঙ্গে বাড়তি ৪০ শতাংশ যুক্ত করে সব কৃষি ফসলের মূল্য নির্ধারণ এবং সরকারি উদ্যোগে ক্রয়কেন্দ্র খুলে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ফসল কেনার দাবি জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট। ফ্রন্টের পক্ষ থেকে কৃষক সমবায় ও ভোক্তা সমবায় গড়ে তোলারও আহ্বান জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশ থেকে এই দাবি জানানো হয়। ভারতের কৃষক স্বার্থবিরোধী আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত কৃষকদের প্রতি সংহতি জানাতে এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধন ও সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ। বক্তৃতা করেন কৃষক নেতা নিখিল দাস, বেলায়েতে হেসেন, রাজেকুজ্জামান রতন, জুলফিকার আলী, আহসান হাবিব বুলবুল, খালেকুজ্জামান লিপন, নাসিরউদ্দিন প্রিন্সসহ অন্যরা।

বিজ্ঞাপন

সরকারি ক্রয়কেন্দ্র খুলে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ফসল কেনার দাবি

সমাবেশে ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্টের নেতারা বলেন, ভারতের পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, উত্তরাখন্ডসহ কয়েকটি রাজ্যের ৭০ হাজারেরও বেশি কিষাণীসহ ১২ লাখেরও বেশি কৃষক দিল্লি অবরোধ করেছেন। গত ২৬ নভেম্বর থেকে রোড মার্চ করে তারা দিল্লি এসেছেন। ৯৬ হাজার ট্রাক্টরে ছয় মাসের খাবার-রসদ তাদের রয়েছে। তারা উত্তাল আন্দোলন গড়ে তুলেছেন।

বিজ্ঞাপন

তারা বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি ও প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করেছেন ভারতের কৃষকরা। পথে পথে ব্যারিকেড, জলকামানের আক্রমণ, পুলিশের লাঠিচার্জ মোকাবিলা করে তারা দিল্লির রাজপথে অবস্থান নিয়েছেন। তাদের স্পষ্ট কথা— কৃষক স্বার্থবিরোধী বিতর্কিত তিনটি বিল প্রত্যাহার না করলে তারা রাজপথ ছাড়বেন না। ভারত সরকারকে আন্দোলনরত কৃষকদের ন্যায়সঙ্গত দাবি মেনে নিয়ে কৃষক স্বার্থবিরোধী আইন বাতিলের দাবি জানান নেতারা।

বাংলাদেশেও কৃষকবান্ধব একটি পরিস্থিতি তৈরির আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, কৃষি উপকরণের দাম ঊর্ধ্বমুখী। প্রণোদনা, ভর্তুকি কৃষকরা তেমন পান না। ক্ষেতমজুরদের জন্য রেশনের ব্যবস্থা নেই। গ্রামীণ প্রকল্পগুলো দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত। কৃষি ও কৃষক, ক্ষেতমজুরদের বাঁচাতে রাজপথে সংগ্রাম গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

বিজ্ঞাপন

ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট নেতারা আরও বলেন, সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ফসল কিনতে হবে। সরকারি উদ্যোগে ক্রয়কেন্দ্র খুলতে হবে। সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ফসল না কিনলে কৃষকরা তাদের হাড়ভাঙা খাটুনির কোনো প্রতিদান পাবেন না। দেশকে বাঁচাতে হলে কৃষককে বাঁচাতে হবে। আর তার জন্য সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে।

সারাবাংলা/এএইচএইচ/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন