বিজ্ঞাপন

মতিঝিলে শিশু, যাত্রাবাড়ীতে কলেজ শিক্ষার্থীর প্রাণ গেল দুর্ঘটনায়

December 4, 2020 | 1:27 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: রাজধানীর মতিঝিল ও যাত্রাবাড়ীতে পৃথক দুই দুর্ঘটনায় দুই জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে মতিঝিলে একটি বাসের ধাক্কায় সিএনজির যাত্রী এক শিশু এবং যাত্রাবাড়ীতে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের চালক এক কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। মতিঝিলের দুর্ঘটনায় আরও চার জন এবং যাত্রাবাড়ীতে আরও একজন আহত হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় মতিঝিলের বক চত্বরে ও সকাল ১০টায় যাত্রাবাড়ীর মানিকদিয়া এলাকায় দুর্ঘটনা দুইটি সংঘটিত হয়।

এদিন সকাল ৮টার দিকে মতিঝিলের বক চত্বরে একটি সিএনজিকে ধাক্কা দেয় আল মক্কা পরিবহনের একটি বাস। এসময় সিএনজির যাত্রী জাকির হোসেন (২৩) এবং তার পরিবারের সদস্য শিউলি আক্তার (১৯), রওশন আরা (৬৫) ও নুসাইভা (১০) আহত হন। সিএনজির চালকও গুরুতর আহত হন। তাদের সবাইকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ১০টার দিকে শিশু নুসাইভাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

বিজ্ঞাপন

জাকিরের মামাত ভাই কাওছার আহমেদ সারাবাংলাকে জানান, জাকিরদের বাড়ি কেরানীগঞ্জের আমিনপাড়া এলাকায়। গত মঙ্গলবার খিলগাঁও নন্দিপাড়ায় আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন। আজ (শুক্রবার) সকালে খিলগাঁও থেকে সিএনজি নিয়ে কেরানীগঞ্জের বাসায় ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হয় পুরো পরিবার।

মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান সারাবাংলাকে বলেন, মতিঝিল বক চত্বর জনতা ব্যাংকের সামনে আল মক্কা পরিবহনের বাস সিএনজিকে ধাক্কা দিলে সিএনজিচালকসহ সিএনজিতে থাকা সবাই আহত হন। তাদের মধ্যে একটি শিশু মারা গেছে। সিএনজিচালকের অবস্থা গুরুতর।

বিজ্ঞাপন

সিএনজিচালকের নাম জানাতে পারেননি এসআই। তিনি জানান, শিশুটির মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। সিএনজিকে ধাক্কা দেওয়া বাসটি জব্দ করে চালককে আটক করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মতিঝিলে শিশু, যাত্রাবাড়ীতে কলেজ শিক্ষার্থীর প্রাণ গেল দুর্ঘটনায়

এদিকে, সকাল ১০টার দিকে যাত্রাবাড়ী মানিকদিয়া এলাকায় একটি মোটরসাইকেলকে ট্রাক ধাক্কা দিলে মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহী দুই বন্ধু আহত হন। তাদের ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ইফতিখার ইফতিকে (১৮) মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। তার বন্ধু অনন্ত বড়ুয়া (১৮) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বিজ্ঞাপন

ইফতি ও অনন্তের সহপাঠী আব্রারুল হক সারাবাংলাকে জানান, তাদের বাসা বাসাবো কদমতলা এলাকায়। ইফতি রাজারবাগ পুলিশ লাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাবা মো. খলিল। আহত অনন্ত নটরডেম কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। দুই বন্ধু নতুন মোটরসাইকেল চালানো শিখেছেন। সকালে তারা মোটরসাইকেল নিয়ে বের হন। দুর্ঘটনার সময় ইফতি মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ বক্সের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, দুর্ঘটনার শিকার দুই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক ইফতিকে মৃত ঘোষণা করেছেন। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। আহত অনন্তের দুই পা ও হাতে আঘাত লেগেছে। তাকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট থানায় ঘটনাটি জানানো হয়েছে।

সারাবাংলা/এসএসআর/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন