বিজ্ঞাপন

নদীর জায়গা দখল করে উন্নয়ন সরকারের পছন্দ নয়: নৌ প্রতিমন্ত্রী

December 8, 2020 | 10:02 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: নদীর জায়গা দখল করে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা সরকার পছন্দ করে না বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, নদীর জায়গা কেউ অবৈধভাবে দখল করে উন্নয়নের সুযোগ পাবে না। নদী তীরের জায়গা দখল রোধ করতে সরকার সঠিক পথে এগুচ্ছে। নদীর তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে বিআইডব্লিউটিএ’র কার্যক্রমে হাইকোর্ট সন্তুষ্ট এবং দেশবাসীও সন্তুষ্ট।

মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) প্রতিমন্ত্রী ঢাকার শ্যামপুরে বিআইডব্লিউটিএ’র ভাসমান ডক পরিদর্শনের সময় এসব কথা বলেন। এসময় অন্যদের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির কারণে উচ্ছেদ কার্যক্রমে কিছু ধীরগতি ছিল। তবে এখন কার্যক্রম চলছে। ধারাবাহিকভাবে কাজ করা হবে। নদীর তীরের সীমানা চিহ্নিত করা হয়েছে। নদীর জায়গা নদীকে ফিরিয়ে দিতে চাই।

শ্যামপুরে আজ ভাসমান ডকে বিআইডব্লিউটিএ’র জাহাজ ‘ধ্রুবতারা’ আনডকিং করা হয়। ধ্রুবতারা জাহাজ দিয়ে অভ্যন্তরীণ ও উপকূলীয় নৌপথের বিভিন্ন রুটে নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচলের জন্য বয়া-বিকন স্থাপন ও প্রতিস্থাপনের কাজ করা হয়ে থাকে।

বিজ্ঞাপন

বিআইডব্লিউটিএ’র ভাসমান ডকটি ১৯৬৭ সালে জার্মানিতে নির্মাণ করা হয়, ১৯৬৮ সালে নিয়ে আসা হয় বাংলাদেশে। ভাসমান ডকটিতে একটি পাঁচ টন ক্ষমতাসম্পন্ন ক্রেন, দু’টি ১৫০ কেভিএ জেনারেটর, চারটি ক্যাপস্টান রয়েছে। জলযান ডকিংয়ের পর মেরামত কাজ করার জন্য ১৩টি ওয়েল্ডিং রেগুলেটর রয়েছে। ডকটিতে যেকোনো জলযানের আন্ডার ও ওয়াটার এবং প্রপালশন ইউনিটসহ যেকোনো অংশের মেরামত কাজ করা খুবই সুবিধাজনক। ভাসমান ডকের রানওয়ের বেশি নয়, এমন দৈর্ঘ্য-প্রস্থের ৮০০ টন পর্যন্ত ওজনের যেকোনো ফ্লোটিং স্ট্রাকচার এই ভাসমান ডকে ডকিং ও আন-ডকিং করা যায়।

ভাসমান ডকে বিআইডব্লিউটিএ এবং অন্যান্য সংস্থার জলযানের জরুরি মেরামত কাজ সম্পন্ন করা হয়। প্রয়োজনে ভাসমান ডকটি মুভ করে অন্য স্থানেও জরুরি মেরামত কাজ করতে সক্ষম। ভাসমান ডকটি ২০০২ সালে বরিশাল থেকে নিয়ে এসে ঢাকার শ্যামপুরে স্থাপন করা হয়। ২০১০ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত এ ডকটিতে ৭৫টি জলযান ডকিং ও আন-ডকিং করা হয়েছে। ভাসমান ডকটি বিআইডব্লিউটিএ, তথা বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।

বিজ্ঞাপন

ফাইল ছবি

সারাবাংলা/ইউজে/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন