বিজ্ঞাপন

৪০ শতাংশ মহার্ঘভাতাসহ স্থায়ী বেতন কমিশনের দাবি

December 10, 2020 | 9:43 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ৪০ শতাংশ মহার্ঘভাতা প্রদানের পাশাপাশি স্থায়ী বেতন কমিশনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ তৃতীয় শ্রেণি সরকারি কর্মচারী সমিতি। সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্বল্প আয়ের কর্মচারীরা কঠিন অর্থনৈতিক সংকটে নিমজ্জিত। পরিবার নিয়ে তারা নিরুপায়-দিশেহারা। এ অবস্থার উত্তরণে নতুন জাতীয় বেতন কমিশন গঠন ও কর্মচারীদের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি বেতন কাঠামো জরুরি।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর সেগুন বাগিচায় ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন এসব দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির সভাপতি ইব্রাহিম খলিল। এসময় সমিতির মহাসচিব মো. ওবায়দুল হকসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সরকার ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেল কার্যকর করে। কিন্তু এর পরে কয়েক দফা গ্যাস, বিদ্যুৎসহ অন্যান্য পরিসেবার দাম বেড়েছে। এমনকি জীবন রক্ষাকারী ওষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের দামই বেড়েছে। এর ফলে স্বল্প আয়ের কর্মচারীরা কঠিন অর্থনৈতিক সংকটে নিমজ্জিত এবং পরিবার নিয়ে নিরুপায় ও দিশেহারা। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে নতুন জাতীয় বেতন কমিশন গঠন এবং কর্মচারীদের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি বেতন কাঠামোর দাবি জানান তারা, যা উচ্চতর ও নিম্নতর পদের বেতন বৈষম্য কমিয়ে আনবে।

সমিতির সভাপতি ইব্রাহিম খলিল ৯ দফা দাবি পেশ করেন। তার উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ৪০ শতাংশ মহার্ঘভাতা প্রদান, অবিলম্বে স্থায়ী বেতন কমিশন গঠন, বৈষম্য নিরসনে অধিদফতর, পরিদফতর, দফতর প্রতিষ্ঠানের প্রধান সহকারী, উচ্চমান সহকারী এবং সমপদের কর্মচারীদের সচিবালয়ের অনুরূপ দ্বিতীয় শ্রেণির বেতন স্কেল প্রদান এবং পদোন্নতির ব্যবস্থা করা।

বিজ্ঞাপন

এছাড়া ১১-২০ গ্রেডের জনবলের বিদ্যমান বেতন বৈষম্য নিরসন করতে ও বেতন কাঠামো আরও সুবিন্যস্ত করার লক্ষ্যে গ্রেড কমিয়ে পাঁচটিতে রূপান্তর করা, নন-গেজেটেড কর্মচারীদের এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রবর্তন, একই পদ ও কাজে ভিন্ন ভিন্ন স্কেল বাতিল করা, ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত কর্মচারিদের তফসিলিভুক্ত করে ঝুঁকিভাতা প্রদান এবং আইএলও কনভেনশন অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার প্রদান করার দাবিও জানানো হয়।

সারাবাংলা/জিএস/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন