বিজ্ঞাপন

ঢাকাকে উড়িয়ে ফাইনালে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম

December 15, 2020 | 8:19 pm

স্পোর্টস ডেস্ক

দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের বোলিং তোপে মাত্র ১১৬ রানেই গুটিয়ে যায় বেক্সিমকো ঢাকা। মাত্র ১১৭ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে লিটন দাস, সৌম্য সরকার ও মোহাম্মদ মিঠুনের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৫ বল আর ৭ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় চট্টগ্রাম। এই জয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম।

বিজ্ঞাপন

১১৭ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত করে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের দুই ওপেনার লিটন দাস ও সৌম্য সরকার। পাওয়ার প্লে'তেও দুর্দান্ত ব্যাট করে এই দুই ওপেনার। ৭ম ওভারে দলীয় ৪৪ রানে ব্যক্তিগত ২৭ রানে রান আউট হয়ে ফেরেন সৌম্য সরকার।

সৌম্য ফিরলে ক্রিজে আসেন অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। অধিনায়ককে সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের পথে রাখেন লিটন দাস। মিঠুনের সঙ্গে ৫৭ রানের জুটি গড়ে ব্যক্তিগত ৪০ রানে লিটন ফিরলেও দলকে ততক্ষণে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দিয়েছিলেন। এরপর মিঠুন ৩৪ রান করে ফেরেন দলীয় ১০৮ রানে। এরপর  বাকি কাজটা সারেন শামসুর রহমান (৯) এবং মোসাদ্দেক হোসেন (২)। ৫ বল এবং ৭টি উইকেট হাতে রেখে জয় তুলে নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম।

বিজ্ঞাপন

এর আগে প্রথম কোয়ালিফায়ারের খুলনার কাছে হেরে ফাইনালে ওঠার প্রথম সুযোগ হাতছাড়া করেছে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। তবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে বেক্সিমকো ঢাকার বিপক্ষে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে নেমে মোস্তাফিজ-শরিফুল-নাহিদুলদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ১১৬ রানে ঢাকাকে অল আউট করে দেয় মোহাম্মদ মিঠুনের দল।

ঢাকার হয়ে সর্বোচ্চ ২৫ রান আসে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম প আল-আমিনের। আর তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৪ রান করেন ইয়াসির আলী। চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন মোস্তাফিজুর রহমান, দুটি উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। আর একটি করে উইকেট নেন রাকিবুল হাসান, নাহিদুল ইসলাম, মোসাদ্দেক হোসেন ও সৌম্য সরকার।

বিজ্ঞাপন

সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড:

বেক্সিমকো ঢাকা: ১১৬/১০, ২০ ওভার, (মুশফিক ২৫; ইয়াসির ২৪, আল-আমিন ২৫), (মোস্তাফিজুর ৩/৩২; শরিফুল ২/১৭; মোসাদ্দেক ১/২২)।

বিজ্ঞাপন

গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম: ১১৭/৩, ১৯.১ ওভার, (লিটন ৪০; সৌম্য ২৭; মিঠুন ৩৪), (আল-আমিন ১/৪; মুক্তার আলী ১/২৮)

ফলাফল: গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম ৭ উইকেটে জিতে ফাইনালে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন