বিজ্ঞাপন

একটি বড় জুটির আক্ষেপ চট্টগ্রাম অধিনায়কের

December 18, 2020 | 10:27 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ফাইনালের মঞ্চে জ্বলে উঠতে পারেননি সৌম্য সরকার। শিরোপার লড়াইয়ের মঞ্চে ইনিংসের ফুল স্টপ টেনেছেন মাত্র ১২ রানে। দুর্ভাগা লিটন দাস, উইকেটে থিতু হওয়ার পর ২৩ রানে ফিরে যান ড্রেসিংরুমে। দুই ওপেনার টুর্নামেন্ট জুড়ে দুর্দান্ত করলেও ট্রফির লড়াইয়ে তারা আলো ছড়াতে পারেননি। দুজন ওপেনিং জুটিতে করেন ২৬ রান। এরপর টপ অর্ডারে আর বড় কোন জুটি পায়নি গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। চট্টলা অধিনায়কের আক্ষেপটি সেখানেই, টপ অর্ডারে বড় কোন জুটি হল না। সেটা হলে টুর্নামেন্টের শিরোপা অধরা থাকত না বলে মত তার।

বিজ্ঞাপন

ফাইনালের মহারণে জেমকন খুলনার দেওয়া ১৫৬ রানের লক্ষ্য ছুঁতে নেমে ২৬ রানেই ভেঙে যায় মিঠুনদের উদ্বোধনী জুটি। দ্বিতীয় উইকেট জুটির অবস্থা আরো করুণ, মাত্র ৯ রানের। তৃতীয় উইকেট এল ১৬ রানের যা লক্ষ্য তাড়ায় পর্যাপ্ত ছিল না বলে মনে করেন গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের দলপতি মোহাম্মদ মিঠুন। আর সেকারণেই বহুকাঙ্খিত শিরোপাটি হাতছাড়া হয়েছে বলে মত তার।

শুক্রবার (১৮ ডিসেম্বর) ম্যাচ শেষে পুরষ্কার বিতরণিতে এসে তিনি একথা জানান।

বিজ্ঞাপন

মিঠুন জানান, ‘পুরো টুর্নামেন্টেই ছেলেরা ভাল খেলেছে। কিন্তু ফাইনালে সেভাবে খেলতে পারেনি। বোলাররা ভাল করলেও ব্যাটসম্যানরা ভাল করতে পারেনি। সব চেয়ে বড় সমস্যা হল, টপ অর্ডারে আমাদের বড় কোন জুটি হয়নি। ’

১৫৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামা চট্টগ্রাম ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে থামে দেড়শ রান ছুঁয়ে। বিফলে গেছে টি-টুয়েন্টি ক্যারিয়ারে প্রথম হাফ সেঞ্চুরি পাওয়া পাওয়া সৈকত আলীর ইনিংসটি। ৪৫ বলে এ ডানহাতি ব্যাটসম্যান চার ছক্কায় করেন ৫৩ রান। ম্যাচ শেষে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামকে ৫ রানে হারিয়ে বঙ্গবন্ধু টি-টুয়েন্টি কাপের শিরোপা জিতেছে জেমকন খুলনা।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এমআরএফ/এসএইচএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন