বিজ্ঞাপন

‘নদীরক্ষার নামে অবৈধ দখলদাররা যেন সুবিধা নিতে না পারে’

December 31, 2020 | 7:56 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: নদীরক্ষার ঢাল ব্যবহার করে অবৈধ দখলদাররা যেন সুবিধা ভোগ করতে না পারে সেদিকে সজাগ থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। একইসঙ্গে নদীকে মুক্তিযুদ্ধের সহায়ক বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) বুড়িগঙ্গা নদীতে জাহাজে স্বাধীনতার ৫০ বছরে পদার্পণ উপলক্ষ্যে ‘নদীও মুক্তিযোদ্ধা’ শীর্ষক ভাসমান সভায় এসব কথা বলেন। থ্রি এ্যাঙ্গেল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড, নদীরক্ষা জোট এবং রিভার জাস্টিসের সহযোগিতায় নদী নিরাপত্তার সামাজিক সংগঠন ‘নোঙর’ এই ভাসমান সভার আয়োজন করে।

নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘স্বাধীনতাবিরোধিরা সংকুচিত ও দুর্বল হয়ে গেছে। তারপরেও তারা আবার ছোবল মারতে পারে। সামাজিক আন্দোলনের নামে বিশৃংখলা সৃষ্টি করতে পারে। স্বাধীনতাবিরোধীদের শুধু পরাজিত নয়; তাদের নির্মূল করতে হবে।’

বিজ্ঞাপন

মুক্তিযুদ্ধের সহায়ক শক্তি নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদী-নালা, খাল-বিল উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নদী আমাদের জীবনের একটি অংশ এবং অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্যের গতি ধরে রাখে নদী। নদীকে প্রবাহমান ও নাব্য রাখতে পারলে আমাদের মুক্তি আসবেই। নদীগুলোকে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মধ্যে এনে নাব্যতা ধরে রেখে উন্নয়নের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজে লাগাতে হবে। সরকার ১০,০০০ কিলোমিটার নৌপথ খননের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এটা ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনি মেনিফেস্টোতে ছিল।’

সংগঠনের সভাপতি সুমন শামসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- মুক্তিযোদ্ধা ও নদী বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা ও লেখক ইসহাক খান, বুড়িগঙ্গা বাঁচাও আন্দোলনের আহ্বায়ক মিহির বিশ্বাস এবং রিভারাইন পিপলের মহাসচিব শেখ রোকন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/জেআর/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন