বিজ্ঞাপন

২০-এর ‘বিষ’মুক্তির প্রার্থনায় ২১-কে স্বাগত

January 1, 2021 | 12:03 am

তরিকুর রহমান সজীব

শেষ পর্যন্ত শেষ হলো ২০২০ সাল। বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর রাতে ঘড়ির কাঁটা ১১টার ঘর পেরিয়ে ১২টা স্পর্শ করল। শুরু হলো নতুন বছর ২০২১। গোটা বিশ্বের জন্য মহামারিময় একটি বছর পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত সেই মহামারি থেকে মুক্তির ব্যাকুল প্রত্যাশা নিয়ে হাজির হলো নতুন বছরটি। করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারি থেকে মুক্তির নিশ্চয়তা নেই, তবু মানুষ তো আশায় বাঁচে। সেই আশা নিয়েই বিশ্ববাসীকে বলতে হচ্ছে— স্বাগত ২০২১।

বিজ্ঞাপন

আর দশটি বছরের মতোই অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে হাজির হয়েছিল ২০২০ সাল। কিন্তু শুরু থেকেই বছরটি বিশ্ববাসীর কাছে বলতে গেলে একরকম বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। করোনাভাইরাস নামের এক মহামারির কবলে পড়ে বছরটি রীতিমতো দুর্বিষহ হয়ে দাঁড়ায়। খালি চোখে অদৃশ্য এক ভাইরাস কণা গোটা মানবজাতির সামনেই যেন হাজির হয় ‘বিষ’ হিসেবে। সেই বিষে নীল হয়ে যাওয়া বিশ্ব যেন কেবলই প্রার্থনা করেছে, কবে শেষ হবে ‘১৮ মাসের বছরে’ পরিণত হওয়া এই বছরটি। এমন নয় যে এই বছরটি শেষ হলেই করোনাভাইরাস নাম ‘বিষ’ থেকে মুক্তি মিলবে, তবে নতুন বছরের প্রত্যাশার সঙ্গেই বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ, তথা বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষেরই ভাবনায় জড়িয়ে রয়েছে এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ‘ভ্যাকসিন’ নামের মারণাস্ত্রটি।

হ্যাঁ, শেষ পর্যন্ত ‘বিষ’ হয়ে ওঠা বিশ সালের আবর্তন শেষ হয়েছে। আর ‘বিষ’মুক্তির প্রত্যাশা নিয়েই শুরু হলো একুশের যাত্রা। ওই যে ভ্যাকসিন নামের মারণাস্ত্রটির কথা বলা হলো, এরই মধ্যে সেটির প্রয়োগ শুরু হয়েছে বেশকিছু দেশেই। নতুন বছরে সেই ভ্যাকসিন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়বে, করোনাকে পরাজিত করার যুদ্ধে মানুষকে দেবে বাড়তি শক্তি— বিশের ‘বিষ’ ভুলে একুশের কাছে সেই প্রত্যাশা তাই একদম বাস্তবসম্মতই।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) গ্রিনিচ মান সময় সকাল ১০টা তথা বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় ২০২০ সালকে বিদায় জানিয়ে বিশ্বের প্রথম অঞ্চল হিসেবে ২০২১ সালকে বরণ করে দ্বীপরাষ্ট্র সামওয়া ও টোঙ্গা। এরপর বরাবরের মতোই প্রথম দেশ হিসেবে বর্ষবরণের বড় উদযাপনটি করে নিউজিল্যান্ড। করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি প্রায় শতভাগ নিয়ন্ত্রণে থাকায় গণজমায়েতে নিষেধাজ্ঞা ছিল না দেশটিতে। ফলে অকল্যান্ডের সুপরিচিত আতশবাজি দেখা বড় আয়োজনেই। এরপর একে একে আরও অনেক দেশই বরণ করে নিয়েছে নতুন বছরকে। করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে অবশ্য বেশিরভাগ দেশেই এই আয়োজন ছিল সীমিত পরিসরে।

সামওয়া ও টোঙ্গায় বর্ষবরণের আট ঘণ্টা পর বাংলাদেশও বরণ করে নিল নতুন বছরকে। করোনার ছোবলে এই বছরটিতে নীল হয়ে পড়েছিল বাংলাদেশও। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ‘মুজিববর্ষ’ ঘোষণা করা হয়েছিল বছরটিকে। অথচ করোনার আঘাতে বছরটি হয়ে পড়েছিল ম্লান। ৫ লাখেরও বেশি মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি করোনাভাইরাস কেড়ে নিয়েছে সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণ। এখনো প্রায় প্রতিদিনই হাজারের বেশি মানুষের মধ্যে এই ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হচ্ছে, প্রতিদিনই মারা যাচ্ছেন প্রায় ২০-৩০ জন। ফলে করোনাভাইরাস সম্পর্কিত সব ধরনের সতর্কতা থেকে মুক্তি মিলছে না সহসাই। তারপরও এই সতর্কতার মধ্যেও স্বস্তি হলো— গত কিছুদিন থেকেই সংক্রমণের হার নিম্নমুখী। তারপরও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসসহ সংশ্লিষ্ট সবাই-ই বলছেন, স্বাস্থ্যবিধি মানতেই হবে, পরতে হবে মাস্ক।

বিজ্ঞাপন

কেমন গেল বছরটি— এ প্রশ্নের উত্তর এককথায় বলা যেতে পারে, সার্বিক বিবেচনায় বছরটি কোনোভাবেই সুখকর ছিল না। গত বছরের শেষ দিনে চীনের উহান থেকে যে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিল, সেই ভাইরাসের সংক্রমণ দেশে শনাক্ত হয় ৮ মার্চ। এরপর থেকেই বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো স্থবির হয়ে পড়ে বাংলাদেশও। সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয় দেশজুড়ে। পরে ধীরে ধীরে সীমিত পরিসরে এবং পরে করোনা মহামারি বিবেচনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে হলেও পূর্ণোদ্যমেই চালু হয়েছে অফিস-আদালত। শুরুর দিকে যানবাহন চলাচলে নানা ধরনের বিধিনিষেধ থাকলেও শেষ পর্যন্ত যানবাহনও চলছে করোনা পূর্ববর্তী সময়ের মতোই। বলতে গেলে সবকিছুই প্রায় স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। এর মধ্যে যে পরিবর্তনটুকু লক্ষ্যণীয় তা হলো— শতভাগ না হলেও বড় অংশের মানুষের মুখেই উঠে এসেছে মাস্ক। হাত ধোয়া, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার মতো বিষয়গুলো আয়ত্তে এসেছে অনেকেরই।

তবে এর মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলেনি। উল্টো প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী, নিম্ন মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপনী ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষাগুলো বাতিল হয়েছে। সব শিক্ষার্থীকেই কোনো ধরনের পরীক্ষা ছাড়াই পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হয়েছে। এদিকে, দেশের অর্থনীতিতেও করোনাভাইরাসের অভিঘাত পড়েছিল বাজেভাবেই। তবে ধীরে ধীরে সেই অভিঘাতও কাটিয়ে ওঠার প্রত্যাশা করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একদিকে সরকারের আর্থিক প্রণোদনার প্যাকেজ, অন্যদিকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স— দুইয়ে মিলিয়ে অর্থনীতি অনেকটাই সচল।

বিজ্ঞাপন

করোনার এই বছরটিতে স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল স্বাস্থ্য খাত। সেই করোনা সংক্রমণের শুরুর দিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ এর অধীন সংস্থাগুলোর কার্যক্রমে নানা ধরনের ত্রুটি-বিচ্যুতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ধীরে ধীরে স্বাস্থ্য খাতও অনেক কার্যক্রমই গুছিয়ে এনেছে। তারপরও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টদের করার ছিল অনেক কিছুই। বিশেষ করে স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি, করোনা পরীক্ষা নিয়ে জালিয়াতির মতো যেসব পিলে চমকানো তথ্য বেরিয়ে এসেছে, সেগুলোর সঙ্গে জড়িত অনেককেই আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু আরও অনেক দুর্নীতির তথ্য নিয়েই তদন্তে তেমন কোনো অগ্রগতি নেই। বিশেষ করে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন ‘ইমার্জেন্সি রেসপন্স প্যানডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস (ইআরপিপি)’ প্রকল্পের দুর্নীতিগুলো নিয়ে কোনো তদন্তই এখনো আলোর মুখ দেখেনি।

সবকিছুর পরও করোনাভাইরাসের ছোবলে নাজেহাল বছরটিতে আশার আলো হয়ে এসেছে ভ্যাকসিন। এরই মধ্যে চার চারটি কোম্পানির ভ্যাকসিন অনুমোদন পেয়েছে। বিশ্বের অনেক দেশই ভ্যাকসিন প্রয়োগও শুরু করেছে। সরকার আশাবাদী, ফেব্রুয়ারি নাগাদ ভ্যাকসিনের প্রথম ৫০ লাখ ডোজ পৌঁছাবে বাংলাদেশেও। ২০২১ সালের মধ্যে সাড়ে পাঁচ কোটি নাগরিককে এই ভ্যাকসিন দেওয়ার রোডম্যাপও তৈরি হয়েছে। সেই রোডম্যাপ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে করোনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের লড়াইয়ের শক্তি যে বাড়বে, তা বলাই বাহুল্য।

বিজ্ঞাপন

করোনার আঘাত সত্ত্বেও এ বছরেই শেষ পর্যন্ত সবগুলো স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের স্বপ্নের পদ্মাসেতু পূর্ণ রূপে দৃশ্যমান হয়েছে। নতুন বছরে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণাধীন সেতুটি যানচলাচলের উপযোগী হয়ে উঠবে— রয়েছে এমন আশাবাদ। এ বছর উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে মেট্রোরেল প্রকল্পেও। এগিয়েছে কর্ণফুলী টানেল নির্মাণের কাজ। বঙ্গোসাগরের তীরে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়িতে বাস্তবায়নাধীন গভীর সমুদ্রবন্দরের চ্যানেল অতিক্রম করে প্রথমবারের মতো একটি জাহাজ ভিড়েছে জেটিতে। নতুন বছরে এসে সরকারের আরও দুই-তিনটি মেগা প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। শতভাগ বিদ্যুতায়ন নিশ্চিতের লক্ষ্যের দিকেও বড় অগ্রগতি হবে এ বছর।

এদিকে, করোনার সংক্রমণে এ বছর দেশ হারিয়েছে বিভিন্ন খাতের যোগ্যতম অনেক সন্তানকে। তাদের মধ্যে যেমন রয়েছেন জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দিন আহমেদ, বিশ্বখ্যাত প্রকৌশলী অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী মূর্তজা বশীর; তেমনি প্রাণ হারিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক দুই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ও সাহারা খাতুন, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠন ও বিএনপির সাবেক মন্ত্রী শাজাহান সিরাজ, সাবেক মন্ত্রী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, ওয়াকার্স পার্টির হায়দার আনোয়ার খান জুনোর মতো প্রথিতযশা রাজনীতিবিদরাও।

এই তালিকায় রয়েছেন করোনার বিরুদ্ধে সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে লড়াই করা ১২৫ জন চিকিৎসক, ৮০ জনেরও বেশি চিকিৎসক। বর্ষীয়ান আইনজীবী  ব্যারিস্টার রফিকুল হক, দীর্ঘ ১২ বছর ধরে অ্যাটর্নি জেনারেল থাকা অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছেন যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুল, পারটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা এম এ হাসেমর, এস আলম গ্রুপের পরিচালক মোরশেদুল আলমের মতো শীর্ষ ব্যবসায়ীরা। রয়েছেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল লোহানী, রাহাত খান, সাংবাদিক নেতা আবদুস শহিদ, সাংবাদিক হুমায়ুন সাদেক চৌধুরী, দৈনিক সময়েরর আলোর নগর সম্পাদক হুমায়ুন কবির খোকন ও মাহমুদুল হাকিম অপু, লেখক মকবুলা মঞ্জুর, রশীদ হায়দার।

খ্রিষ্ট্রীয় নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ স্বাস্থ্যবিধি মেনে নববর্ষ উদযাপনের আহ্বান জানান। নববর্ষ সবার মাঝে প্রাণের নতুন স্পন্দন, নতুন আশা ও নতুন সম্ভাবনা জাগায় উল্লেখ করে তিনি মহামারির ভয়াবহতাকে মোকাবিলা করে নতুন বছরে অমিত সম্ভাবনার পথে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা জানান।

গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী নতুন এই বছরকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণীতেও উঠে এসেছে করোনা মহামারি মোকাবিলার কথা। তিনি বলেন, করোনা মহামারি বিশ্ববাসীকে এক কঠিন বার্তা দিয়েছে। যতই উন্নত হোক না কেন, একা কোনো দেশ শ্রেষ্ঠত্বের দাবি নিয়ে দাঁড়াতে পারবে না। পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমেই যেকোনো বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব। আমাদের সবাইকে এ থেকে শিক্ষা নিতে হবে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর এক যুগসন্ধিক্ষণ ২০২১ সাল। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীও তাই এই বছরটিতে জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

করোনার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়া ২০২০ সালকে ভুলে এখন দৃষ্টি ২০২১ সালকে অর্থবহ করার চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে বাংলাদেশ। এই বছরটিতে সারাবিশ্বের মতোই করোনাভাইরাস মহামারিকে মোকাবিলা করবে বাংলাদেশ। তবে আগেই বলা হয়েছে, জাতির জনকের জন্মশতবার্ষিকীর পাশাপাশি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর এক সন্ধিক্ষণ এই বছরটি। তাই বছরটি বাংলাদেশের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। করোনা মোকাবিলার পাশাপাশি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর এই বছরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত দেশে পরিণত হওয়ার পথে বাংলাদেশ আরও একধাপ এগিয়ে যাবে— প্রত্যাশা এটুকুই। পাঠকদের নববর্ষের শুভেচ্ছা।

সারাবাংলা/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন