বিজ্ঞাপন

‘আনুশকা ধর্ষণের শিকার কিনা তা ফরেনসিক পরীক্ষায় জানা যাবে’

January 8, 2021 | 4:19 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: রাজধানীর ধানমন্ডি মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নুর আমিন (১৭) নিহতের আগে ধর্ষণের শিকার হয়েছে কিনা তা ফরেনসিক প্রতিবেদনের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে মন্তব্য করেছেন ডিএমপি রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার সাজ্জাদুর রহমান।

বিজ্ঞাপন

এ ঘটনার মামলায় গ্রেফতার হওয়া ফারদিন ইফতেখার দিহানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২ টার দিকে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে রমনা জোনের উপ কমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনা নিয়ে অতিরঞ্জিত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে। নিহত স্কুলছাত্রীর বাবা এ ঘটনাকে ধর্ষণ হিসেবে এজাহারে দাবি করেছেন। তবে পুলিশ বলছে তদন্তের পর এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় গ্রেফতার ফারদিন মেয়েটির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন। দুজনের সম্মতিতেই মেলামেশার কথা দাবি করেছে ফারদিন। তবে ওভার ব্লিডিংয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। যাই বলুক সে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘যে যাই বলুক আমরা বলছি, ফরেনসিক প্রতিবেদনের ফলে জানা যাবে ধর্ষণ হয়েছে কিনা। ভ্যাজাইনাল সোয়াবসহ ডিএনএ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া কোনো ক্যামিকেল ব্যবহার হয়েছে কিনা তার জন্য নমুনা নেওয়া হয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

আরেক প্রশ্নের জবাবে রমনা ডিসি বলেন, ‘ডেকে নিয়ে গেছে এইজন্য ধারণা করছি যে, মেয়েটি থাকত সোবহানবাগে, আর ছেলেটি থাকত লেক সার্কাস রোডে। ছেলেটির বাসায় এর আগে যায়নি মেয়েটি। তাছাড়া ছেলের সাথে তার মা ও ভাই থাকত। ভাই নারায়ণগঞ্জের চাকরি করতো, আর মা সকালে বগুড়া যাওয়ার জন্য বের হয়ে গেলে সে মেয়েটিকে বাসায় নিয়ে আসে বলে ধারণা করছি।’

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে মেয়েটিকে গ্রুপ স্টাডির কথা বলে ফোন করে একটি বাসায় ডেকে নেয় চার বন্ধু। দুপুর ১টার দিকে মেয়েটির রক্তক্ষরণ শুরু হলে বন্ধুরাই তাকে প্রথম আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে চিকিৎসকরা মেয়েটির অবস্থা বেগতিক দেখে কৌশলে কলাবাগান থানায় ফোন করে জানায়। পরে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে ওই চার বন্ধুকে আটক করে। এরপর মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দিহানকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন:
আনুশকাকে ধর্ষণ পূর্বপরিকল্পিত— জিজ্ঞাসাবাদে দিহান
মাস্টারমাইন্ডের শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা, ৪ সহপাঠী আটক

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/ইউজে/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন