বিজ্ঞাপন

ধর্ষণের পর হত্যায় দিহানের দোষ স্বীকার, পাঠানো হলো কারাগারে

January 8, 2021 | 4:42 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগের মামলায় গ্রেফতার ইফতেখার দিহান আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে মামলাটির এজাহার আদালতে আসে। এরপর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদ মামলার এজাহার গ্রহণ করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কলাবাগান থানার পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) আ ফ ম আসাদুজ্জামানকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

আনুশকাকে ধর্ষণ পূর্বপরিকল্পিত— জিজ্ঞাসাবাদে দিহান

বিজ্ঞাপন

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য ২৬ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আদালতে কলাবাগান থানার (নারী ও শিশু) সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা স্বপন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান,  এদিন মামলার একমাত্র আসামি ইফতেখার ফারদিন দিহান (১৮) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ৭ জানুয়ারি সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা মা কর্মস্থলের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়ে যান। এর এক ঘণ্টা পরে তার বাবাও ব্যবসায়িক কাজে বাসা থেকে বের হয়ে যান। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ওই শিক্ষার্থী তার মাকে ফোন করে কোচিং থেকে পড়ালেখার পেপার্স আনার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন।

মামলার একমাত্র আসামি ‘ও’ লেভেল পড়ুয়া শিক্ষার্থী দুপুর আনুমানিক ১টা ১৮ মিনিটে ফোন করে দিহান ওই শিক্ষার্থীর মাকে জানান, মেয়েটি তার বাসায় গিয়েছিলেন। হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়ায় তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়েছে। অফিস থেকে বের হয়ে আনুমানিক দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা হাসপাতালে পৌঁছেন। হাসপাতালের কর্মচারীদের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, আসামি তার কলাবাগান ডলফিন গলির বাসায় ডেকে নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেছে। প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে অচেতন হয়ে পড়লে বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য আসামি নিজেই তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে নিয়ে যান।

বিজ্ঞাপন

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে মেয়েটিকে গ্রুপ স্টাডির কথা বলে ফোন করে একটি বাসায় ডেকে নেয় চার বন্ধু। দুপুর ১টার দিকে মেয়েটির রক্তক্ষরণ শুরু হলে বন্ধুরাই তাকে প্রথম আনোয়ার খান মর্ডান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে চিকিৎসকরা মেয়েটির অবস্থা বেগতিক দেখে কৌশলে কলাবাগান থানায় ফোন করে জানায়। পরে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে ওই চার বন্ধুকে আটক করে। এরপর মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দিহানকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

সারাবাংলা/এআই/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন