বিজ্ঞাপন

কমলো চালের আমদানি শুল্ক, বাড়লো পেঁয়াজের

January 8, 2021 | 5:52 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: দেশের বাজারের ঘাটতি মেটাতে চালের আমদানি শুল্ক কমিয়েছে সরকার। অন্যদিকে বাজারে দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকায় আমদানি নিরুৎসাহিত করতে পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক বাড়ানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (কাস্টমস) থেকে জারি করা পৃথক দুই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই শুল্ক পরিবর্তন কার্যকর করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সব ধরনের চালের আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। অন্যদিকে পেঁয়াজ আমদানিতে ৫ শতাংশ রেগুলেটরি ডিউটি আরোপ করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে ১০ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে ব্যবসায়ীদের।

বিজ্ঞাপন

চালের শুল্ক কমানো সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই প্রজ্ঞাপনের আওতায় রেয়াতি হারে চাল আমদানির আগে প্রতি চালানের জন্য খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত ন্যূনতম যুগ্মসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তার কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে। আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এই প্রজ্ঞাপন বলবৎ থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

চালের শুল্ক হ্রাস ও পেঁয়াজে বাড়তি শুল্ক আরোপের এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে পেঁয়াজ আমদানিতে নতুন করে শুল্ক আরোপের জন্য এবং চালের শুল্ক কমানোর জন্য এনবিআরকে চিঠি দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বৃহস্পতিবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

গত কয়েক মাস থেকেই দেশে চালের বাজারে অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। দফায় দফায় বস্তাপ্রতি চালে দাম বেড়েছে দুই থেকে তিনশ টাকা করে। এর মধ্যে আমন চাল বাজারে এলেও দাম কমেনি। মিল মালিকরা দাবি করছেন, মিলগেটে চালের দাম কমেছে। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, মিলগেটেও বস্তাপ্রতি হয়তো দাম কমেছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। স্বাভাবিকভাবেই খুচরা বাজারে এর কোনো প্রভাবই পড়েনি। এ কারণেই সরকার একাধিক দফায় তিন লাখ মেট্রিক টনের বেশি পরিমাণে চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমদানি শুল্কও এবার কমানো হলো।

বিজ্ঞাপন

এদিকে, দেশে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর নাগাদ পেঁয়াজের বাজারে কিছুটা সংকট দেখা দেয়। ওই সময় পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। পরে দেশি নতুন পেঁয়াজ উঠলে বাজার স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। এ পরিস্থিতিতে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত থাকলে দেশীয় পেঁয়াজ চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানি নিরুৎসাহিত করতেই শুল্ক বাড়ানো হয়ে থাকতে পারে।

সারাবাংলা/এসজে/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন