বিজ্ঞাপন

চবি’র প্রধান হিসাব নিয়ামককে মারধরের অভিযোগ

January 12, 2021 | 7:58 pm

চবি করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) হিসাব নিয়ামক দফতরের ভারপ্রাপ্ত প্রধান ফরিদুল আলম চৌধুরীর ওপর দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক আবুল মনসুরকে প্রধান করে চার সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কমিটিতে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য চার দিন সময় দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে অফিসে কর্মরত অবস্থায় এই মারধরের ঘটনা ঘটে। তদন্ত কমিটিতে সদস্য সচিব করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রবিউল হাসান ভূঁইয়াকে। কমিটির বাকি দুই সদস্য হলেন — বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার সৈয়দ ফজলুল করিম ও চবি অফিসার সমিতির সভাপতি রশীদুল হায়দার জাবেদ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, দুপুরে অফিস চলাকালে হঠাৎ করে ৮ থেকে ১০ জন ছাত্র অফিসে প্রবেশ করে ফরিদুল আলমকে টানাহেঁচড়া শুরু করে। চেয়ার থেকে টেনে তুলে দরজার কাছে নিয়ে ধ্বস্তাধস্তি করতে থাকে এবং গালি দিতে থাকে। আমি তখন একটি অফিশিয়াল ফাইল নিয়ে সেখানে যাচ্ছিলাম। সেখানে আসলে তারা কোনো ধরনের কথা না বলেই ফরিদুল আলমকে হেনস্তা করতে থাকে।

বিজ্ঞাপন

ভুক্তভোগী ফরিদুল আলম চৌধুরী সারাবাংলাকে বলেন, দুপুরে নামাজ পড়ে অফিসে বসেছি। তখন আমাকে মারধর করছে। কী কারণে করেছে, জানি না। তারাও কিছু বলেনি। অফিসে ঢুকেই সরাসরি গালিগালাজ করতে থাকে এবং মারধর করতে শুরু করে। তারা কে বা কারা, সেটিও জানি না। তবে তারা সবাই ছাত্র। আমাদের অফিসার সমিতি সভাপতি জাবেদ ভাই না থাকত বড় ধরনের ঘটনা ঘটে যেতে পারত।

এদিকে, এই ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় বঙ্গবন্ধু চত্বরের সামনে মানববন্ধন ও বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার সমিতি। বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার সমিতির সাধরণ সম্পাদক হামিদ হাসান নোমানী বলেন, দুপুর দেড়টায় অফিসে কর্মরত অবস্থায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব নিয়ামক (ভারপ্রাপ্ত) মো. ফরিদুল আলম চৌধুরীর ওপর দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়েছে। এই ন্যাক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে আমরা মানববন্ধন ও ধর্মঘট কর্মসূচির ডাক দিয়েছি।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, তার ওপর অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়েছে। খবর শুনে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে যায়। কাউকে পাওয়া যায়নি। কে বা কারা মারধর করছে, জানা যায়নি। তদন্তের পর জানা যাবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ চার সদস্য তদন্ত কমিটি গঠন করছে। চার দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

সারাবাংলা/সিসি/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন