বিজ্ঞাপন

বদলে যাচ্ছে সাকিবের ব্যাটিং অর্ডার

January 18, 2021 | 6:59 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

বদলে যাচ্ছে সাকিব আল হাসানের বাটিং অর্ডার। আইসিসি’র নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ দিয়ে এক বছর পর আবার ক্রিকেটে ফিরেছেন নন্দিত এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। কিন্তু ফিরেই নিজের পুরোনো সেই অর্ডারে ব্যাটিংয়ে নামতে পারছেননা, যেখানে নেমে বিশ্বকাপের প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই হুঙ্কার ছেড়েছিলেন। আগে তিনে ব্যাটিং করা সাকিবকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ থেকে দেখা যাবে চারে।

বিজ্ঞাপন

আইসিসি ২০১৯ বিশ্বকাপের ঠিক আগে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজে তিনে দেখে গিয়েছিল সাকিবকে। সেই ধারাবাহিকতা ছিল ২০১৯ বিশ্বকাপেও। এবং তিনে সেখানে ব্যাটিং করে ৮ ম্যাচে করেছিলেন ৬০৬ রান। দুই সেঞ্চুরি ও পাঁচ হাফ সেঞ্চুরিতে নিজেকে নিয়ে যান অনন্য এক উচ্চতায়। কিন্তু তবুও ক্যারিবিয়দের বিপক্ষে আসন্ন হোম সিরিজে তাকে চারে নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে টাইগার ম্যানেজমেন্ট।

সোমবার (১৮ জানুয়ারি) সাংবাদিককের সঙ্গে অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে একথা জানালেন হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো।

বিজ্ঞাপন

ডমিঙ্গো

তিনি বলেন, ‘সাকিবকে ফিরে পেয়ে ভালো লাগছে। বিশ্বকাপে সে তিন নম্বরে অসাধারণ পারফরম্যান্স করেছিল। তবে এ মুহূর্তে আমি আমার অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের চার, পাঁচ ও ছয় নম্বরে ব্যাটিংয়ে দেখতে চাই। সেক্ষেত্রে সাকিব, মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহর নামই আসছে। তারা থাকায় ইনিংসের মধ্যভাগে পরিপক্ক ও অভিজ্ঞ খেলোয়াড় পাচ্ছি। আমরা সবাই জানি, উপমহাদেশে ইনিংসের মধ্যভাগ কতটা গুরুত্বপূর্ণ।’

বিজ্ঞাপন

ওয়ানডে ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে চার কিংবা পাঁচ নম্বরে বেশি ব্যাটিং করেছেন সাকিব। শুরুর ১৭০ ইনিংসের মধ্যে তিন নম্বরে নেমেছিলেন মাত্র দুবার। কিন্তু ২০১৮ সালে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ত্রিদেশীয় সিরিজে তাকে তিনে ফেরানো হয়। টানা ১০ ইনিংস তিনে ব্যাটিং করে হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন চারটি। তামিম ইকবালের সঙ্গে গড়েছেন একাধিক বড় জুটিও।

ওই বছরের ডিসেম্বরে তিন ইনিংসে পাঁচ নম্বরে নেমে যেতে হয়েছিল বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানকে। সেখানেও একটি হাফ সেঞ্চুরি করেন। এরপর বিশ্বকাপের ঠিক আগে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজে আবারও তাকে তিনে ফেরানো হয়। সেই ধারাবাহিকতা বজায় ছিল ২০১৯ বিশ্বকাপেও।

বিজ্ঞাপন

অবশ্য তিনে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্তটা ছিল মূলত সাকিবের নিজের। তখন কর্মরত কোচ স্টিভ রোডস শুরুতে এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেননি। এমনকি সতীর্থরাও কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে গিয়েছিলেন। তবে আকুষ্ঠ সমর্থন পেয়েছিলে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্ত্তজার। সাকিবের চওড়া কাঁধে আস্থা রেখেছিলেন ম্যাশ। অধিনায়কের সেই আস্থার প্রতিদান ২২ গজের বিশ্বমঞ্চে বেশ ভালোভাবেই দেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

সারাবাংলা/এমআরএফ/এসএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন