বিজ্ঞাপন

অরুণাচলে চীনা বসতি, নিবিড় পর্যবেক্ষণে ভারত

January 18, 2021 | 11:36 pm

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারত-চীন সীমান্তবর্তী বিতর্কিত অরুণাচল প্রদেশে বড় পরিসরে বসতি তৈরি করেছে চীনের সেনাবাহিনী। খবর এনডিটিভি।

বিজ্ঞাপন

ভারতের শীর্ষ সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবি থেকে দেখা গেছে, সীমান্ত ঘেঁষে সুসজ্জিত গ্রাম। প্রকৃত সীমান্ত রেখার নিয়ম ভঙ্গ করে ভারতের ভেতরে সাড়ে চার কিলোমিটার পর্যন্ত অগ্রসর হয়ে ১০১টি বাড়ি বিশিষ্ট একটি গ্রাম তৈরি করেছে চীনা সেনাবাহিনী।

বিজ্ঞাপন

এ ব্যাপারে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বার্তাসংস্থা এএনআইকে জানানো হয়েছে, চীনের এ ধরনের কর্মকাণ্ড নতুন কিছু নয়। তবে, অরুণাচলের ব্যাপারটি নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন তাদের নজরে এসেছে। মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

হিন্দুস্থান টাইমস জানাচ্ছে, তাসরি চু নদীর তীরে ওই গ্রামটি ২০১৯ সালের আগস্ট থেকে ২০২০ সালের নভেম্বরের মধ্যে তৈরি করা হয়েছে। নয়াদিল্লির একটি স্যাটেলাইটের ছবিতে তা স্পষ্ট হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে, ২০২০ সালের নভেম্বরে অরুণাচলের এক বিজেপি সাংসদ অভিযোগ করেছিলেন, সুবনসিরি জেলায় নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ভারতীয় ভূ-খণ্ডে স্থায়ী কাঠামো বানাচ্ছে বেইজিং।

তবে, এ ব্যাপারে চীনের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞাপন

প্রসঙ্গত, চীনের পক্ষ থেকে অরুণাচলকে দক্ষিণ তিব্বত বা লোয়ার তিব্বত হিসেবে দাবি করে থাকে। এখন অরুণাচল সম্পূর্ণই ভারতের নিয়ন্ত্রণে। স্বাভাবিকভাবে ভারতের তরফ থেকে অরুণাচল নিয়ে কোনো বিতর্কই পাত্তা দেওয়া হয় না।

চীনের মতে, এক সময় দালাই লামারাই লোয়ার তিব্বত শাসন করতেন। যেহেতু তিব্বত এখন চীনের হানদের নিয়ন্ত্রণে, সুতরাং অরুণাচলেরও মালিক তারা।

বিজ্ঞাপন

কিছুদিন আগেও, অরুণাচল প্রদেশকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে চীন। সেই সঙ্গে প্রদেশটি 'দক্ষিণ তিব্বত'- এর অংশ জানিয়ে বিবৃতি দেয় চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লি ঝিয়ান। অরুণাচল নিয়ে চীনের অবস্থান স্পষ্ট করে ঝাও আরও বলেন, চীন কখনোই তথাকথিত অরুণাচল প্রদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি। এলাকাটি চীনের অন্তর্গত দক্ষিণ তিব্বত বলেও জানান তিনি। যদিও, সে সময় চীনের এ দাবিকে ভিত্তিহীন অ্যাখা দেয় নয়াদিল্লি।

সারাবাংলা/একেএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন