বিজ্ঞাপন

নির্বাচনি সংঘাতে মৃত্যু: কাউন্সিলর প্রার্থী কাদের ফের রিমান্ডে

January 19, 2021 | 4:39 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম নগরীতে নির্বাচনি সংঘাতে একজনের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল কাদেরসহ তিন আাসমিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবারও একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিন এ আদেশ দিয়েছেন।

আবদুল কাদেরের সঙ্গে আসামি এম কে কবির হেলাল উদ্দিন ও ইমরান হোসেন ডলারকেও রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক শাহাদাত হোসেন সারাবাংলাকে বলেন, ’আবদুল কাদেরসহ তিন জন আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিলাম। আদালত একদিন মঞ্জুর করেছেন।’

ওই মামলায় পুলিশ ১১ জনকে ও র‌্যাব একজনকে গ্রেফতার করে। র‌্যাবের গ্রেফতার করা দেলোয়ার রশিদকে (৪২) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছেন। ওই আবেদনের ওপর পরে শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন শাহাদাত হোসেন।

বিজ্ঞাপন

গত ১২ জানুয়ারি রাতে নগরীর ডবলমুরিং থানার মগপুকুর পাড় এলাকায় পাঠানটুলি ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাহাদুর ও ‘বিদ্রোহী’ আবদুল কাদেরের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আজগর আলী বাবুল (৫৫) নামে একজন মারা যান।

ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল কাদেরসহ ২৬ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। রাতেই কাদেরকে মূল অভিযুক্ত করে মোট ১৩ জনকে আসামি করে নগরীর ডবলমুরিং থানায় মামলা করেন নিহত আজগর আলী বাবুলের ছেলে সিজান মোহাম্মদ সেতু। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৩০-৪০ জনকে আসামি করা হয়। সিএমপি কমিশনারের নির্দেশে মামলার তদন্তভার নেয় নগর গোয়েন্দা পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

পরদিন আটক ২৬ জনের মধ্যে এজাহারভুক্ত ৬ জন ও সন্ধিগ্ধ হিসেবে ৫ জনসহ মোট ১১ জনকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। ১৮ জানুয়ারি র‌্যাব দেলোয়ার রশিদকে গ্রেফতার করে।

নজরুল ইসলাম বাহাদুর চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য ও পাঠানটুলি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী। বাহাদুর ২০০০ ও ২০০৫ সালে দুই দফায় ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৫ সালে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী আবদুল কাদেরের কাছে তিনি পরাজিত হন। এবার বাহাদুর দলের সমর্থন পেয়েছেন। আবদুল কাদের দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/আরডি/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন