বিজ্ঞাপন

চীনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের চড়ুইভাতি

January 19, 2021 | 8:12 pm

সাব্বির আহম্মেদ, চীন থেকে

ঢাকা: হোক দেশে কিংবা প্রবাসে। শীতকাল এলেই শুরু হয়ে যায় চড়ুইভাতির তোড়জোড়। করোনায় প্রবাস জীবনের কোয়ারেনটাইনের একঘেঁয়েমি কাটাতে আর ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধির লক্ষ্যে চীনের চিয়াংশি প্রদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

চীনের স্থানীয় সময় রোববার (১৭ জানুয়ারি) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে চিয়াংশি প্রদেশের রাজধানী নানচাং শহরের ইয়াওহু বারবিকিউ ইকোলজিকাল গার্ডেনে বনভোজন আয়োজন করা হয়।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালায় ছিল খেলাধুলা, প্রীতিভোজ, আলোচনা সভা, লাকী কূপন ড্র, চা নাস্তা, পুরস্কার বিতরণী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি।

বিজ্ঞাপন

এদিকে, দূর পরবাসে কর্মব্যস্ত জীবনে একটু অবসরের স্বাদ নিতে সকলের অংশগ্রহণে বনভোজন হয়ে উঠে অনেক প্রাণবন্ত। অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল বিভিন্ন বাংলাদেশি খাবারের ব্যাপক আয়োজন।

দিনের শুরুতেই ইয়াওহু লেকের প্রকৃতির সৌন্দর্যে মোড়া বনভোজনের স্পটটি বাংলাদেশি অভিবাসীদের পদচারণায় মুখরিত ছিল। বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, কর্মজীবী ও ব্যবসায়ীরা কেউ একা আবার কেউ দল বেঁধে উপস্থিত হতে থাকেন। প্রবাসীদের উপস্থিতিতে ইয়াওহু লেক যেন এক টুকরো বাংলাদেশে পরিণত হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে, বনভোজন অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন ইমতিয়াজ আহমেদ রুমী ও মো. মাহামুদুর রহমান রোকন এবং সহযোগিতায় ছিলেন আকরাম, শাকিল, তানভীর। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করনে মুহা. ওলিউদ্দিন ও সৈয়দ মোহাম্মদ ফাহিম।

চীনের বুকে প্রবাসে খুশিতে একদিন অনুষ্ঠানে মধুর অনুভূতি তুলে ধরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন আলি সারোয়ার খান, শাওন আহমেদ খান, তমাল বর্মন, ওবায়দুল হক, নাজমুল হাসান, জালাল আহমেদসহ আরো অনেকে।

বিজ্ঞাপন

অনেকেই তাদের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন - বাংলাদেশ থেকে চীনে এসে করোনার ভয়াল চিত্র খুব কাছ থেকে অবলোকন করেছেন।

অপরদিকে, বনভোজনের শেষ পর্ব ছিল পরিচিতি পর্ব ও অনুভূতি প্রকাশ, র‌্যাফেল ড্র, পুরস্কার বিতরণী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেশীয় গান পরিবেশন করেন চীনে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি ছাত্র মো. আবির হোসেন ও মো. রকিনুল ইসলাম নিশান।

বিজ্ঞাপন

অস্তমান সূর্যের রক্তিম আভায় প্রবাসীদের এই মিলনমেলা শুধু মনের খোরাক-ই জোগায় না, দেয় অনাবিল শান্তি আর শক্ত করে বিদেশের মাটিতে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন। এই ধারা বজায় থাকুক, এমন প্রত্যাশা নিয়েই মিলনমেলা শেষ হয়।

সারাবাংলা/একেএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন