বিজ্ঞাপন

সহিংসতায় জড়ালে ছাড় নয়— পাঠানটুলিতে পুলিশের বার্তা

January 20, 2021 | 9:35 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম নগরীর পাঠানটুলি ওয়ার্ডে নির্বাচনি সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়ে প্রচারণা চালিয়েছে পুলিশ। যেকোনো ধরনের সহিংসতায় জড়ালে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকাবাসীকে বার্তা দেওয়া হয়েছে। পাঠানটুলিতে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচনি সংঘাতে একজনের মৃত্যুর এক সপ্তাহ পর পুলিশ এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নগর পুলিশের ডবলমুরিং জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার আবু বক্কর সিদ্দিকের নেতৃত্বে মাইকিং করা হয়েছে। এসময় ডবলমুরিং জোনের সহকারী কমিশনার শ্রীমা চাকমা ও ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীনও ছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, পাঠানটুলি ওয়ার্ডের প্রায় প্রতিটি গলি ও পাড়ায় যান পুলিশ কর্মকর্তারা। মাইকিংয়ের পাশাপাশি তারা এলাকার গণমান্য লোকজনসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আর একটিও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেন না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করা হয়। এছাড়া ওই এলাকায় সন্দেহভাজন যানবাহনেও তল্লাশি করা হয়।

বিজ্ঞাপন

ওসি মোহাম্মদ মহসীন সারাবাংলাকে বলেন, ‘পাঠানটুলি ওয়ার্ডের মোগলটুলি, মগপুকুর পাড়সহ আশপাশের এলাকায় মাইকিং করেছি ও লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। নির্বাচনের পরিবেশ সুন্দর রাখার অনুরোধ করেছি। কেউ যদি বিন্দুমাত্র কোনো সহিংসতা তৈরি করে তিনি যে-ই হোন, ছাড় দেওয়া হবে না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি।’

ডবলমুরিং থানার অধীন প্রতিটি এলাকায় ধারাবাহিকভাবে প্রচারণা চালানো হবে বলে জানিয়েছেন ওসি মহসীন।

বিজ্ঞাপন

গত ১২ জানুয়ারি রাতে নগরীর ডবলমুরিং থানার মগপুকুর পাড় এলাকায় পাঠানটুলি ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাহাদুর ও বিদ্রোহী আবদুল কাদেরের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আজগর আলী বাবুল (৫৫) নামে একজন মারা যান। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল কাদেরসহ ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

নজরুল ইসলাম বাহাদুর চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য এবং পাঠানটুলি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী। বাহাদুর তিন দফায় ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৫ সালে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী আবদুল কাদেরের কাছে তিনি পরাজিত হন। এবার বাহাদুর দলের সমর্থন পেয়েছেন। আবদুল কাদের দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/আরডি/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন