বিজ্ঞাপন

সরকারের সাফল্যে বিএনপি’র মুখে উদভ্রান্তের প্রলাপ: তথ্যমন্ত্রী

January 22, 2021 | 12:37 am

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: সরকারের বিভিন্ন সাফল্যের কারণে বিএনপি নেতারা উদভ্রান্তের মতো প্রলাপ বকছেন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ভারতের উপহার ২০ লাখ ভ্যাকসিন দেশে এসে পৌঁছেছে। আর সরকারের সাফল্যে এখন বিএনপি’র মুখে উদভ্রান্তের প্রলাপ।

বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে বাংলাদেশ সম্পাদক ফোরাম প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান ও প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুরথ কুমার সরকারের উপস্থিতিতে সম্পাদক ফোরামের উপদেষ্টা ইকবাল সোহবান চৌধুরী ও আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম রতন এসময় ফোরামের বক্তব্য তুলে ধরেন।

‘সরকার ভ্যাকসিন নিয়ে রাজনীতি করছে’— বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে করোনার টিকা চলে এসেছে এবং এটি উপহার হিসেবে ভারত সরকার আমাদেরকে দিয়েছে। এজন্য ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। আর এসময় বিএনপির বক্তব্য তাদের যে মানসিকতা তুলে ধরে, তা হলো— অপছন্দের প্রতিবেশীর কোনো ভালোই দেখতে না পারা এবং সবসময় অমঙ্গল কামনা করা।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, বিএনপি আশা করেছিল— দেশ এই করোনা মহামারি সামাল দিতে পারবে না। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে সেটি সামাল দিয়েছেন। বিশ্বব্যাপী তার এই নেতৃত্ব প্রশংসিত হয়েছে। উপমহাদেশে করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা সবার ওপরে, সমগ্র পৃথিবীতে ২০তম। করোনা মহামারির মধ্যে সারাবিশ্বে মাত্র ২২টি দেশে ধ্বনাত্মক জিডিপি গ্রোথ হয়েছে, আর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়।

‘বিএনপি নিজেরা যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন সবকিছুতেই লুটপাটের সঙ্গে যুক্ত ছিল। হাওয়া ভবন গঠন করে যে লুটপাট করেছিল, এজন্য দুর্নীতিতে পরপর চার বার একক চ্যাম্পিয়ন আরেকবার আরেকটি দেশের সঙ্গে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল,’— বলেন ড. হাছান মাহমুদ।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, করোনার ভ্যাকসিন যথাসময়ে প্রধানমন্ত্রী আনতে পেরেছেন। যারা ফ্রন্টলাইন ফাইটার, তাদের প্রথমে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। সেভাবেই সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু বিএনপি এখানে লুটপাট কেন দেখতে পাচ্ছে, সেটি আমি জানি না। যারা সবসময় লুটপাটের কথা চিন্তা করে, তারা হয়তো এভাবে চিন্তা করতে ও বলতে পারে। মূল কথা হচ্ছে— সরকারের এই সাফল্যে তারা উদভ্রান্ত হয়ে গেছে। এই জন্য তাদের মুখে উদভ্রান্তের মতো প্রলাপ।

সম্পাদক ফোরাম এসময় ই-টেন্ডারিংয়ের পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞাপনসহ সব সরকারি বিজ্ঞাপন জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে দু’টি এবং জাতীয় পর্যায়ে ছয়টি বাংলা ও দুইটি ইংরেজি দৈনিকে প্রকাশের ব্যবস্থা, নামসর্বস্ব ও অনিয়মিত পত্রিকায় বিজ্ঞাপন ও ক্রোড়পত্র প্রদান বন্ধ ও তাদের মিডিয়া তালিকাভুক্তি বাতিলের দাবি জানায়। ডিএফপি’র তালিকানুসারে ক্রোড়পত্র প্রদান ও যেসব জাতীয় দৈনিক ঢাকার দুই সংবাদপত্র হকার্স সমিতিতে বিতরণ ও বিক্রির জন্য দেওয়া হয়, সেগুলো ছাড়া অন্য পত্রিকায় সরকারের বিজ্ঞাপন ও ক্রোড়পত্র প্রদান বন্ধ করারও দাবি জানায় তারা।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ সম্পাদক ফোরাম সদস্যদের মধ্যে ফারুক আহমেদ তালুকদার, রিমন মাহফুজ, দুলাল আহমদ চৌধুরী, মফিজুর রহমান খান বাবু, কাজী নাছির উদ্দিন বাবুল, মীর মনিরুজ্জামান, এস এম মাহবুবুর রহমান, নাজমুল আলম তৌফিক, মাহমুদ আনোয়ার হোসেন, মো. আশ্রাফ আলী, নাসিমা খান মন্টি, আহসান উল্লাহ, কে এম বেলায়েত হোসেন, ড. এনায়েত কাসিম, শরিফ শাহাবুদ্দিন এবং আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া সভার আলোচনায় অংশ নেন।

সারাবাংলা/জেআর/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন