বিজ্ঞাপন

অর্থ রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, এটি হতে পারে না: তথ্যমন্ত্রী

January 23, 2021 | 7:19 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘রাজনীতি থাকবে রাজনৈতিক কর্মীদের হাতে। অর্থবিত্ত রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, এটি হতে পারে না। বিত্ত কখনো রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। যখন বিত্ত রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করে, তখন রাজনীতি বিক্রি হয়ে যায়। আমরা আমাদের রাজনীতিটা বিত্তের কাছে বিক্রি করতে পারি না।’

বিজ্ঞাপন

শনিবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সবাই দলের কর্মী, আমাদের মূল ঠিকানা হচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। একজন কর্মী হিসেবে আমরা কেউ নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদ সদস্য হয়েছি, কেউ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, কেউ মেয়র কিংবা কাউন্সিলর ও মেম্বার হয়েছি। কিন্তু আমাদের মূল ঠিকানা হচ্ছে দল। তাই দলের সাংগঠনিক শক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

বিজ্ঞাপন

‘আওয়ামী লীগের পর পর তিনবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার পেছনের মূল কারিগর হচ্ছে সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতা। সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর সাহস এবং ধৈর্য একইসাথে আমাদের সাংগঠনিক শক্তি। কিন্তু পর পর তিনবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকার কারণে আমাদের অনেকের মাঝে আলস্য এসেছে। একইসাথে দলের মধ্যে কিছু সুবিধাভোগী, কিছু সুযোগসন্ধানী নানাভাবে অনুপ্রবেশ করেছে। অনেকে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করছে। এগুলোর ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে’, বলেও আওয়ামী লীগের এ নেতা।

হাছান মাহমুদ আরও বলেন, ‘দলই আমাদের মূল ঠিকানা, দলের কারণে আজ আমরা রাষ্ট্রক্ষমতায়। সুতারাং সবার ওপর দলীয় কর্মকাণ্ডকে গুরুত্ব দিতে হবে। একইসঙ্গে দলের নেতা মনোনয়ন করার সময় তাকেই গুরুত্ব দিতে হবে যিনি দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ, দলের জন্য নিষ্ঠাবান। নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমাদের দলীয় সভানেত্রীর প্রতি আস্থাশীল এবং দুঃসময়ে দলের জন্য কাজ করেছেন এসব বিষয় মাথায় রাখতে হবে। তার অর্থবিত্ত থাক আর না থাক তাকেই দলে আনতে হবে।’

বিজ্ঞাপন

রাঙ্গুনিয়ার ইছাখালীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সিনিয়র সহসভাপতি আবদুল মোনাফ সিকদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম তালুকদারের সঞ্চালনায় বর্ধিত সভায় উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান স্বজন কুমার তালুকদার, পৌরসভার মেয়র মো. শাহজাহান সিকদার, আবুল কাশেম চিশতি, ইদ্রিছ আজগর, নজরুল ইসলাম তালুকদার, আওয়ামী লীগ নেতা জামাল উদ্দিনসহ অনেকে।

সারাবাংলা/আরডি/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন