বিজ্ঞাপন

পি কে হালদারের আরও ২ সহযোগি গ্রেফতার

January 24, 2021 | 8:26 pm

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং বিদেশে অর্থপাচারে জড়িত ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিস লিমিটেডের পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদারের (পি কে হালদার) আরও ২ সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বিজ্ঞাপন

তারা হলেন- পিপলস লিজিংয়ের চেয়ারম্যান উজ্জ্বল কুমার নন্দী ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রাশেদুল হক।

রোববার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ারের নেতৃত্বে একটি টিম তাদের গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে ৭০ কোটি ৮২ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে, পি কে হালদারের আরও দুই সহযোগী সুকুমার মৃধা ও তার মেয়ে অনিন্দিতা মৃধাকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সেদিন দুপুর সোয়া ১টায় অনুসন্ধান কর্মকর্তা কমিশনের উপপরিচালক মো. সালাউদ্দিন তাদের গ্রেফতার করেন। এই সুকুমার মৃধা পি কে হালদারের আয়কর সম্পর্কিত আইনজীবী হিসেবে কাজ করছেন। তার মেয়ে অনিন্দিতা উইন্টেল ইন্টারন্যাশনালের পরিচালক।

সুকুমার মৃধার দখলে প্রায় ২০ কোটি টাকার সম্পদ এবং তার মেয়ে অনিন্দিতার দখলে প্রায় দেড় কোটি টাকার সম্পদ থাকার প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়া গত ১৩ জানুয়ারি পি কে হালদারের দুর্নীতিতে সহযোগিতা করায় তার বান্ধবী অবন্তীকা বড়াল ও ৪ জানুয়ারি ঘনিষ্ঠজন শংখ বেপারীকে গ্রেফতার করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বিজ্ঞাপন

প্রশান্ত কুমার হালদার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকা অবস্থায় বিভিন্ন ব্যক্তিকে ব্যবহার করে ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পাচার করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে হাতিয়েছেন প্রায় দশ হাজার কোটি টাকা।

অপরদিকে, পিকে হালদার ও তার সহযোগি এবং ৩৯ প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা ফ্রিজ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আর এসব টাকা পিকে হালদার ও সহযোগিদের ব্যাংক হিসাবে গচ্ছিত ছিলো। যা দুদক বাংলাদেশ ব্যাংকের বিএফআইইউ এর সহযোগিতায় দুদক এই টাকা ফ্রিজ তথা স্থগিত করতে পেরেছে। পলাতক আসামি প্রশান্ত কুমার হালদারের বিরুদ্ধে শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) রেড নোটিশ জারি করেছে ইন্টারপোল।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসজে/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন