বিজ্ঞাপন

হাইকোর্টের সামনে খুনের রহস্য উন্মোচনের দাবি পুলিশের

January 25, 2021 | 8:25 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: রাজধানীর হাইকোর্টের সামনে সড়কে ছুরিকাঘাতে ক্যাবল নেটওয়ার্ক ব্যবসায়ী হামিদুল ইসলাম (৫৭) নিহতের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আগামীকাল মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে এক ক্ষুদে বার্তায় বলা হয়, ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে হামিদুল ইসলাম হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন ও অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছে ডিবির রমনা বিভাগ।

শাহবাগ থানার একজন পুলিশ পরিদর্শক সারাবাংলাকে বলেন, রহস্য উদঘাটনের বিষয়ে আগেই কিছু বলা যাচ্ছে না। ডিবি পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার করেছে। আগামীকাল ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানাবে। তবে তিনি বলেন, মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে ২৩ জানুয়ারি হাইকোর্টের সামনে ছুরিকাঘাতের পর হামিদুল ইসলামকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন সকালে তার ভাই ওয়াহিদুল ইসলাম ঢামেক হাসপাতালে গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন।

লাশ শনাক্তের পর তিনি বলেন, সেগুনবাগিচা হাইস্কুলের পাশে বসতি ময়ুরী নামের একটি অ্যাপার্টমেন্টে থাকতেন হামিদুল। সেগুন বাগিচা এলাকাতেই ডিস লাইনের ব্যবসা করতেন তিনি। পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (বাংলাদেশ জাসদ) ঢাকা দক্ষিণের সমবায় সম্পাদক ও শাহবাগ থানার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

২৪ জানুয়ারি সকালে শাহবাগ থানার ওসি মামুনুর রশিদ বলেন, ধারণা করা হচ্ছে ছিনতাইকারির ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন তিনি। এই ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

নিহতের ভাই ওয়াহিদুল বলেন, তাদের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার গোয়ালকান্দি কলেজ রোডে। তাদের বাবার নাম মৃত রফিকুল ইসলাম। চার ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় ছিলেন হামিদুল। মেয়ে নায়না ইসলাম (২৪) ও ছেলে নাহিদুল ইসলাম (২১) ও স্ত্রী নার্গিস আক্তারকে নিয়ে সেগুনবাচিগার বাসায় থাকতেন। নব্বই সালের পর থেকে তিনি সেগুনবাগিচা ও এর আশপাশের এলাকাতে ডিসলাইনের ব্যবসা করতেন হামিদুল।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/ইউজে/এএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন