বিজ্ঞাপন

‘বঙ্গবন্ধু কখনও ইসলামকে রাজনৈতিক উদ্দেশে ব্যবহার করেননি’

February 3, 2021 | 6:20 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেমন স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, তেমনি তিনি বাংলাদেশে ইসলামের প্রচার ও প্রসারেরও স্থপতি। কিন্তু তিনি কখনও ইসলামকে রাজনৈতিক উদ্দেশে ব্যবহার করেননি। কারণ তিনি বাংলাদেশকে সকল ধর্মের মানুষের জন্য শান্তির দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ ময়দানে এক আলোচনা সভায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্ম এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় তার অবদান’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ছিলেন উদার চেতনার অধিকারী একজন খাঁটি ঈমানদার মুসলমান। স্বল্প সময়ের শাসনামলে তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণে অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং ভৌত অবকাঠামোগত পদক্ষেপ যেমন নিয়েছিলেন, তেমনি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশের মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি ও মূল্যবোধ বিবেচনায় রেখে ইসলামের প্রচার ও প্রসারে উদ্যোগ নিয়েছিলেন।’

বিজ্ঞাপন

‘পাকিস্তান আমলে হজযাত্রীদের জন্য কোনো সরকারি অনুদান ছিল না। বঙ্গবন্ধুই স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে প্রথম হজযাত্রীদের জন্য সরকারি তহবিল থেকে অনুদানের ব্যবস্থা করেন এবং হজ ভ্রমণে কর নেওয়া বন্ধ করেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যারা ক্ষমতায় ছিলেন, তারা কথায় কথায় নিজেদের ইসলামের সেবক দাবি করলেও তাদের আমলে সরকারি অনুদান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।’

ইসলামের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১০ হাজার কেটি টাকা ব্যয়ে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করেছেন। করোনাকালে মসজিদের ইমাম ও মোয়াজ্জিনদের জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। কওমি মাদরাসাকে স্বীকিতি দিয়েছে সরকার।’

বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মুসলিমদের জঙ্গিবাদের অপবাদ থেকে মুক্তি দিয়েছেন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার বাংলাদেশের মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের যথাযোগ্য মর্যাদায় আসীন করেছেন। ইসলাম ধর্মের প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের জন্য মুসলিম সম্প্রদায়কে উৎসাহিত করার কৃতিত্ব সম্পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর। তিনিই দেশে ধর্মীয় উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করেছেন।’

চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার এ বিএম আজাদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় সংসদ সদস্য আবু রেজা মোহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নুরুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব আব্দুল হামিদ জমাদ্দার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ফারুক আহমেদ, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মফিজুর রহমান বক্তব্য দেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/আরডি/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন