বিজ্ঞাপন

২০৩০ সালের মধ্যে দেশের চেহারা পাল্টে যাবে: নৌ প্রতিমন্ত্রী

February 13, 2021 | 4:14 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, অতীতের সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়ন ভাবনা এবং প্রকল্পে লুটপাটের কারণে আমরা ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছিলাম। এখন প্রতিটি প্রকল্প স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হওয়ায় উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

শনিবার ( ১৩ ফেব্রুয়ারি) সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার কোনাগ্রাম সীমান্তে শেওলা স্থলবন্দর উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন শেষে এ সব কথা বলেন।

নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে পুরো দেশের চেহারা পাল্টে যাবে।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষের চাওয়া আমরা পূরণ করতে পেরেছি। মানুষ কি চায়, তা জানার জন্য আমরা ঘরে-ঘরে যাচ্ছি। গ্রামীণ উন্নয়নে প্রতিনিয়ত নতুন প্রকল্প গ্রহণ করছি।’

নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রাজনীতি, উন্নয়ন, গণতন্ত্র একসঙ্গে চালাতে হবে। যা চালকের আসনে থেকে পরিচালিত করছেন শেখ হাসিনা। সকল পর্যায় থেকে দুর্নীতি দূর করতে তিনি কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। তার যোগ্য নেতৃত্বে করোনাকালীন এই কঠিন সময়েও বাংলাদেশের অর্থনীতি মজবুদ অবস্থানে রয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

এর আগে, শেওলা স্থল বন্দর উদ্বোধন করেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী। আমদানি-রফতানি কার্যক্রমকে সহজতর করার লক্ষ্যে ২০১৫ সালের ৩০ জুন শেওলা শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়। বিশ্বব্যাংক ও সরকারের যৌথ অর্থায়নে বাংলাদেশ রিজিওনাল কানেক্টিভিটি প্রজেক্ট-১ এর আওতায় শেওলা স্থলবন্দরের উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘কাগজে তালিকায় পড়ে থাকা এই বন্দর আধুনিকায়নের মাধ্যমে পুরো এলাকাকে বিনিয়োগবান্ধব জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রক্রিয়া শুরু হবে।’

বিজ্ঞাপন

উল্লেখ্য, ১২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে শেওলা স্থলবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়া হচ্ছে। নৌ পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশ রিজিওনাল কানেকটিভিটি প্রজেক্ট-১ এর আওতায় বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী ২ বছরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হতে পারে।

বর্তমানে এ শুল্ক স্টেশনের মাধ্যমে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম চালু রয়েছে। এ বন্দর দিয়ে গবাদিপশু, মাছের পোনা, তাজা ফলমূল, গাছগাছরা, বীজ, গম, পাথর, কয়লা, রাসায়নিক সার, চায়না ক্লে, কাঠ, টিম্বার, চুনাপাথর, পির্ঁয়াজ, মরিচ, রসুন, আদা ইত্যাদি আমদানি এবং সকল পণ্য রফতানি হয়ে থাকে।

বিজ্ঞাপন

ঢাকা থেকে এ বন্দরের দূরত্ব প্রায় ২৮৬ কিলোমিটার। সড়কপথে ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য স্থানের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল রয়েছে। এ বন্দরের বিপরিতে রয়েছে আসামের করিমগঞ্জের সুতারকান্দি স্থলবন্দর।

সারাবাংলা/জেআর/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন