বিজ্ঞাপন

দেশবাসীর হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন শামসুজ্জামান: প্রধানমন্ত্রী

February 20, 2021 | 11:47 am

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

দেশবরেণ্য ও জনপ্রিয় অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান তার অসাধারণ অভিনয়ের মধ্য দিয়ে দেশবাসীর হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে একুশে পদক প্রাপ্ত এ অভিনেতার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

এছাড়াও মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দেশের জনপ্রিয় এই অভিনেতার মৃত্যুতে এক শোক বার্তায় এসব মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে, শনিবার সকাল নয়টার দিকে ঢাকার সূত্রাপুরে নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন এটিএম শামসুজ্জামান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তার মেয়ে কোয়েল আহমেদ সারাবাংলাকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞাপন

মৃত্যুর সময় নিশ্চিত করতে পারেননি কোয়েল আহমেদ। তিনি জানান, এই অভিনেতাকে শুক্রবার বিকেলে হাসপাতাল থেকে বাসায় আনা হয়।

এটিএম শামসুজ্জামানের ১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুরে নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। গ্রামের বাড়ি লক্ষীপুর জেলার ভোলাকোটের বড় বাড়ি। ঢাকায় থাকতেন দেবেন্দ্রনাথ দাস লেনে। পড়াশোনা করেছেন ঢাকার পগোজ স্কুল, কলেজিয়েট স্কুল, রাজশাহীর লোকনাথ হাই স্কুলে।

বিজ্ঞাপন

অভিনেতা, পরিচালক, কাহিনীকার, চিত্রনাট্যকার, সংলাপকার ও গল্পকার এটিএম শামসুজ্জামান অভিনয়ের জন্য আজীবন সম্মাননাসহ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন ছয় বার। ৪২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের সময় তিনি আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হন। শিল্পকলায় অবদানের জন্য ২০১৫ সালে তিনি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত হন।

১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর বিষকন্যা চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে শামসুজ্জামানের চলচ্চিত্রে আগমন। প্রথম কাহিনী ও চিত্রনাট্য লিখেছেন জলছবি চলচ্চিত্রের জন্য। ছবির পরিচালক ছিলেন নারায়ণ ঘোষ মিতা। এ ছবির মাধ্যমেই অভিনেতা ফারুকের চলচ্চিত্রে অভিষেক। এ পর্যন্ত শতাধিক চিত্রনাট্য ও কাহিনী লিখেছেন। প্রথম দিকে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন তিনি। অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র পর্দায় আগমন ১৯৬৫ সালের দিকে। ১৯৭৬ সালে চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের নয়নমণি চলচ্চিত্রে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আলোচনা আসেন তিনি। ১৯৮৭ সালে কাজী হায়াত পরিচালিত ‘দায়ী কে?’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। তিনি রেদওয়ান রনি পরিচালিত চোরাবালিতে অভিনয় করেন ও শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব-চরিত্রে অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন