বিজ্ঞাপন

‘আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত, আমাদের লক্ষ্য আর্থসামাজিক উন্নতি’

February 23, 2021 | 1:39 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আমরা দেশ পরিচালনা করে যাচ্ছি। তাই আমাদের লক্ষ্য আর্থসামাজিক উন্নতি করা।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ১১ ও ২১ স্কোয়াড্রনকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। যশোরের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান বিমান ঘাঁটিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত করে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে হবে। বাংলাদেশের অবস্থা যেন আরও দৃঢ় হয় আমরা সেই লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করে উন্নয়নশীল দেশে উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ পেয়েছি। বাংলাদেশ এভাবে এগিয়ে যাবে।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাস যদিও বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিকভাবে স্থবির করে দিয়েছে। তারপরেও আমরা আমাদের সীমিত শক্তি নিয়ে অর্থনীতির গতিকে সচল রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমরা বিভিন্ন প্রণোদনা দিয়ে আমাদের অর্থনীতির চাকাকে সচল রেখেছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি দেশকে এগিয়ে নিতে। ইতোমধ্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করেছি। পাশাপাশি আমরা অবকাঠামো উন্নয়নে বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। বাংলাদেশ একটি বদ্বীপ। এই বদ্বীপের মানুষের উপযুক্ত বসবাসের জন্য আমরা ব্যাপক পরিকল্পনা নিয়েছি।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘২০৫১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার জন্য আমরা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করে দিয়েছি। তারই ভিত্তিতে বর্তমানে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছি। পর্যায়ক্রমে প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মাধ্যমে অবকাঠামোর উন্নয়ন করে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিমানবাহিনী তার মূল কার্যক্রমের পাশাপাশি সব সময় জাতি গঠনের কাজে নিজেদের নিয়োজিত রাখে। বর্তমানে করোনাভাইরাস সারাবিশ্বকে স্থবির করে দিয়েছে। সেই সময়ে বিমানবাহিনী যথেষ্ট দায়িত্ব পালন করেছে। করোনাভাইরাসজনিত সৃষ্ট পরিবেশে বিমানবাহিনী হেলিকপ্টার যোগে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে করোনা আক্রান্ত অনেক রোগীকে ঢাকায় নিয়ে এসেছেন। পাশাপাশি তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন, অনেকের জীবন রক্ষা করেছেন।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘বিমানবাহিনীর এই কার্যক্রম বর্তমানেও কিন্তু অব্যাহত রয়েছে। তারা পরিবহন ব্মিানের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ থেকে স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী ও যাত্রী পরিবহনের ব্যবস্থা করেছে। করোনা পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ হয়ে গেলে বিভিন্ন দেশে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে চার্টার্ড ফ্লাইট পরিচালনা করেছে বিমানবাহিনী।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘লেবাননের সংগঠিত ভয়াবহ বিস্ফোরণের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতেও পরিবহন বিভাগ থেকে মানবিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এবং ওখানে অনেক বাংলাদেশের লোককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। অন্যান্য দেশে যখন কোনো দুর্যোগ দেখা দিয়েছে, আমরা যখন সেখানে রিলিফ সামগ্রী পাঠিয়েছি বা চিকিৎসার জন্য ডাক্তার পাঠিয়েছি বিমানবাহিনী সেক্ষেত্রেও ভূমিকা রেখেছে।’

বিজ্ঞাপন

এ সময় বিমানবাহিনী জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষায় আরও বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সারাবাংলা/এনআর/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন