বিজ্ঞাপন

১৩ মার্চ থেকে খুলছে না ঢাবি’র হল, পরীক্ষাও হবে না

February 23, 2021 | 1:52 pm

ঢাবি করেসপন্ডেন্ট

আগামী ১৩ মার্চ হল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি মার্চ মাস থেকে স্নাতক শেষবর্ষ ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত থেকেও সরে এসেছে কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিকে হল খুলে দেওয়ার দাবিতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া শিক্ষার্থীরা বলছেন, বেধে দেওয়া সময়ের মধ্যে হল খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত না এলে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তারা।

অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভা শেষে দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের হলে তোলার প্রস্তুতির জন্য দুই সপ্তাহ সময় দরকার। সে জন্য অনুষদ ও বিভাগ সমন্বয় করে ১৭ মের দুই সপ্তাহ পর থেকে কার্যক্রম শুরু হবে। ১৩ মার্চকে কেন্দ্র করে যে পরীক্ষাগুলোর ঘোষণা ছিল, সেগুলো হবে না। এগুলো স্থগিত করা হলো।

বিজ্ঞাপন

এদিকে গতকাল দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো খুলে দেওয়ার দাবিতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষার্থী। এই দাবি আদায়ে ৭২ ঘণ্টা সময়ও বেঁধে দেন শিক্ষার্থীরা। পরে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান শেষে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা জানান, তারা অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের (আজকে অনুষ্ঠিত) সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করবেন।

আজ অনুষ্ঠিত সভা থেকে সিদ্ধান্ত আসার পর হল খোলার বিষয়ে তাদের বর্তমান অবস্থান জানতে চাইলে আন্দোলনকারীদের মুখপাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জুনায়েদ হোসেন খান সারাবাংলাকে বলেন, `আল্টিমেটাম চলবে। ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করবো আমরা। এরপরে পরবর্তী কর্মসূচি জানাবো। হল খুলে দিতেই হবে। নইলে আন্দোলন চলবে।`

বিজ্ঞাপন

তবে স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে গৃহীত উদ্যোগ মেনে নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম তুলে নেবেন বলে আশা করছেন উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামান। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা সবসময় যৌক্তিক অবস্থানে থাকে। নিয়ম শৃঙ্খলা অনুসরণ করে। যখন তাদেরকে সুরক্ষা দেওয়ার মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তাদের সুরক্ষা দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে। তাদের মূল্যবোধ ও আইনশৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধাবোধের ঘাটতি নেই। এ বিষয়টি তারা বিবেচনা করবেন। পিছিয়ে যাওয়া সময় পুষিয়ে দেওয়ার প্রায়াস আমাদের থাকবে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন