বিজ্ঞাপন

সৌদি বাদশাহর সঙ্গে বাইডেনের ফোনালাপ

February 26, 2021 | 4:56 pm

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সৌদি আরবের বাদশা সালমান বিন আবদুল আজিজের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ফোনালাপে বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বাইডেন তার প্রশাসনের দৃঢ় অবস্থানের বিষয়টি তুলে ধরেছেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ।

বিজ্ঞাপন

২০১৮ সালে ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) প্রতিবেদন পড়ার পর সৌদি বাদশাকে বাইডেন ফোন করেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।

প্রকাশিতব্য ওই প্রতিবেদনে খাসোগি হত্যায় সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে দায়ী করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন - খাসোগি হত্যাকাণ্ড: অভিযুক্ত হতে পারেন সৌদি যুবরাজ

ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার স্বার্থে এতোদিন ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করেননি। নতুন প্রেসিডেন্ট খাসোগি হত্যাকাণ্ড নিয়ে রিয়াদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে পারেন বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

বিজ্ঞাপন

যদিও, সৌদি যুবরাজ আগেই কয়েকবার ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এ ব্যাপারে সৌদি আরবের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, খাসোগিকে দেশে ফিরিয়ে আনতে যাদের পাঠানো হয়েছিল, তাদের 'বাড়াবাড়ির' কারণেই ভিন্নমতাবলম্বী ওই সাংবাদিকের মৃত্যু হয়। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয় সৌদি আরবের একটি আদালত। ২০২০ সালে ওই সাজা ২০ বছরের কারাদণ্ডে নামিয়ে আনা হয়।

বিজ্ঞাপন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনে সাংবাদিক হত্যায় সৌদি যুবরাজের সংশ্লিষ্টতার কথা উল্লেখ থাকবে।

তবে, ফোনালাপে সুনির্দিষ্টভাবে খাসোগি হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গটি ছিল কি না, হোয়াইট হাউজের বিবৃতিতে সে ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি।

বিজ্ঞাপন

প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, সম্প্রতি রিয়াদ বেশ কয়েকজন সৌদি-মার্কিন অ্যাক্টিভিস্টকে মুক্তি ও লুজান আল-হাথলুলকে নিরাপত্তা হেফাজত থেকে ছেড়ে দেওয়ায় বাইডেন ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। তিন বছর আটক থাকার পর নারী অধিকারকর্মী লুজানকে চলতি মাসে ছেড়ে দেওয়া হলেও তার ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথাও বলতে পারবেন না।

দুই নেতা যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্ব এবং সৌদি আরবের জন্য হুমকি হয়ে থাকা ইরানপন্থি বিভিন্ন গোষ্ঠী প্রসঙ্গেও কথা বলেছেন। প্রেসিডেন্ট বাদশা সালমানকে বলেছেন, তিনি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ় এবং স্বচ্ছ করার জন্য কাজ করবেন, বিবৃতিতে বলেছে হোয়াইট হাউজ।

সারাবাংলা/একেএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন