বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

March 9, 2021 | 9:47 am

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এই খাতে বিনিয়োগ করলে ১০ গুণ ভালো সেবা পাওয়া যায়। করোনায় পৃথিবীর ১২ ট্রিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়ছে এখন পর্যন্ত। বাংলাদেশের ১২ থেকে ৩০ লাখ ডলার ক্ষতি হয়েছে। তবে বাংলাদেশের মতো বিশ্বের যেসব দেশ করোনাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে তাদের অর্থনীতি এখনও ভালো অবস্থানে রয়েছে। যারা করোনাকে অবহেলা করেছে তাদের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার লোকসান গুণতে হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (৮ মার্চ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ‘করোনার এক বছরে বাংলাদেশ: সফলতা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএইচআরএফ) আয়োজনে ও বিএসএমএমইউ’র সহযোগিতায় এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভা অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিএইচআরএফের সভাপতি তৌফিক মারুফ ও সভাপতিত্ব করেন বিএইচআরএসের সহ-সভাপতি জান্নাতুল বাকিয়া কেকা।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানের শুরুতে নারী দিবস উপলক্ষে বিএইচআরএফের নারী সদস্যদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মিডিয়া সেলের প্রধান অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমাদের এখানে স্বাস্থ্যখাতে এখনও অনেক বৈষম্য আছে। উন্নত দেশে গড়ে প্রায় তিন হাজার ক্যাপিটা ব্যয় করে স্বাস্থ্যের জন্য। আমাদের অনুন্নত দেশে তা এখনো ১০০ ডলারের নিচে। তারপরেও আমরা অনেক দেশ থেকে ভালো করেছি। আমাদেরকে সেজন্য স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ করতে হবে। যদি আমরা স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ না করি, লোক না বাড়াই, যন্ত্রপাতি আমরা বেশি করে ব্যবস্থা না করি, হাসপাতাল ব্যবস্থা না করি ও জনবল না বাড়াই তবে কিন্তু এই করোনা আমাদের শিখিয়ে দিয়ে গেলো কী হয়। কাজেই আমাদের সামনে এই দিকে নজর দিতে হবে।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে যেকোনো প্যানডেমিক বা অন্যান্য বিষয়ে সময়মতো ব্যবস্থা নিতে হবে, দেরি করলে চলবে না। আমাদের গবেষণার ওপরে জোর দিতে হবে। বাংলাদেশ এই ক্ষেত্রে পিছিয়ে আছে। এক্ষেত্রে অবশ্য মাল্টিসেক্টরিয়াল অ্যাপ্রোচ বাড়াতে হবে। একা একটা খাত সবকিছু পারে না। মাল্টি সেক্টর অ্যাপ্রোচ নিয়ে যে কোনো বিষয়ে সবাই মিলে কাজ করলে তা কার্যকর হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভ্যাকসিনের জন্য মে-জুন মাসে লেখালেখি শুরু করি। যেসব প্রতিষ্ঠান ভ্যাকসিন তৈরি করে সবখানে চিঠি পাঠিয়েছি। আমরা রাত-দিন ভিডিও কনফারেন্স করেছি, যেন ভ্যাকসিন সঠিক সময়ে পাই। আমরা সবকিছু প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছি। আমরা ভ্যাকসিনের জন্য অগ্রিম টাকা দিয়েছি। আর এসব কারণে অন্য অনেক দেশের আগেই ভ্যাকসিন পেয়ে গেছি।’

বিজ্ঞাপন

আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন- সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আফম রুহুল হক, বিএসএমএমইউর সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম, পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুলফিকার আহমেদ আমিন, স্বাচিপ সভাপতি ডা. এম ইকবাল আর্সলান, বিএমএ মহাসচিব ডা. এহতেসামুল হক, ডা. মোহাম্মদ শহিদুলাহসহ অন্যরা।

সারাবাংলা/এসবি/এমও

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন