বিজ্ঞাপন

‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরেও প্রণোদনা পায়নি স্বাস্থ্যকর্মীরা’

March 9, 2021 | 9:58 am

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরেও স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রণোদনা পায়নি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) মহাসচিব ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী। একইসঙ্গে করোনাকালে স্বাস্থ্য বিভাগ সঠিক তথ্য সরবরাহে ব্যর্থ হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (৮ মার্চ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ‘করোনার এক বছরে বাংলাদেশ : সফলতা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী। হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএইচআরএফ) আয়োজনে ও বিএসএমএমইউ’র সহযোগিতায় এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আলোচনা সভা অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিএইচআরএফের সভাপতি তৌফিক মারুফ ও এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএইচআরএসের সহ-সভাপতি জান্নাতুল বাকিয়া কেকা। সভার শুরুতেই মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মিডিয়া সেলের প্রধান অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী বলেন, প্রণোদনার বিষয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের কোনো দাবি ছিল না। প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসক-নার্সসহ সকল স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রণোদনার ঘোষণা দেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পরেও এখন পর্যন্ত মাত্র একজন চিকিৎসক ছাড়া প্রণোদনা পায়নি স্বাস্থ্যকর্মীরা।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন দ্রুততম সময়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রণোদনা দিয়ে দিতে। কিন্তু আপনারা এখনও সেটা দেননি। আপনারা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অমান্য করেছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে সব রেডি, শিগগিরই দিয়ে দেওয়া হবে, অর্থ বিভাগ বলছে সব কাগজপত্র রেডি, কিন্তু কেন এখনও দেওয়া হচ্ছে আমরা বুঝতে পারছি না।

বিজ্ঞাপন

মহামারি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, করোনাকালীন সময়ে স্বাস্থ্য বিভাগ সঠিক তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছি। ফলে জনগণের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে। এছাড়াও করোনা মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মসূচিগুলোতে জনগণকে ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা হয়নি। বরং স্বাস্থ্যকর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের পাশ কাটিয়ে আমলাতান্ত্রিক কমিটি গঠন করে দিয়েছে। ফলে তাদের কোনো বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞান না থাকায় উল্টো নানা রকম ঝামেলা তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, করোনার শুরুতে আমাদের কিছু ব্যর্থতা থাকলেও শেষের দিকে আমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছি এবং ভ্যাকসিন কার্যক্রমে শতভাগ সফল হয়েছি। যেখানে বিশ্বের অধিকাংশ দেশই এখনও ভ্যাকসিন পায়নি। এর সকল কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার। তার সঠিক নেতৃত্বে ও যোগ উপযোগী সিদ্ধান্তের ফলেই আমরা বিশাল এই কর্মসূচি সফলতার সঙ্গে পরিচালনা করে যাচ্ছি।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানের শুরুতে নারী দিবস উপলক্ষে বিএইচআরএফের নারী সদস্যদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন— সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আফম রুহুল হক, বিএসএমএমইউর সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম, পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুলফিকার আহমেদ আমিন, স্বাচিপ সভাপতি ডা. এম ইকবাল আর্সলান, বিএমএ মহাসচিব ডা. এহতেসামুল হক, ডা. মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ’সহ অন্যান্যরা।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসবি/এনএস

সারাবাংলা/এসবি/এনএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন