বিজ্ঞাপন

রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের নারীশিক্ষা আন্দোলন

March 19, 2021 | 7:13 pm

আঞ্জুমান রোজী

রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল নারীর সার্বিক মুক্তি এবং সমতা অর্জন। এই লক্ষ্যে তিনি কাজ করেছেন মূলত নারী শিক্ষার প্রসার ও অবরোধ প্রথা বিলোপকে সামনে রেখে। ইউরোপ আমেরিকার নারীবাদী আন্দোলনের প্রথম তরঙ্গ ছিল মুখ্যত দার্শনিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার মধ্যে সীমাবদ্ধ। কিন্তু রোকেয়ার দর্শন ছিল সৃজনশীল ও বুদ্ধিভিত্তিক চর্চার পাশাপাশি তার বাস্তব অনুশীলন, যা তিনি করেছেন সাংগঠনিক কার্যক্রমের মধ্যে দিয়ে। ভারতীয় উপমহাদেশের পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনায় এ আন্দোলনকে দ্বিতীয় পর্যায়ে ফেলা যায়। সতীদাহ প্রথা বাতিল ও বিধবা বিবাহ চালুর আন্দোলন হচ্ছে প্রথম পর্যায়— রোকেয়ার স্ব-সম্প্রদায় যাদের নিয়ে তিনি কাজ করেছেন—সেই মুসলিম সমাজের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি ছিলেন পথিকৃৎ।

বিজ্ঞাপন

রোকেয়া শিক্ষাকেই নারীমুক্তির প্রথম ও প্রধান অবলম্বন হিসেবে আঁকড়ে ধরেছিলেন এবং এর জন্য প্রাণপাত করেছেন। প্রথমে লেখনী এবং একই সাথে প্রতিষ্ঠা করেছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন। তিনি বলেছেন, ‘শিক্ষা বিস্তারই এসব অনাচার নিবারণের একমাত্র উপায়। শিক্ষা দর্শন হচ্ছে কী শেখাব এবং যা শেখাব তা কেন শেখাব? এ বিষয়ে একটা সুসংহত রূপ হচ্ছে শিক্ষা দর্শন। রোকেয়ার শিক্ষা দর্শন তার বিভিন্ন প্রবন্ধে- গল্পে- উপন্যাসে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। তিনি পরিবারে পুত্র ও কন্যার শিক্ষা অর্জনে সমান অধিকারের কথা যেমন বলেছেন তেমনি বলেছেন, ‘প্রকৃত সুশিক্ষা চাই, যাহাতে মস্তিষ্ক ও মন উন্নত হয়’। আর প্রকৃত শিক্ষা তার মতে, কোনো সম্প্রদায় বা জাতি বিশেষের অন্ধ অনুকরণ নয়, মানুষের মধ্যে সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত স্বাভাবিক জ্ঞান বা ক্ষমতা অনুশীলন বা ব্যবহারের মাধ্যমে এই ক্ষমতা বাড়ানো যায়। শিক্ষার উদ্দেশ্য ব্যক্তিত্বের বিকাশের উপায়। রোকেয়ার কাছে ‘মস্তিষ্ক ও মন উন্নত করতে পারাটাই হচ্ছে শিক্ষিত জনের মূল্যায়নের মাপকাঠি’।

যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত বঙ্গের মহিলা কবি গ্রন্থে রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন সম্পর্কে লিখেছেন, ‘বঙ্গের মহিলা কবিদের মধ্যে মিসেস আর এস হোসেনের নাম স্মরণীয়। বাংলাদেশের মুসলমান-নারী-প্রগতির ইতিহাস-লেখক এই নামটিকে কখনো ভুলিতে পারিবেন না। রোকেয়ার জ্ঞানপিপাসা ছিল অসীম। গভীর রাত্রিতে সকলে ঘুমাইলে চুপি চুপি বিছানা ছাড়িয়া বালিকা মোমবাতির আলোকে জ্যেষ্ঠ ভ্রাতার কাছে ইংরাজী ও বাংলায় পাঠ গ্রহণ করিতেন। পদে পদে গঞ্জনা সহিয়াও এভাবে দিনের পর দিন তাহার শিক্ষার দ্রুত উন্নতি হইতে লাগিল। কতখানি আগ্রহ ও একাগ্রতা থাকিলে মানুষ শিক্ষার জন্য এরূপ কঠোর সাধনা করিতে পারে তাহা ভাবিবার বিষয়’।

বিজ্ঞাপন

তীব্র জ্ঞানপিপাসাই রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনকে স্বশিক্ষিত করে তোলে। যেহেতু তৎকালীন সমাজে নারী শিক্ষা ছিল নিষিদ্ধ, বিশেষ করে মুসলিম নারীদের জন্য পুরোপুরি ছিল নিষিদ্ধ, সেহেতু রোকেয়াকে গোপনে রাতের আঁধারে বড় ভাই মোহাম্মদ ইব্রাহীম আবুল আসাদ সাবেরের কাছে শিক্ষানবিশ হতে হয়। পাঁচ বছর বয়সে মায়ের সঙ্গে কলকাতায় বসবাস করার সময় একজন মেম শিক্ষয়িত্রীর নিকট তিনি কিছুদিন লেখাপড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু সমাজ ও আত্মীয়স্বজনদের ভ্রুকুটির জন্য তাও বন্ধ করে দিতে হয়। তবু রোকেয়া দমে যাননি। বড় ভাই-বোনদের সমর্থন ও সহায়তায় তিনি বাংলা, ইংরেজি, উর্দু, ফার্সি এবং আরবি আয়ত্ত করেন।

স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে রোকেয়া নারীশিক্ষার গুরুত্ব উপলব্ধি করেছিলেন। কিন্তু নারীশিক্ষার কার্যক্রমে জড়িয়ে যাওয়ার পর তিনি অনেক সামাজিক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হন। ‘বঙ্গীয় নারী-শিক্ষা সমিতি’তে সভানেত্রীর এক অভিভাষণে রোকেয়া তৎকালীন শিক্ষা ব্যবস্থার উপর আলোকপাত করতে গিয়ে তখনকার অভিভাবকদের মানসিকতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘এখনও আমার সম্মুখে আমাদের স্কুলের কয়েকটি ছাত্রীর অভিভাবকের পত্র মজুত আছে, যাহাতে তাহারা লিখিয়াছেন যে, তাহাদের মেয়েদের যেন সামান্য উর্দু ও কোরান শরীফ পাঠ ছাড়া আর কিছু- বিশেষত ইংরেজি শিক্ষা না দেওয়া হয়। এই তো আমাদের সামাজিক অবস্থা’! তিনি সভায় আরও বলেন, ‘স্ত্রীশিক্ষার বিরোধীগণ মনে করেন, শিক্ষা পাইলে স্ত্রীলোকের অশিষ্ট হয় ও অনম্য হয়। ধিক! যদি শিক্ষা পাইয়া পুরুষগণ বিপথগামী না হয়, তবে স্ত্রীলোকেরা কেন বিপথগামী হইবে? এমন জাতি, যাহারা নিজেদের অর্ধেক লোককে মূর্খতা ও পর্দা রূপ কারাগারে আবদ্ধ রাখে, তাহারা অন্যান্য জাতির, অর্থাৎ যাহারা সমানে সমানে স্ত্রীশিক্ষার প্রচলন করিয়াছে, তাহাদের সহিত জীবন-সংগ্রামে কিরূপে প্রতিযোগিতা করিবে’? এই ভাষণে রোকেয়া নারীশিক্ষা নিয়ে দৃঢ় মতামত ব্যক্ত করেন।

বিজ্ঞাপন

বঙ্গীয় নারী সমিতির ভাষণে রোকেয়া নারীশিক্ষার জন্য আহ্বান করে আরও বলেন, ‘মুসলমানদের যাবতীয় দৈন্য-দুর্দশার একমাত্র কারণ স্ত্রীশিক্ষায় ঔদাস্য। ভ্রাতৃগণ মনে করেন, তাহারা গোটাকতক আলীগড় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলিকাতা ইসলামিয়া কলেজে ভর করিয়াই পুলসিরাত (পারলৌকিক সেতু বিশেষ) পার হইবেন; আর পার হইবার সময় স্ত্রী ও কন্যাকে হ্যান্ডব্যাগে পুরিয়া লইয়া যাইবেন। কিন্তু বিশ্বনিয়ন্তা বিধাতার বিধান যে অন্যরূপ, যে বিধি অনুসারে প্রত্যেককেই স্ব-স্ব কর্মফল ভোগ করিতে হইবে। সুতরাং স্ত্রীলোকদের উচিৎ যে, তাহারা বাক্সবন্দি হইয়া মালগাড়িতে বসিয়া সশরীরে স্বর্গলাভের আশায় না থাকিয়া স্বীয় কন্যাদের সুশিক্ষায় মনোযোগী হন। কন্যার বিবাহের সময় যে টাকা অলঙ্কার ও যৌতুক ক্রয়ে ব্যয় করেন, তাহারই কিয়দংশ তাহাদের সুশিক্ষায় ও স্বাস্থ্য রক্ষায় ব্যয় করুন’। কারণ, তিনি লক্ষ্য করেছেন, বালিকা বিদ্যালয়ের জন্য চাঁদা চাইলে কেউই টাকা দিতে চাইতো না। অথচ বালকদের শিক্ষার জন্য ইসলামিয়া কলেজে অকাতরে টাকা মানুষ দান করতো।

তাছাড়া রোকেয়া আরও লক্ষ্য করেছেন, মেয়েরা পরীক্ষায় প্রায়শই ভূগোল, ইতিহাস, স্বাস্থ্য সম্বন্ধীয় বিষয়ে অকৃতকার্য হয়; এর কারণ তারা নিজেদের বাসভবন এবং স্কুল-গৃহ ব্যতীত দুনিয়ার আর কিছুই দেখতে পায় না, এই দুনিয়ায় তাদের পিতা ভ্রাতা ছাড়া আরও কেউ আছে কিনা, তা তারা জানে না; রুদ্ধ বায়ুপূর্ণ কক্ষে আবদ্ধ থেকে মা-মাসীকে অনবরত রোগভোগ ও স্বাস্থ্য নষ্ট করতে দেখে। তারা কেবল জানে, অসুখ হলে ডাক্তার ডাকতে হয়। তিনি মনে করেন, এসকল কুরোগের একমাত্র ওষুধ হলো সুশিক্ষা। অবস্থাদৃষ্টে এখন বলতে হয়, বর্তমানের অবস্থা কি সেই তুলনায় খুব উন্নত হয়েছে?

বিজ্ঞাপন

রোকেয়া নারীশিক্ষা বিস্তারের জন্যে দুই দশকের অধিককাল নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। নারীশিক্ষা বিস্তার আন্দোলনে তার কঠোর আত্মত্যাগের ফলে বাঙালি মুসলিম সমাজে নারীশিক্ষা প্রসারের প্রচেষ্টার সফলতা তার জীবদ্দশাতেই দেখে যেতে পেরেছেন। রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জীবৎকাল (১৮৮০-১৯৩২) বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিশ শতকের প্রথম দশকে তার সৃষ্টিশীল ব্যক্তিত্বের উত্থান ঘটে। তার চিন্তা চেতনার প্রসারও ঘটে এ সময়ে। তখন থেকেই তিনি লেখক- সমাজকর্মী- শিক্ষাব্রতীসহ নানা ভূমিকায় এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি আধুনিক, বাস্তববাদী, যুক্তিসিদ্ধ ও বিজ্ঞানমনস্ক চিন্তা চেতনার স্বাক্ষর রেখেছেন।

মুসলমান মেয়েদের লেখাপড়ায় আরও একটা মস্ত বড় বাধা ছিল। কারণ, তখনও তাদের লেখাপড়ার কোন স্কুল ছিল না। সাখাওয়াত হোসেনের মৃত্যুর পাঁচ বছর পর রোকেয়া নারীশিক্ষা বিস্তারের স্বপ্ন ও পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে ভাগলপুরে মুসলিম বালিকা বিদ্যালয়ের কাজ শুরু করেন। কিন্তু সাখাওয়াত হোসেনের প্রথম পক্ষের কন্যা ও জামাতার অপ্রীতিকর আচরণের জন্য তিনি ভাগলপুর ত্যাগ করতে বাধ্য হন। পরবর্তীতে ১৯১১ খ্রিস্টাব্দের ১৬ মার্চ কোলকাতার ১৩নং ওয়ালিউল্লাহ লেনের ছোট একটি বাড়িতে দ্বিতীয়বার মুসলিম বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এ স্কুলের নাম রাখা হয় ‘সাখওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল’। এরপর থেকে রোকেয়া তার সমস্ত শক্তি, উদ্যোম, অর্থ ও সময় নিঃস্বার্থভাবে নিয়োজিত করেন স্কুলটিকে একটি আদর্শ মুসলিম বিদ্যালয় রূপে গড়ে তোলার জন্য। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ছাত্রী সংগ্রহ করতেন। মানুষকে বোঝাতেন শিক্ষার বিষয়ে। এতে তাকে অনেক অপমান অপদস্থ হতে হয়েছে। তারপরও তিনি থেমে যাননি।

বিজ্ঞাপন

নারী শিক্ষা বিস্তারই ছিল রোকেয়ার জীবনের প্রধান কর্তব্য কাজ। স্বামীর মৃত্যুর পরই (অক্টোবর, ১৯০৯) তিনি ভাগলপুরে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন বটে, তবে শুধু ছাত্রী শিক্ষা বাড়ানো নয়, বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ওপরও গুরুত্ব দেন। ওই সময়ে তিনি সরকারকে এ বিষয়ে লেখেন এবং তার প্রচেষ্টায় সরকারিভাবে ১৯১৯ সালের শেষভাগে কলকাতায় একটি মুসলিম মহিলা ট্রেনিং স্কুল স্থাপন করা হয়। শিক্ষাদান পদ্ধতির ক্ষেত্রে বেগম রোকেয়া বাস্তববাদী ও প্রয়োগবাদী দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেছিলেন। ‘যে না বুঝিয়া থাক, আমাকে জিজ্ঞাসা কর আমি বুঝাইয়া বলি’—এ বক্তব্যে শিক্ষণ শিখন প্রক্রিয়ায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর ভূমিকা সম্পর্কে তার মতামত যে কতটা আধুনিক তা বোঝা যায়। কেবল পর্যবেক্ষণ নয়, শিক্ষা লাভের পদ্ধতি হিসেবে অনুসন্ধান, শ্রেণীকরণ ও পরীক্ষণের ওপরও গুরুত্ব প্রদান করেন। একই সঙ্গে শিক্ষকদের ভূমিকা বিষয়ে বলেন, আন্তরিকতাপূর্ণ, হাসি খুশি, সহিষ্ণু থেকে যে কোনো বিষয়ে জানার ও জ্ঞান রাখার ওপর গুরুত্ব দেন। একইভাবে যেমন বাট্রেন্ড রাসেল বলেন, ‘শিক্ষকের উচিত তার শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা’।

শুধু মানসিক শিক্ষা নয়—শারীরিক শিক্ষার গুরুত্ব দিয়ে মেয়েদের লাঠি খেলা, ছোরা খেলাসহ যাঁতায় আটা প্রস্তুত বা ঢেঁকির সাহায্যে ধানভানাসহ সার্বিক কাজে পারদর্শী হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। অবসর বিনোদনে সৃজনশীল কাজ যেমন ছবি আঁকা ও গান শেখার বা নাচ-আবৃত্তি ইত্যাদি বিষয়গুলোও তার পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত ছিল।

শিক্ষার লক্ষ্য, বিষয়বস্তু, পদ্ধতি ও পরিবেশ সম্পর্কে রোকেয়ার বক্তব্য পর্যালোচনা করলে গভীর উপলব্ধিতে তিনি মানুষের মানসিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতির কথা বলেছেন, একই সঙ্গে তার মতে শিক্ষার কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত গুণাবলী বিকাশের সঙ্গে সুনাগরিক হওয়ার লক্ষ্যে। এখানে উল্লেখ্য, রোকেয়ার কাছে ব্যক্তির সুসামঞ্জস্য উন্নয়ন প্রাধান্য পেয়েছে।

সবশেষে বলতে হয়—সাহিত্যিক ও সমাজসেবীর পাশাপাশি রোকেয়া ছিলেন সত্যদ্রষ্টা। তিনি মননশীল ও প্রাগ্রসর মানসিকতাসম্পন্ন শিক্ষা দার্শনিক। বিশ শতকের প্রথম সিকিভাগের মধ্যে তিনি শিক্ষা বিষয়ের যেসব বক্তব্য রেখেছেন সে ধরনের বক্তব্য সেই সময়ের এবং পরের দশকের পাশ্চাত্য দার্শনিকদের মধ্যে পাই। সেসব দিক নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রতীচ্য অনেক দূর এগিয়ে গেলেও আমরা কি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পেরেছি?

আরও পড়ুন: ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নারী জাগরণে রোকেয়ার ভূমিকা

রোকেয়ার সময়ে কঠিন পর্দাপ্রথার প্রকোপ

চিন্তাশীল দার্শনিক রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন

সারাবাংলা/আরএফ/আইই

বিজ্ঞাপন

Tags:

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন