বিজ্ঞাপন

‘২শ আইসিইউ বেডের হাসপাতাল দক্ষিণ এশিয়ায় বিরল’

April 7, 2021 | 12:41 am

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: মহাখালীতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মার্কেটকে হাসপাতালে রূপান্তরিত করার কাজ চলছে পুরোদমে। এক হাজার নতুন আইসোলেশন বেডের এই হাসপাতালে থাকছে দুইশ আইসিইউ বেড। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এটি উদ্বোধন করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। একই হাসপাতালে দুইশ বেডের আইসিইউ ইউনিট দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বিরল বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর মহাখালীতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন মার্কেট হাসপাতালের কাজের অগ্রগতি দেখতে গিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ঢাকার সব হাসপাতালে বেড বাড়ানোর ব্যবস্থা করছি। আড়াই হাজার শয্যাকে পাঁচ হাজার করা হয়েছে। এর চেয়ে আর বাড়ানো সম্ভব না। প্রতিদিন যদি চার-পাঁচ হাজার রোগী বাড়ে, তাহলে সারা শহরকে হাসপাতাল বানালেও সামাল দেওয়া সম্ভব না। বেড সংখ্যা যতই বাড়ানো হোক, মানুষ যদি স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলে, তাহলে কোনোকিছুতেই করোনা নিয়ন্ত্রণে আসবে না।

বিজ্ঞাপন

ডিএনসিসি হাসপাতাল বিষয়ে তিনি বলেন, আইসিইউ’র কাজ প্রায় শেষ। বেডগুলো বসানো হয়ে গেছে। সেখানে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এখানে আমরা করোনা চিকিৎসায় বড় সাপোর্ট দিতে পারব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উনার নির্দেশনায় এগুলো হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে সরকার লকডাউন ঘোষণা করেছে। প্রধানমন্ত্রী ১৮টি জনগুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন। এখন করোনা প্রতিরোধে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সর্বত্র সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ চলছে। অথচ দেশের কোথাও কোথাও লকডাউন তুলে নিতে আন্দোলন করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, এই মুহূর্তে লকডাউন ব্যবস্থা জরুরি ছিল, তাই সরকার লকডাউন দিয়েছে। যখন লকডাউন তুলে নেওয়ার প্রয়োজন হবে, সরকার সঠিক সময়েই সেই সিদ্ধান্ত নেবে। এখন এসব সরকারি নির্দেশনা মেনে না চললে আগামীতে করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু উভয়ই নিয়ন্ত্রণহীন হতে পারে।

স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে জনসাধারণের মধ্যে অনীহা স্পষ্ট হলেও এ ক্ষেত্রে সরকার আইন প্রয়োগ করতে চায় না বলে মন্তব্য করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিধিবিধান না মানলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে আমরা চাই জনগণ নিজে থেকেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুক। আমরা আইন প্রয়োগ করতে চাই না।

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে লকডাউন চলছে। সংক্রমণ কমাতে চাইলে লকডাউনের বিধিবিধান মানতে হবে। হাসপাতালে জায়গা নেই, এজন্য আমরাই দায়ী। জনগণের জন্যই লকডাউন, জনগণের কল্যাণে লকডাউন। আমরা চাই জনগণ নিজের স্বার্থে নির্দেশনাগুলো মেনে চলুক।

এসময় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের নতুন সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক এ বি এম খুরশিদ আলম, হাসপাতালটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার এ টি ও এম নাসির উদ্দিনসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এসবি/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন