বিজ্ঞাপন

ভ্রাম্যমাণ পদ্ধতিতে সারাদেশে দুধ, ডিম ও মাংসের বিক্রি শুরু

April 7, 2021 | 10:12 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পুষ্টি নিশ্চিত করতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারাদেশে ন্যায্য মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি শুরু হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (৭ এপ্রিল) ভ্রাম্যমাণ পদ্ধতিতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে এসব পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে। এদিন রাজধানীর সচিবালয় গেট, খামাবাড়ি, মিরপুর-১০ নং গোল চত্বর ও ধানমন্ডি এলাকায় ভ্রাম্যমাণ বিক্রি শুরু হয়।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, শুরুর দিনেই রাজধানীতে প্রায় ১ হাজার ২০০ লিটার দুধ বিক্রি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মন্ত্রণাল বলছে, করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে ঢাকার ১০টি স্থানে ডেইরি ও পোল্ট্রি অ্যসোসিয়েশনসহ প্রান্তিক খামারিদের সম্পৃক্ত করে ভ্রাম্যমাণ পদ্ধতিতে বিক্রি অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা নিয়েছে ঢাকা জেলা প্রাণিসম্পদ দফতর। পাশাপাশি দেশের সব জেলা ও উপজেলায় প্রাণিসম্পদ দফতরের উদ্যোগে দুধ, ডিম, ও মাংসের ভ্রাম্যমাণ বিক্রি চলমান থাকবে। এর মাধ্যমে খামারিরা ন্যায্যমূল্যে সরাসরি ভোক্তাদের কাছে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রির সুযোগ পাবেন।

এর আগে, গত বছর করোনা সংকটে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা মূল্যের খামারিদের উৎপাদিত মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম ভ্রাম্যমান ব্যবস্থায় বিক্রি করা হয়।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) বিদ্যমান করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত চলমান নিষেধাজ্ঞার মধ্যে মাছ, হাঁস-মুরগি, গবাদিপশু, দুধ, ডিম, মাছের পোনা, মুরগির বাচ্চা, পশু চিকিৎসা সামগ্রী, টিকা, কৃত্রিম প্রজনন সামগ্রী, মৎস্য ও পশু খাদ্য, ওষুধ ইত্যাদি পরিবহন ও বিপণন কার্যক্রম নিশ্চিত করার বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত ভার্চুয়াল সভায় সারাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় চালুর নির্দেশ দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সবকিছু বন্ধ করে দিলে মানুষের মাছ, মাংস, দুধ ডিমের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে না। আবার উৎপাদক, খামারি, বিপণনকারীসহ এ খাত সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। গত বছর এ খাতের সংকট উত্তরণে ভ্রাম্যমাণ পদ্ধতিতে এসব পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। এছাড়া কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছিল, পরিবহনের বাধা দূর করা হয়েছিল। বন্দরে মৎস্য ও প্রাণিখাদ্য ছাড় করার ব্যবস্থাও নিয়েছিলাম। এ বছরও প্রান্তিক খামারিদের উৎপাদিত পণ্য ভ্রাম্যমাণ পদ্ধতিতে বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে।’

বিজ্ঞাপন

ভ্রাম্যমাণ বিক্রির জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করার জন্য সভায় সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় ও জেলা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের তৎপর থাকার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী।

সারাবাংলা/ইএইচটি/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন