বিজ্ঞাপন

‘আ.লীগ ক্ষমতায় এলে কৃষকদের আর কষ্টে থাকতে হয়নি’

April 19, 2021 | 8:40 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় এলেই সবসময় কৃষদের জন্য বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যখন সরকারে এসেছে, তখনই কৃষকদের আর কোনো কষ্টে থাকতে হয়নি। কারণ আমরা তাদের জন্য যথাযথ ব্যাবস্থা নিয়েছি। বর্গা চাষিরা যেন বিনা জামানতে ঋণ পায়, আমরা কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে তাদের জন্যই সেই ব্যবস্থাও করে দিয়েছি।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) রাতে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে সশরীরে উপস্থিত না হয়ে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ টেলিভিশনে তার এই বক্তব্য প্রচার করা হয়।

বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি সরকারের আমলে সারের দাম ছিল ৯০ টাকা। তা আজ ১২ টাকায় আমরা নামিয়ে এনেছি। গবেষণার মাধ্যমে উন্নত বীজ আমরা উৎপাদন করছি এবং সেই বীজ আমরা সরবরাহ করছি। আমরা সেই সঙ্গে কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণের যে লক্ষ্য জাতির পিতার ছিল, আমরা সেই লক্ষ্য কার্যকর করে দিচ্ছি। সেখানে আমরা ৭০ শতাংশের বেশি ভর্তুকি দিচ্ছি। আমরা কৃষি-যান্ত্রিকীকরণ করে যাচ্ছি যেন আমাদের কৃষকরা আরও বেশি পরিমাণ খাদ্য উৎপাদন করতে পারে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, উন্নতমানের বীজ সরবরাহ, প্রতিটি কৃষি-উপকরণ কৃষকদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যাবস্থা আমরা নিচ্ছি। সেই সঙ্গে আমরা সেচ কাজে কৃষক যে বিদ্যুৎ ব্যাবহার করেন, সেখানে আমরা ভর্তুকি দিচ্ছি এবং কৃষকের বিদ্যুৎ সরবরাহ যেন নিশ্চিত হয়, তার ব্যাবস্থাও আমরা নিয়েছি। বর্তমানে সেচ কাজে আমরা সোলার-প্যানেল ব্যাবহারও আমরা শুরু করে দিয়েছি।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, আমাদের কৃষকরা যেন ন্যায্য মূল্য পায়, তার জন্য যথাযথ আমরা দাম নির্দিষ্ট করছি এবং কৃষকদের সহায়তা দিচ্ছি। কৃষকের গুদামে যেন খাদ্য সংরক্ষিত থাকে, প্রত্যেক কৃষকের ঘরে খাদ্য যেন থাকে— আমরা সেটিই চাই। কারণ যারা উৎপাদন করবে তারা খাবার পাবে না বা তাদের ছেলেমেয়েরা খাবারের অভাবে কষ্ট পাবে— এটা হতে পারে না। তাই আমরা সে ব্যবস্থা নিয়েছি। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগে যেসব কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ব্যাবস্থাও আমরা নিয়েছি এবং আমরা সেই সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি। আমাদের দেশে উৎপাদন যেন দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ হতে পারে, তার জন্য যথাযথভাবে মাটি পরীক্ষা করা থেকে শুরু করে সব ধরনের সহযোগিতাও আমরা দিয়ে যাচ্ছি।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এনআর/টিআর

Tags: ,

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন