বিজ্ঞাপন

‘ফাইভ-জি প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’

April 29, 2021 | 4:41 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: বাংলাদেশ পঞ্চম প্রজন্মের ইন্টারনেট সেবা ফাইভ-জি প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ফাইভ-জি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের কৃষি ও শিল্প ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে বলে মন্তব্য করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে হুয়াওয়ে আয়োজিত ক্যারিয়ার কংগ্রেস ২০২১ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ফাইভ-জি শুধু উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগই নয় এটি ডিজিটাল যুগের মেরুদণ্ড। ২০২১ সালের মধ্যে ফাইভ-জি যুগে প্রবেশের সকল প্রস্তুতি বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন করেছে।

বিজ্ঞাপন

মন্ত্রী বলেন, ফাইভ-জি ব্যবহারে জীবনের সকল ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের মাধ্যমে এক নতুন যুগের সূচনা হবে। তা হবে কৃষি, শিল্প ও তথ্যযুগের পরের যুগ। কৃষি যুগের পর তিনটি শিল্প বিপ্লব মিস করার পরও বাংলাদেশকে ডিজিটাল যুগে নেতৃত্ব দেওয়ার উপযোগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তারা কাজ করছেন।

এদিকে, ওই অনুষ্ঠানে বিটিআরসি চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার, হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের সিইও ঝুয়াং ঝ্যাংজুন, ওয়াইন্ড স্পেস কনসালটিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্কট ডব্লিউ মাইন হ্যান, আইটিইউ এর এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কর্মকর্তা আমির রিয়াজ বক্তব্য রাখেন।

বিজ্ঞাপন

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, ২০১৮ সালে দেশে ফাইভ-জি পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হুয়াওয়ে সহযোগিতা করেছিল। তা বাংলাদেশের জন্য খুব বড় একটা অভিজ্ঞতা ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে ২০২১ সালের মধ্যে ফাইভ-জি চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি পৃথিবীর কাছে অনুকরণীয় একটি কর্মসূচি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ১২ বছরে বাংলাদেশ ডিজিটাল সংযোগ প্রতিষ্ঠায় যুগান্তকারী পরিবর্তন ঘটিয়েছে। করোনাকালে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি এর প্রয়োজনীয়তা দেশের জনগণ উপলব্ধি করছে। এই কর্মসূচির কারণে বৈশ্বিক অতিমারিতেও মানুষের জীবন যাত্রা থেমে থাকেনি। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় মানুষের ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের দ্বি-গুণ চাহিদা বেড়েছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক সংযোগ স্থাপন প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। শতকরা ৯৮ ভাগ মোবাইল নেটওয়ার্ক ফোর-জি নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হয়েছে।

সারাবাংলা/ইএইচটি/একেএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন