বিজ্ঞাপন

জনসম্পৃক্ত অ্যাপ বানালেন নারীরা, বাস্তবায়নে কমবে হয়রানি

May 3, 2021 | 10:33 pm

সারাবাংলা ডেস্ক

কোনো ব্যক্তি হঠাৎ করে বিপদে পড়লে যেন কাছের মানুষরা তার অবস্থান জেনে উদ্ধার করতে পারে ও নারীদের নানারকম হয়রানি থেকে বাঁচতে একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরি করেছেন একদল নারী। শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী ও শিক্ষকরা মিলে তথ্য, নোট বা উপকরণ দিয়ে সহায়তা প্ল্যাটফর্মের মতো এই অ্যাপ তৈরি করে বিজয়ী হন তারা। প্রথমে ৩৫ থেকে ১০টিকে বাছাই করা হয়। এরপর সেখান থেকে ৩টি দলকে চূড়ান্তভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (৩ মে) বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) আয়োজিত ‘ব্রিজিং ইন্ডাস্ট্রি অ্যাকাডেমিয়া টু ইনক্রিজ পার্টিসিপেশন অব ওমেন ইন আইসিটি সেক্টর চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড স্কোপ’ শীর্ষক অনলাইন ওয়েবিনারের মাধ্যমে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। শাহজালার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বিডিওএসএন’র সভাপতি ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন। এ সময় বিডিওএসএন’র সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান, বিজ-এনগেইজমেন্ট লিড বিডিঅ্যাপস মো. আলতামিশ নাবিল, বিচারকমণ্ডলী ও বিজয়ী দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজয়ী দলগুলো হচ্ছেন— ওয়াচার 24-7 (চ্যাম্পিয়ন), QWERTY (প্রথম রানার আপ), NullPointerExceptions (দ্বিতীয় রানার আপ)। তারা যথাক্রমে, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রাম, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি’র শিক্ষার্থী। বিডিওএসএন’র ইএসডিজি প্রজেক্ট ও ন্যাশনাল অ্যাপ স্টোর অব বাংলাদেশ বিডিঅ্যাপস’র যৌথ উদ্যোগে নারীদের জন্য এই মোবাইল অ্যাপ তৈরির প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

এতে বিচারক হিসেবে ছিলেন— রবি’র হেড অব ইনোভেশন অ্যান্ড ব্রান্ডেড ডিজিটাল সার্ভিসেস’র ফয়সাল আহমেদ, এসএসএল ওয়ারলেস’র ডেপুটি সিটিও মো. ইফতেখার আলম ইসহাক ও বিডিওএসএন’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী হাসান রবিন।

এ সময় জাফর ইকবাল বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে। ছেলেদের পাশাপাশি নারীদের এগিয়ে যাবার জন্য আলাদা সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে। যদি সেটা করতে না পারি তবে দেশ, সমাজ ও রাষ্ট্র পিছিয়ে যাবে। ‘তোমরা পারবে’ কথাটুকু দিয়েই নারীদের অনেক কঠিন কাজে অনুপ্রাণিত করা সম্ভব। একটু সুযোগ দিলে তারা দেশকে আরও অনেক বেশি কিছু দিতে পারবে।

বিজ্ঞাপন

আইটি খাতে নারীদের অংশগ্রহণ কম উল্লেখ করে মুনির হাসান বলেন, আইটি খাতে তাদের অংশগ্রহণের হার ১৩ শতাংশেরও কম, আইটি উদ্যোক্তা ১ শতাংশেরও কম। এখন ধীরে ধীরে এ অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে। আমার মনে হয়, একাডেমির সঙ্গে নারীদের যুক্ততা এবং বিভিন্ন আয়োজনের খবর তাদের কাছে পৌঁছাতে পারলে এই সংখ্যাটা আরও বেড়ে যাবে।

কর্মশালায় বিভিন্ন প্রশ্নের ধরন দেখে এই সেক্টরে নারীদের আগ্রহ বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন আলতামিল নাবিল। এমন একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বিজয়ী হয়ে নারীরাও খুব খুশি বলেও জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এনএস

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন