বিজ্ঞাপন

খালেদার বিদেশ যাত্রা: সরকারের অনুমতির পর সিদ্ধান্ত নেবে বোর্ড

May 7, 2021 | 10:44 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: সরকারের অনুমতির পরই উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে মেডিকেল বোর্ড— এমনটিই জানিয়েছেন অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (০৭ মে) রাতে বসুন্ধরা এভারকেয়ার হাসপাতালের বাইরে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা জানান।

অধ্যাপক জাহিদ বলেন, ‘বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারের কাছে পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়েছে। এ্খন এটি সরকারের বিষয় তারা কবে নাগাদ উনাকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেবে। এখনও উনাকে (খালেদা জিয়া) অনুমতি দেওয়া হয়নি। যখন অনুমতি আসবে তখন হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ড এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’

বিজ্ঞাপন

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আজকেও মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা উনাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। যে চিকিৎসা গত কয়েক দিন ধরে ছিল সেই চিকিৎসাই মেডিকেল বোর্ড অব্যাহত রেখেছেন। গতকালকের ন্যায় আজকেও ম্যাডামের অবস্থা স্থিতিশীল আছে। তার অবস্থা অপরিবর্তিত।’

বিমানে ভ্রমণের মতো শারীরিক অবস্থা বিএনপি চেয়ারপারসনের আছে কিনা— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক জাহিদ বলেন, ‘এই প্রশ্নটাই অযৌক্তিক। সরকার এখনো উনাকে বিদেশ নেওয়ার অনুমতি দেয়নি। সরকারের অনুমতির পরই এ বিষয়ে মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে।’

বিজ্ঞাপন

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর গত ১১ এপ্রিল থেকে গুলশানের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজায়’ ব্যক্তিগত চিকিৎসক টিমের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন খালেদা জিয়া। ১৪ দিন পর আবার পরীক্ষা করা হলে তখনও তার করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে। এর পর গত ২৭ এপ্রিল এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। ভর্তির পরের দিনই তার জন্য ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়।

সোমবার (০৩ মে) সকালের দিকে শ্বাসকষ্ট অনুভব করলে চিকিৎসকরা বিকেলে খালেদা জিয়াকে সিসিইউতে স্থানান্তর করেন। এভারকেয়ার হাসপাতালে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর পরিবারের আবেদনে গত বছর ২৫ মার্চ ‘মানবিক বিবেচনায়; শর্তসাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয় সরকার। তখন থেকে তিনি গুলশানে নিজের ভাড়া বাসা ফিরোজায় ছিলেন। ব্যক্তিগত চিকিৎসক, পরিবারের সদস্য এবং দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতা ছাড়া বাইরের কারও সঙ্গে যোগাযোগ ছিল না ৭৫ বছর বয়সী খালেদা জিয়ার।

সারাবাংলা/এজেড/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন