বিজ্ঞাপন

শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের গুরুত্ব হেফাজত বুঝতে পারছে: মেয়র তাপস

May 17, 2021 | 10:07 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসটি কত গুরুত্বপূর্ণ তা হেফাজতে ইসলাম ঠিকই বুঝতে পারছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (১৭ মে) বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তার বক্তব্যে ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি শত্রুপক্ষ ঠিকই অনুভব করছে, আজকের দিবসটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। হেফাজতে ইসলাম’ই বুঝতে পারছে, আজকের দিনটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এখন আর কোনো লাফালাফি নাই। সেদিন বলেছিলাম জননেত্রী শেখ হাসিনার ভদ্রতাকে দুর্বলতা মনে করবে না’।

বিজ্ঞাপন

মেয়র ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘খুনি জিয়াউর রহমান ছয় বছর জননেত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে দেশে ফিরতে দেয়নি। ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে যেতে পারেননি। তিনি টুঙ্গিপাড়ায় তার পিতার কবর জিয়ারত করতে পারেননি। বনানীর সেই কবরস্থানে মাতাসহ ভাইদের কবর জিয়ারত করতে পারেনি। ছয় বছর কারফিউর মধ্যে অন্ধকারে জীবনযাপন করতে হয়েছে। ছয় বছর পরে ১৯৮১ সালে ১৭ মে জননেত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগ কর্তৃক সভানেত্রী নির্বাচিত হওয়ার পরে তিনি দেশে ফিরে আসেন’।

‘সেদিন বাংলার এই আকাশ বাতাস কেঁদেছিল জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে তিনি যখন বাংলার মাটিতে পদার্পণ করলেন। তিনি কেঁদেছিলেন তার সাথে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কেঁদেছেন, বাঙালি জাতি কেঁদেছে’— তার বক্তব্যে বলেন ফজলে নূর তাপস।

বিজ্ঞাপন

জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস কেন গুরুত্বপূর্ণ তা উল্লেখ করে মেয়র তাপস বলেন, ‘১৯৭৫ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত এই দেশে কোনো গণতন্ত্র ছিল না। এই দেশে ছিল কারফিউ জারি করে জিয়াউর রহমানের অত্যাচার নির্যাতনের সরকার। জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে দেশে আসার পরেই গণতন্ত্রের বাতাস আবার ফিরে এসেছে। শেখ হাসিনা যদি বাংলাদেশে না ফিরে আসত তাহলে আজ অবধি বাংলাদেশে কোন গণতন্ত্র থাকত না। শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এসেছিলেন বলেই আমরাবঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার সম্পন্ন করতে পেরেছি। সেই কলঙ্ক থেকে আমরা মুক্ত হতে পেরেছি’।

মেয়র তাপস আরও বলেন, ‘আর একটা দিক বলি। জননেত্রী শেখ হাসিনা ফিরে এসেছিলেন বলেই আজকে আমাদের সেই প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি যারা এই দেশকে একটি তালেবানিভুক্ত ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল তারা আজকে হাহাকার হতাশায় লিপ্ত। তারা হতাশায় পর্যবসিত। কারণ তাদের আর কোনো উপায় নাই। এটা সম্ভব হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে’।

বিজ্ঞাপন

আমরা অনুভব না করলেও আমাদের প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি, শত্রুপক্ষ ঠিকই অনুভব করছে, আজকের দিবসটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। জননেত্রী শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেছিল বলেই আজকে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পেরেছে। আজকে বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতার সুফল পাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন মেয়র তাপস।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরসহ অনেকে।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এনআর/আইই

বিজ্ঞাপন

Tags:

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন