শুক্রবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং , ৫ আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২০ মুহাররম, ১৪৪১ হিজরি

বিজ্ঞাপন

বিজিএমইএ ভবন অপসারণে মুচলেকা দিলে তবেই আদেশ

মার্চ ২৭, ২০১৮ | ৯:৫৯ পূর্বাহ্ণ

।। স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ।।

বিজ্ঞাপন

ঢাকা: রাজধানীর বেগুনবাড়ি-হাতিরঝিল প্রকল্পের কারওয়ান বাজারের কাছে নির্মিত বিজিএমইএ বহুতল ভবন অপসারণে আর সময় চাওয়া হবে না এই মর্মে লিখিত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। বার বার সময় নিয়েও ভবন অপসারণ না করায় আদালত ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে এ ভবন অপসারণে কত দিন সময় লাগবে তা উল্লেখ করে মুচলেকা দিলে তবেই সময় দেওয়ার বিষয়ে আদেশ দেবেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৭ মার্চ) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ আদেশের জন্য এ নির্দেশ দেন। বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে আরও এক বছর সময় চেয়ে গত ৫ মার্চ আবেদন করা হয়। গত ২৫ মার্চ ওই আবেদনের শুনানি শেষে আজ আদেশের জন্য রাখেন আপিল বিভাগ। আদালতে বিজিএমইএ’র পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট কামরুল হক সিদ্দিকী ও ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ মঈনুল ইসলাম। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

গত বছরের ৮ অক্টোবর বিজিএমইএর বহুতল ভবনটি ভাঙতে সাত মাস সময় দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। তখন আদেশে আদালত বলেছিলেন, ‘এটাই শেষ সুযোগ। আর সময় দেওয়া হবে না।’ তারও আগে গত বছরের ১২ মার্চ বিজিএমইএ ভবন ৬ মাসের মধ্যে ভাঙার নির্দেশ দিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই কারওয়ানবাজার সংলগ্ন বেগুনবাড়ি খালে বিজিএমইএ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে উল্লেখ করে ২০১০ সালের ২ অক্টোবর ইংরেজি দৈনিক ‘নিউ এজ’ পত্রিকায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। ওই দিনই সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ডি এইচ এম মনিরউদ্দিন প্রতিবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করেন।

বিজ্ঞাপন

এর পরদিন বিজিএমইএ ভবন কেন ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেন। এরপর ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ বিজিএমইএ’র ভবন ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়ে রায় দেন।

রায়ে বিজিএমইএকে নিজস্ব অর্থায়নে ভবনটি ভাঙতে বলা হয়। ভবনটি নির্মাণের আগে ওই স্থানের ভূমি যে অবস্থায় ছিল সে অবস্থায় ফিরিয়ে আনতেও নির্দেশ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন

বার বার সময় চাওয়া দুর্ভাগ্যজনক: আপিল বিভাগ

সারাবাংলা/ এজেডকে/এমএ

Advertisement
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন