বিজ্ঞাপন

উত্তাল সাগরে মৃত্যুর মুখে পড়া ১২ নাবিককে উদ্ধার বিমানবাহিনীর

May 26, 2021 | 6:19 pm

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রাম ব্যুরো: ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে উত্তাল বঙ্গোপসাগরে চরে আটকে প্রায় ডুবন্ত একটি জাহাজের ১২ নাবিককে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারে উদ্ধার করা হয়েছে। পাথরবোঝাই জাহাজটি এখনও চরে আটকে আছে।

বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় যাওয়ার পথে বুধবার (২৬ মে) ভোরের দিকে নোয়াখালীর ভাসানচরে বঙ্গোপসাগরের লালবয়ার চরে এমভি সানভ্যালি নামে জাহাজটি আটকে যায়। খবর পেয়ে ঢাকা থেকে বিমানবাহিনীর দুটি হেলিকপ্টার গিয়ে দুপুর দুইটার দিকে জাহাজ থেকে ১২ নাবিককে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গায় জহুরুল হক ঘাঁটিতে নিয়ে আসে।

উত্তাল সাগরে মৃত্যুর মুখে পড়া ১২ নাবিককে উদ্ধার বিমানবাহিনীর

বিজ্ঞাপন

বিমানবাহিনীর চট্টগ্রাম অঞ্চলের জহুরুল হক ঘাঁটিতে কর্মরত স্কোয়াড্রন লিডার সাইফুল আলম সারাবাংলাকে জানান, নোয়াখালীর ভাসানচরের আনুমানিক ১০ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে এমভি সানভ্যালি জাহাজটি চরে আটকে যায়। তলা ফেটে জাহাজটিতে পানি ঢুকছিল এবং সেটি আস্তে আস্তে ডুবে যাওয়ার উপক্রম হয়। নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা বিষয়টি জানতে পারেন। কিন্তু উত্তাল সাগরে নৌবাহিনীর জাহাজ দিয়ে তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে খবর দেওয়া হয় বিমানবাহিনীকে।

বিমানবাহিনীর ১০৯ সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ টিমের কমান্ড্যান্ট গ্রুপ ক্যাপ্টেন আবু সালেহ মো. মান্নাফীর নেতৃত্বে অগস্ত্যা-১৩৯ হেলিকপ্টার দুটি ঢাকার তেজগাঁও ঘাঁটি থেকে বেলা সাড়ে ১২টায় ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয়। দুপুর সোয়া একটার দিকে জাহাজের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এরপর উদ্ধার অভিযান শুরু করেন রেসকিউ টিমের সদস্যরা।

বিজ্ঞাপন

উত্তাল সাগরে মৃত্যুর মুখে পড়া ১২ নাবিককে উদ্ধার বিমানবাহিনীর

সাইফুল আলম সারাবাংলাকে বলেন, ‘জাহাজটি ডুবেই যাচ্ছিল। নাবিকরা বাঁচার আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। এমন সময় আমাদের হেলিকপ্টার দুটি ঘটনাস্থলে পৌঁছে। জাহাজের উপরে কাছাকাছি অবস্থান নিয়ে হেলিকপ্টার থেকে রশি দিয়ে ডুবুরি নামানো হয় সেখানে। এরপর ১২ নাবিককে উদ্ধার করে দুটি হেলিকপ্টারে তোলা হয়। দুপুর দুইটার দিকে তাদের উদ্ধার করে ২টা ৫০ মিনিটে হেলিকপ্টার দুটি জহুরুল হক ঘাঁটিতে অবতরণ করে।’

বিজ্ঞাপন

জীবিত উদ্ধার ১২ জনকে আপাতত বিমানবাহিনীর তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে জাহাজের মালিকের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হবে।’

সারাবাংলা/আরডি/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন