বিজ্ঞাপন

শুক্রবার থেকে রাজশাহী সিটিতে লকডাউন, যাবে না যাত্রীবাহী ট্রেন

June 10, 2021 | 11:58 pm

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

রাজশাহী: করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতি ঘটনায় রাজশাহী সিটি করপোরেশন এলাকায় এক সপ্তাহের জন্য সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করেছে প্রশাসন। আগামীকাল শুক্রবার (১১ জুন) বিকেল ৫টা থেকে ১৭ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত এই লকডাউন বহাল থাকবে। এদিকে, আগামীকাল শুক্রবার মধ্যরাত থেকে একসপ্তাহের জন্য রাজশাহীর সঙ্গে সব রুটের যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১০ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠক শেষে বিভাগীয় কমিশনার ড. হুমায়ুন কবীর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। অন্যদিকে, এদিন রাতেই রেলপথ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত জানায়।

এর আগে, করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে থাকলে রাজশাহীতে সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল পর্যন্ত চলাচলে সীমাবদ্ধতাসহ বিভিন্ন ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে বিধিনিষেধের সময়সীমা এগিয়ে এনে বিকেল ৫টা থেকে কার্যকর করা হয়। কিন্তু তাতেও সংক্রমণের গতি নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার থেকে রাজশাহী সিটিতে লকডাউন, যাবে না যাত্রীবাহী ট্রেন

এ পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজশাহী সার্কিট হাউজে বিভাগীয় কমিশনারসহ জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দফতরের প্রতিনিধিরা জরুরি বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকেই একসপ্তাহের সর্বাত্মক লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

বিভাগীয় কমিশনার ড. হুমায়ুন কবীর সাংবাদিকদের বলেন, এখন পর্যন্ত বেশিরভাগ জায়গাতেই করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। এ কারণে শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে ১৭ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত রাজশাহী শহরে সর্বাত্মক লকডাউনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। লকডাউন চলাকালে রাজশাহী মহানগরে ওষুধ এবং জরুরি পণ্য ও সেবার দোকান ছাড়া সব ধরনের দোকান বন্ধ থাকবে। খাদ্যদ্রব্য, পণ্যবাহী ও জরুরি সেবার যানবাহন চলাচল করতে পারবে। এর বাইরে গণপরিবহনসহ সব ধরনের যানবাহনও বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার সকাল থেকে না দিয়ে বিকেল থেকে কেন লকডাউন দেওয়া হচ্ছে— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, শহরে হয়তো বাইরের অনেকেই এসেছেন। এখন ঘোষণা দিয়ে সকাল থেকে লকডাউন কার্যকর করলে তারা আটকা পড়বেন। আমরা সেটি চাইছি না। লকডাউন শুরুর আগেই যারা রাজশাহী ছাড়তে চান, তারা যেন ছেড়ে যেতে পারেন, সেই সুযোগটি আমরা রাখতে চাই। কারণ রাতের এই ঘোষণা কেউ না জানলে তখন বিপদে পড়তে পারেন। তাছাড়া কাল বিকেল ৫টার মধ্যে সবাই যেন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে ঘরে থাকতে পারেন, সেটিও আমরা বিবেচনায় নিয়েছি।

বিজ্ঞাপন

পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আবদুল বাতেন, জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল, রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ শরিফুল হকসহ সংশ্লিষ্টরা জরুরি সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সারাবাংলা/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন