বিজ্ঞাপন

মুজিববর্ষের উপহার, ঘর পাচ্ছে আরও ৫৩ হাজার পরিবার

June 17, 2021 | 3:44 pm

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস বলেছেন, মুজিববর্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না— প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে দেশের সব ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় আগামী ২০ জুন ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ৫৩ হাজার ৩৪০টি পরিবারকে বিনামূল্যে দুই শতক জমিসহ সেমিপাকা ঘর উপহার দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কবরী হলে মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান (২য় পর্যায়) কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ড. আহমেদ কায়কাউস বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর সর্বপ্রথম বঙ্গবন্ধুই দেশের ভূমি ও গৃহহীন ছিন্নমূল অসহায় পরিবারের পুর্নবাসনের উদ্যোগ নেন। সেই ধারাবাহিকতায় জাতির পিতার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজস্ব উদ্যোগে ১৯৯৭ সাল থেকে মে ২০২১ পর্যন্ত সময়ে মোট ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫৬২টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সেমি পাকা ঘর ও ব্যারাকে ৬৯ হাজার ৯০৪টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে বিনামুল্যে জমিসহ গৃহ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন।’

তিনি জানান, মুজিববর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প থেকে গৃহনির্মাণের জন্য অর্থায়ন করা হয়েছে। আর সার্বিক কার্যক্রম সমন্বয় করছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ন প্রকল্প-২।

বিজ্ঞাপন

মুজিববর্ষে অর্থাৎ ২০২১ খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বরের মধ্যেই আরও এক লাখ ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে জমিসহ ঘর প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

প্রথম পর্যায়ে ৬৯ হাজার ৯০৪টি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩৪০টি পরিবারকে এক সঙ্গে বিনামূল্যে জমি ও ঘর দেওয়ার ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে এটাই প্রথম এবং সর্ববৃহৎ।

বিজ্ঞাপন

ড. আহমেদ কায়কাউস জানান, জমির মালিকানা দেওয়ার মাধ্যমে জনগণের আত্মমর্যাদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জীবনযাত্রায় মানের পরিবর্তন এসেছে। নারীর ক্ষমতায়নও হচ্ছে।

শুধু বাসস্থান নয়, পুনর্বাসিত পরিবারগুলোর জন্য সুপ্রিয় পানি, বিদ্যুৎ, রাস্তা খেলার মাঠ ও কর্মসংস্থানসহ সবকিছুর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও অবহিত করেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ মাহাবুব হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এনআর/পিটিএম

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন