বিজ্ঞাপন

১০০ দিনের সংক্রমণ প্রথম ৪০০ দিনের ৬৫%, মৃত্যু ৮৮%

July 21, 2021 | 12:51 am

সৈকত ভৌমিক, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: ৮ মার্চ ২০২০। প্রথমবারের মতো নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ শনাক্ত হয় দেশে। এরপর ২০২১ সালের ২০ জুলাই পর্যন্ত গুনে গুনে পেরিয়ে গেছে ৫০০ দিন। এর মধ্যে করোনা সংক্রমণ ঢাকা থেকে ছড়িয়ে গেছে সারাদেশে। শুরুর কিছুদিন সংক্রমণের হার ছিল বেশ কম। পরে তা ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে।

বিজ্ঞাপন

২০২০ সালের জুন-জুলাই নাগাদ সংক্রমণ শনাক্তের হার ও পরিমাণ সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছায়। ওই সময় করোনা সংক্রমণ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যাও ছিল বেশি। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সংক্রমণের হার ও মৃত্যু কমতে থাকে। তবে মার্চ মাস থেকেই আবার বাড়তে থাকে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা। কিন্তু সেই সব পরিসংখ্যান ছাড়িয়ে যায় জুন ও জুলাই মাসে। বিশেষত জুলাই মাসের প্রথম ২০ দিনে দেশে সংক্রমণ শনাক্ত, নমুনা পরীক্ষা ও মৃত্যুসংখ্যা সবই ছাড়িয়ে গেছে পূর্বের সকল পরিসংখ্যান।

দেশে সর্বশেষ ১০০ দিনের কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্তের সংখ্যা প্রথম ৪০০ দিনের সংক্রমণের ৬৪ দশমিক ৮০ শতাংশ। সর্বশেষ ১০০ দিনের মৃত্যুও দেখা যায় প্রথম ৪০০ দিনের ৮৮ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ৪০০ দিনের তুলনায় শেষ ১০০ দিনে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ। কিন্তু মৃত্যুর পরিসংখ্যানে দেখা যায় শেষ ১০০ দিনে কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে মারা গেছে প্রথম ৪০০ দিনের তুলনায় কিছু কম।

বিজ্ঞাপন

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্তের এই ৫০০ দিনের মধ্যে শুরু হয়েছে ভ্যাকসিন প্রয়োগ কার্যক্রম। ২০২১ সালের ২৬ জানুয়ারি দেশে পর্যবেক্ষণমূলকভাবে কোভিড-১৯ সংক্রমণ মোকাবিলায় ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন ঘোষণা করার পরে এদিন ২৬ জন ভ্যাকসিন নেন। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে জাতীয় পর্যায়ে ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু করা হয়। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত ভ্যাকসিন প্রয়োগ কার্যক্রম কিছুটা শ্লথগতির হলেও জুলাই মাস থেকে দেশে আবার ভ্যাকসিন প্রয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়েছে জাতীয় পর্যায়ে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু করায় মানুষের মাঝে মৃত্যুঝুঁকি কমে আসবে। তবে এটি কিন্তু সংক্রমণ কমাবে না। আর এ কারণে সতর্কতায় ঘাটতি দেখা দিলে করোনা সংক্রমণের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে কয়েকগুণ। তাই সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ সবধরনের সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। তারা আরও বলছেন, বর্তমানে দেশে সংক্রমণ শনাক্তের হার বেড়েছে। একইসঙ্গে বেড়েছে মৃত্যুহারও। এখনই যদি কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হয় তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারে।

বিজ্ঞাপন

করোনা সংক্রমণের প্রথম ১০০ দিন (৮ মার্চ - ১৫ জুন)

দেশে প্রথম কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ। করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ৫০তম দিনটি ছিল গত ২৬ এপ্রিল। ওইদিন পর্যন্ত দেশে করোনা সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্ত হয় ৫ হাজার ৪১৬ জন, মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১৪৫।

বিজ্ঞাপন

১৫ জুন দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্তের একশ দিন পূর্ণ হয়। এই ১০০ দিনে দেশে ৫ লাখ ১৮ হাজার ৯৭৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ৯০ হাজার ৬১৯ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী এই ১০০ দিনে দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে মারা যায় ১ হাজার ২০৯ জন।

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্তের প্রথম ১০০ দিনে মৃত্যু হার ছিল এক দশমিক ৩৩৪ শতাংশ। এই ১০০ দিনে দেশে নমুনা পরীক্ষার অনুপাতে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্তের হার ছিল ১৭ দশমিক ৪৬১ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ১০০ দিন (১৬ জুন-২৩ সেপ্টেম্বর)

কোভিড-১৯ সংক্রমণের সংক্রমণের দেড়শ’ দিন পূর্ণ হয় ৪ আগস্ট। এই ১৫০ দিনে সংক্রমণ বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ৪৪ হাজার ২০ জনে। সেদিন পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ২৩৪ জন। এর ৫০ দিন পর ২৩ সেপ্টেম্বর সংক্রমণের ২০০ দিনের মাথায় সংক্রমণ বেড়ে দাঁড়ায় ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৮৪৪ জনে, মৃত্যু ৫ হাজার ৪৪ জনে।

কোভিড-১৯ সংক্রমণের ১০১ থেকে ২০০তম দিনে ১৩ লাখ ৪৩ হাজার ১৩৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এই ১০০ দিনে সর্বমোট দুই লাখ ৬৩ হাজার ২২৫ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এই ১০০ দিনে কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে মারা যায় তিন হাজার ৮৩৫ জন।

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্তের দ্বিতীয় ১০০ দিনে মৃত্যু হার ছিল এক দশমিক ৪৫৭ শতাংশ। এই ১০০ দিনে দেশে নমুনা পরীক্ষার অনুপাতে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্তের হার ছিল ১৯ দশমিক ৫৯৮ শতাংশ।

১০০ দিনের সংক্রমণ প্রথম ৪০০ দিনের ৬৫%, মৃত্যু ৮৮%

করোনা সংক্রমণের তৃতীয় ১০০ দিন (২৪ সেপ্টেম্বর-১ জানুয়ারি)

কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্তের পরে ২৫০তম দিন ছিল ১২ নভেম্বর। সেদিন পর্যন্ত শনাক্তের পরিমাণ ছিল ৪ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন, মৃত্যু ৬ হাজার ১৪০ জন।

২০২১ সালের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জানুয়ারি সংক্রমণের ৩০০ দিন পূর্ণ হয়। এদিন ৫ লাখ ১৪ হাজার ৫০০ জন শনাক্ত ও ৭ হাজার ৫৭৬ জনের মৃত্যুর সাক্ষী হয় বাংলাদেশ।

কোভিড-১৯ সংক্রমণের ২০১ থেকে ৩০০তম দিনে ১৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এই ১০০ দিনে সর্বমোট এক লাখ ৬০ হাজার ৬৫৬ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এই ১০০ দিনে কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে মারা যায় দুই হাজার ৬৩২ জন।

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্তের তৃতীয় ১০০ দিনে মৃত্যু হার ছিল এক দশমিক ৫৭৬ শতাংশ। এই ১০০ দিনে দেশে নমুনা পরীক্ষার অনুপাতে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্তের হার ছিল ১১ দশমিক ৬৬৭ শতাংশ।

করোনা সংক্রমণের চতুর্থ ১০০ দিন (২ জানুয়ারি-১১ এপ্রিল)

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৩৫০ দিন ছিল ২০ ফেব্রুয়ারি। সেদিন পর্যন্ত দেশে শনাক্ত হয় পাঁচ লাখ ৪৫ হাজার ৪২৪ জন, মৃত্যু আট হাজার ৩৪২ জন।

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৪০০ দিন পূর্ণ হয় ১১ এপ্রিল। এদিন দেশে ২৯ হাজার ২৯৮টি নমুনা পরীক্ষা করে পাঁচ হাজার ৮১৯ জনের মাঝে সংক্রমণ শনাক্ত হয়। একই সময়ে সর্বোচ্চ ৭৮ জন মারা যায় কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে।

কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৩০১ থেকে ৪০০তম দিনে ১৭ লাখ ৬৩ হাজার ১৬৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এই ১০০ দিনে সর্বমোট এক লাখ ৭০ হাজার ২৫৬ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এই ১০০ দিনে কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে মারা যায় দুই হাজার ১৬৩ জন।

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্তের চতুর্থ ১০০ দিনে মৃত্যু হার ছিল এক দশমিক ২৭০ শতাংশ। এই ১০০ দিনে দেশে নমুনা পরীক্ষার অনুপাতে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্তের হার ছিল ৯ দশমিক ৬৫৬ শতাংশ।

১০০ দিনের সংক্রমণ প্রথম ৪০০ দিনের ৬৫%, মৃত্যু ৮৮%

করোনা সংক্রমণের পঞ্চম ও শেষ ১০০ দিন (১২ এপ্রিল-২০ জুলাই)

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৪৫০ দিন পূর্ণ হয় ৩১ মে। এদিন দেশে ১৮ হাজার ১৭৮টি নমুনা পরীক্ষা করে এক হাজার ৭১০ জনের মাঝে সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এ দিন কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে মারা যায় ৩৬ জন। দেশে এই ৩৫০ দিনে ৫৯ লাখ ৪৭ হাজার ৫১৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ৮ লাখ ৫৪০ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এই সময়ে দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে মারা যায় ১২ হাজার ৬১৯ জন।

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৫০০ দিন পূর্ণ হয় ২০ জুলাই। দেশে এই ৫০০ দিনে কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে মারা গেছে ১৮ হাজার ২৩৫ জন। জন। এই ৫০০ দিনে দেশে ৭৩ লাখ ৩৯ হাজার ৯০৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ১১ লাখ ২৮ হাজার ৮৮৯ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়।

কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৪০১ থেকে ৫০০তম দিনে ২৩ লাখ ৩৭ হাজার ৪৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এই ১০০ দিনে সর্বমোট চার লাখ ৪৪ হাজার ১৩৩ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এই ১০০ দিনে কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে মারা যায় আট হাজার ৫৮৬ জন।

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্তের পরে শেষ ১০০ দিনে মৃত্যু হার ছিল এক দশমিক ৯৩৩ শতাংশ। এই ১০০ দিনে দেশে নমুনা পরীক্ষার অনুপাতে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্তের হার ছিল ১৯ দশমিক ০০৪ শতাংশ।

প্রথম ৪০০ দিনের তুলনায় শেষ ১০০ দিন

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্তের প্রথম ৪০০ দিন ৫০ লাখ দুই হাজার ৩৩৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৬জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এই ৪০০ দিনে দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে মারা যায় ৯ হাজার ৭৩৯ জন।

সর্বশেষ ১০০ দিনে দেশে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৩ লাখ ৩৭ হাজার ৪৪টি। এই সময়ে দেশে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে চার লাখ ৪৪ হাজার ১৩৩ টি নমুনায়। এই সময়ে দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে মারা গেছেন আট হাজার ৫৮৬ জন।

অর্থাৎ তুলনামূলক ভাবে দেখা যায়, দেশে শেষ ১০০ দিনের সংক্রমণ শনাক্তের সংখ্যা প্রথম চারশ দিনের সংক্রমণের ৬৪ দশমিক ৮০ শতাংশ। এর আগে এতো সংক্রমণ দেশে শনাক্ত হয় নি। একই সংগে মৃত্যু তথ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায় শেষ ১০০ দিনে কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে মারা গেছে প্রথম ৪০০ দিনের তুলনায় কিছু কম। অর্থাৎ প্রথম ৪০০ দিনে যেখানে কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে মারা গেছে ৯ হাজার ৭৩৯ জন সেখানে সর্বশেষ ১০০ দিনে কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে মারা গেছে ৮ হাজার ৫৮৬ জন।

নমুনা পরীক্ষার তথ্য

দেশে প্রথম করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল ২১ জানুয়ারি। তবে ৮ মার্চের আগে কেউ নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হননি। ওই দিন ৯টি নমুনা পরীক্ষা করে তিনজনের মধ্যে সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এরপর প্রথমবার ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা ১০০ অতিক্রম করে ২৬ মার্চ। ওই দিন ১২৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। দিনে হাজারের বেশি নমুনা পরীক্ষা প্রথম করা হয় ১০ এপ্রিল। ওইদিন এক হাজার ১৮৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল।

নমুনা পরীক্ষা বাড়তে বাড়তে একদিনে পাঁচ হাজার পরীক্ষার ঘর স্পর্শ করে ১ মে। ওইদিন ৫ হাজার ৫৭৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। একদিনে ১০ হাজার পরীক্ষার ঘরও স্পর্শ হয় ওই মাসেই। ২০ মে ১০ হাজার ২০৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এরপর ১০ জুন পরীক্ষা করা হয়েছিল সে পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ৬৫টি নমুনা। আর গত ১৫ ডিসেম্বর পরীক্ষা করা হয় ১৯ হাজার ৫৪টি। ৩০০ দিন তথা ১ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা দাঁড়ায় ৩২ লাখ ৩৯ হাজার ৭০১টি।

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৩৫০ দিন ছিল ২০ ফেব্রুয়ারি। এদিন পর্যন্ত দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা হয় ৩৯ লাখ ৩৩ হাজার ৬৩৭টি। সেদিন পর্যন্ত দেশে শনাক্ত হয় পাঁচ লাখ ৪৫ হাজার ৪২৪ জন, মৃত্যু আট হাজার ৩৪২ জন।

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৪০০ দিন হয় ১১ এপ্রিল। এ দিন দেশে মোট ২৯ হাজার ২৯৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ দিন পর্যন্ত দেশে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা হয় ৫০ লাখ দুই হাজার ৭৮৭।

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৪৫০ দিন হয় ৩১ মে। এ দিন দেশে মোট ১৮ হাজার ১৭৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ দিন পর্যন্ত দেশে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা হয় ৫৯ লাখ ৪৭ হাজার ৫১৩।

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৫০০ দিন হয় ২০ জুলাই। এ দিন দেশে মোট ৩৯ হাজার ৫১০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ দিন পর্যন্ত দেশে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা হয় ৭৩ লাখ ৩৯ হাজার ৯০৯টি।

দেশে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪৫ হাজার ১২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১৯ জুলাই।

করোনা সংক্রমণ শনাক্ত সংক্রান্ত তথ্য

গত ২১ জানুয়ারিতে দেশে নমুনা পরীক্ষা শুরু হওয়ার পরে প্রথমবারের মতো সংক্রমণ শনাক্ত হয় ৮ মার্চ। এর আগ পর্যন্ত ১১১টি নমুনা পরীক্ষা করা হলেও করোনা আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির দেখা মেলেনি। ৮ মার্চ জানা যায়, ইতালি ফেরত দুজন এবং তাদের একজনের পরিবারের আরেক সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।

এরপর ১৪ মার্চ পর্যন্ত দেশে আর কেউ শনাক্ত না হলেও ১৫ মার্চ শনাক্ত হন দুজন। ১৬ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত ১৪ দিনের মধ্যে আরও তিনদিন কোনো ব্যক্তি করোনা পজিটিভ শনাক্ত হননি। এরপর আর কখনোই শূন্য সংক্রমণ দেখা যায়নি বাংলাদেশে। এর মধ্যে ৫ এপ্রিল শনাক্ত হন ১৮ জন। সেদিনই প্রথম দুই অংকে পৌঁছায় শনাক্তের সংখ্যা। ৯ এপ্রিল ১১২ জন শনাক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো একদিনে সংক্রমণ শতকের ঘরে পৌঁছায়। ওই মাসেই ২৪ এপ্রিল তা ছাড়িয়ে যায় পাঁচশ’র ঘর।

একদিনে প্রথম হাজার সংক্রমণ শনাক্ত হয় ১১ মে (এক হাজার ৩৪ জন)। ওই মাসেই ২৮ মে সংক্রমণ ছাড়াই একদিনে দুই হাজারের ঘর (দুই হাজার ২৯ জন)। সংক্রমণ বাড়তে বাড়তে তিন হাজারের ঘর স্পর্শ করে ৯ জুন। সেদিন তিন হাজার ১৭১ জন শনাক্ত হয়েছিলেন। সংক্রমণ চার হাজারের ঘরও ছাড়ায় জুন মানেই। ১৭ জুন চার হাজার আটজন শনাক্ত হয়েছিলেন দেশে। এটি ছিল ২০২০ সালে সর্বোচ্চ সংক্রমণ শনাক্তের সংখ্যা।

২০২১ সালের ২৯ মার্চ দেশে প্রথমবারের মতো ৫১৮১ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়। ১ এপ্রিল দেশে ছয় হাজার ৪৬৯ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়। দেশে প্রথম বারের মতো সাত হাজারের উপরে সংক্রমণ শনাক্ত হয় ৪ এপ্রিল (৭ হাজার ৮৭)।

দেশে ৩১ মে এপ্রিল এক হাজার ৭১০ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এটি ছিল দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৪৫০ তম দিন।

দেশে ২০ জুলাই ১১ হাজার ৫৭৯ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এটি ছিল দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ৫০০ তম দিন।

দেশে ৭ এপ্রিল সাত হাজার ৬২৬ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এটি ছিল ৪০০ দিনে দেশে সর্বোচ্চ সংক্রমণ শনাক্তের সংখ্যা।

দেশে এক দিনে সর্বোচ্চ সংক্রমণ শনাক্ত হয় ১২ জুলাই। এ দিন দেশে ১৩ হাজার ৭৬৮ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়।

১০০ দিনের সংক্রমণ প্রথম ৪০০ দিনের ৬৫%, মৃত্যু ৮৮%

করোনা সংক্রমণ নিয়ে মৃত্যু

দেশে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ১৮ মার্চ। সেদিন একজনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের ব্রিফিংয়ে। মৃত্যুর সংখ্যা ৫০-এর ঘর স্পর্শ করে ১৫ এপ্রিল। ২০ এপ্রিল পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১০১ জন। এরপর মৃত্যুর সংখ্যা ৫০০ অতিক্রম করে ২৫ মে। আর ১০ জুন করোনা সংক্রমণ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা পেরিয়ে যায় হাজারের ঘর। এরপর ৫ জুলাই ২ হাজার, ২৮ জুলাই ৩ হাজার, ২৫ আগস্ট ৪ হাজার, ২২ সেপ্টেম্বর ৫ হাজার, ৪ নভেম্বর ৬ হাজার ও ১২ ডিসেম্বর করোনা সংক্রমণ নিয়ে ৭ হাজার মৃত্যু পেরিয়ে যায় দেশে।

অন্যদিকে দেশে একদিনে করোনা সংক্রমণ নিয়ে প্রথমবারের মতো ১০ জন মারা যান ১৬ এপ্রিল। একদিনে মৃত্যুর সংখ্যা ২০-এর ঘর পেরিয়ে যায় ১৮ মে, সেদিন ২১ জন মারা গিয়েছিলেন। ৩০ মে পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ২৮। তবে ৩১ মে করোনা সংক্রমণ নিয়ে মারা যান ৪০ জন। আর ১৬ জুন একদিনে মৃত্যু ৫০-এর ঘরও ছাড়িয়ে যায়। ৩০ জুন মৃত্যু পেরিয়ে যায় ৬০-এর ঘরও। সেদিন ৬৪ জন মারা গিয়েছিলেন। এটি ২০২০ সালে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর সংখ্যা ছিল।

দেশে মৃত্যুর রেকর্ড ভাঙে ৬ এপ্রিল। এ দিন কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে মারা যায় ৬৬ জন। পরবর্তী সময়ে ১১ এপ্রিল অর্থাৎ ঠিক ৪০০ দিনের সময় ৭৮ জন মারা যায় কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে, যা দেশে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর সংখ্যা।

দেশে একদিনে সর্বোচ্চ ২৩১ জন কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে মারা যান ১৯ জুলাই।

মাসভিত্তিক সংক্রমণ শনাক্তের সংখ্যা

৮ মার্চ প্রথম সংক্রমণ শনাক্তের পর এ মাসের শেষদিন পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল ১ হাজার ৬০২টি। তখন পর্যন্ত সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছিল ৫১ জনের মধ্যে। এরপর এপ্রিলে সাত হাজার ৬১৬ জন, মে মাসে ৩৯ হাজার ৪৮৬ জন, জুনে ৯৮ হাজার ৩৩০ জন, জুলাইয়ে ৯২ হাজার ১৭৮ জন, আগস্টে ৭৫ হাজার ৩৩৫ জন, সেপ্টেম্বরে ৫০ হাজার ৪৮৩ জন, অক্টোবরে ৪৪ হাজার ২০৫ জন, নভেম্বরে ৫৭ হাজার ২৪৮ জন এবং ডিসেম্বরে ৪৮ হাজার ৫৭৭ জন করোনা পজিটিভ ব্যক্তি শনাক্ত হন।

২০২১ সালের জানুয়ারিতে দেশে ২১ হাজার ৬২৯ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়। ফেব্রুয়ারিতে সংক্রমণ শনাক্ত হয় ১১ হাজার ৭৭ জনের মাঝে। মার্চে এসে ৬৫ হাজার ৭৯ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এপ্রিল মাসে দেশে এক লাখ ৪৭ হাজার ৮৩৭ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়। মে মাসে দেশে ৪১ হাজার ৪০৮ জন ও জুন মাসে ১ লাখ ১২ হাজার ৭১৮ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়।

জুলাই মাসের প্রথম ২০ দিনে দেশে দুই লাখ ১৫ হাজার ৬৩১ জনের মাঝে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। আরও ১১ দিন বাকি থাকলেও এটিই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ সংক্রমণ শনাক্তের সংখ্যা মাস হিসেবে।

মাসভিত্তিক করোনা সংক্রমণ নিয়ে মৃত্যু

১৮ মার্চ প্রথম করোনা নিয়ে মৃত্যুর পর ওই মাসে আরও চারজন মারা যান। এপ্রিলে করোনা সংক্রমণ নিয়ে মৃত্যু হয় ১৬৩ জনের। মে মাসে ৪৮২ জন, জুনে এক হাজার ১৯৭ জন, জুলাইয়ে এক হাজার ২৬৪ জন, আগস্টে এক হাজার ১৭০ জন, সেপ্টেম্বরে ৯৭০ জন, অক্টোবরে ৬৭২ জন, নভেম্বরে ৭২১ জন এবং ডিসেম্বরে ৯১৫ জন মারা যান এই ভাইরাসের সংক্রমণে।

২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে দেশে ৫৬৮ জন মৃত্যুবরণ করেন কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে। ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে ২৮১ জন মারা যান কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে। মার্চ মাসে দেশে ৬৩৮ জন মারা যান কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে। এপ্রিল মাসে দেশে মারা যায় দুই হাজার ৪০৪ জন। মে মাসে এক হাজার ১৬৯ ও জুন মাসে এক হাজার ৮৮৪ জন কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে মারা যায়।

জুলাই মাসের প্রথম ২০ দিনে দেশে তিন হাজার ৮২২ জন কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে মারা গেছে। ১১ দিন বাকি থাকলেও এটি এখন পর্যন্ত দেশে সর্বোচ্চ মৃত্যুর সংখ্যা কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়ে।

মাসভিত্তিক করোনা সংক্রমণ শনাক্তের হার

২০২০ সালের মার্চে করোনা নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে সংক্রমণ শনাক্তের হার ছিল ৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এপ্রিলে সংক্রমণের হার ছিল ১২ দশমিক ১২ শতাংশ, মে মাসে ১৬ দশমিক ১৭ শতাংশ ও জুন মাসে ২১ দশমিক ৩৫ শতাংশ। সংক্রমণের হার সর্বোচ্চে পৌঁছায় জুলাই মাসে। ওই মাসে সংক্রমণের হার ছিল ২২ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এরপর আগস্ট মাসে সংক্রমণের হার ছিল কিছুটা কম— ২০ দশমিক ১৮ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে সংক্রমণের হার অনেকটা কমে এসে দাঁড়ায় ১২ দশমিক ৭০ শতাংশে। এরপর অক্টোবরে ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশ, নভেম্বরে ১৩ দশমিক ১২ শতাংশ ও ডিসেম্বরে সংক্রমণ ছিল ১০ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে দেশে সংক্রমণ শনাক্তের হার ছিল ৫ দশমিক ১০ শতাংশ। ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে সংক্রমণ শনাক্তের হার ছিল দুই দশমিক ৮২ শতাংশ। মার্চ মাসে দেশে সংক্রমণ শনাক্তের হার হয় ১০ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এপ্রিল মাসে দেশে সংক্রমণ শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ৫০ শতাংশ।

মে মাসে দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্তের হার ছিল ৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ। জুন মাসে দেশে সংক্রমণ শনাক্তের হার বেড়ে ১৭ দশমিক ০৪ শতাংশ হয়।

জুলাই মাসের প্রথম ২০ দিনে দেশে সংক্রমণ শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৫০ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ মৃত্যু যে ৫ দিনে

১৯ জুলাই: কোভিড-১৯ সংক্রমিত ২৩১ জনের মৃত্যু, যা এখন পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণ নিয়ে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

১১ জুলাই: ২৩০ জনের মৃত্যু, যা ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণ নিয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু

১৫ জুলাই: ২২৬ জনের মৃত্যু, যা করোনা সংক্রমণ নিয়ে একদিনে তৃতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু

১৮ জুলাই: ২২৫ জনের মৃত্যু, যা করোনা সংক্রমণ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় চতুর্থ সর্বোচ্চ মৃত্যু

১২ জুলাই: ২২০ জনের মৃত্যু, যা করোনা সংক্রমণ নিয়ে একদিনে পঞ্চম সর্বোচ্চ মৃত্যু

এ পরিস্থিতিতে করণীয়

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে করণীয় কী— জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর সারাবাংলাকে বলেন, সংক্রমণ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা সাম্প্রতিক সময়ে অনেক বেশি বেড়েছে। একই সময়ে কিন্তু সংক্রমণও অনেক বেড়েছে। সংক্রমণ বাড়লেই বয়স্ক ও কো-মরবিডিটি যাদের আছে তাদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা বাড়বে। আর বয়স্ক ও এ ধরনের জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা করোনায় আক্রান্ত হলে মৃত্যুর হার আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে। তাই, সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

ডা. আলমগীর আরও বলেন, কোভিড-১৯ সংক্রমণ থেকে মুক্ত থাকতে সবচেয়ে জরুরি হলো ব্যক্তির সচেতনতা। সরকারকে অবশ্যই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সিদ্ধান্ত বা পদক্ষেপ নিয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। কিন্তু ব্যক্তি সচেতন হয়ে সরকারি পদক্ষেপে সহযোগিতা না করলে বিপদ বাড়বে। কারণ, কোনো এলাকায় একজন সংক্রমিত হলেই তার পরিবার-সমাজে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা থাকবে।

এ কারণেই ঈদুল আজহার সময় সরকারি বিধিনিষেধ শিথিল থাকলেও সবাইকে মাস্ক পরতে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে পরামর্শ দেন ডা. আলমগীর।

তিনি বলেন, বিধিনিষেধ শিথিল মানেই স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে উদাসীনতা নয়। সবাইকে সচেতন হতে হবে। ঈদে আনন্দ করতে গেলেও সতর্ক থাকতে হবে। নইলে ভুগতে হবে আমাদেরই।

সারাবাংলা/এসবি/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন