বিজ্ঞাপন

ফেরিতে চাপ কমলেও বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে চলছে পারাপার

July 24, 2021 | 1:23 pm

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

মুন্সীগঞ্জ: দেশব্যাপী ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ শুরুর ২য় দিন বিধি উপেক্ষা করে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার হচ্ছে। তবে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ উভয় চাপ কমছে।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (২৪ জুলাই) সকাল থেকে অল্প সংখ্যক যাত্রী ও যানবাহন পারাপার হতে দেখা যায় নৌরুটের ফেরিগুলোতে। তবে আগের চেয়ে আজ যাত্রী ও যানবাহনের চাপ অনেকটাই কমে এসেছে। তবে বাংলা বাজার থেকে অনেক সংখ্যক যাত্রীর ও যানবাহন ঢাকাতে আসছে ফেরি করে।

এদিকে নৌরুটে লঞ্চ বন্ধ থাকলেও লকডাউনে বাস্তবায়নে ঘাটে অভিমুখে ও ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে পুলিশের নজরদারি, চেকপোস্ট লক্ষ করা গেছে। এতে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে শতশত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী যাত্রীরা ঘাটে এসে উপস্থিত হচ্ছে। জরুরি ও বিধিনিষেধ আওতার বাইরে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারের কথা থাকলেও পারাপার হচ্ছে সকল জনসাধারণ।ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের একাধিক চেকপোস্ট থাকাতে যানবাহন শূন্য হয়ে রয়েছে তবে কিছু অ্যাম্বুলেন্স চলাচল করতে গেছে।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে বিআইডাব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. ফয়সাল জানান, নৌরুটে বর্তমানে ৭টি ফেরি চলাচল করছে। ঘাটে ১৫-২০টি ব্যক্তিগত ও পণ্যবাহী গাড়ি আছে। তবে বাংলাবাজার থেকে যেসব ফেরি আসছে ফেরিতে যাত্রী এবং ছোট যানবাহনের চাপ রয়েছে।

বিআইডাব্লিউটিএ শিমুলিয়া লঞ্চঘাটের কর্মকর্তা মো. সোলেমান জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১০টা পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল পর বন্ধ করা হয়েছে। বিধিনিষেধ অনুযায়ী আজ আর লঞ্চ চলেনি, লঞ্চঘাটে যাত্রীও নেই। ঘাটে যেসব যাত্রীরা আসছে তারা ফেরিতে পার হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) সুমন দেব জানান, মুন্সীগঞ্জে একাধিক চেকপোস্ট রয়েছে। সরকারি বিধিনিষেধ মেনে চলতে যাত্রীদের বাধ্য করা হবে।

সারাবাংলা/একে

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন