বিজ্ঞাপন

কর্মীদের কল্যাণে নতুন ২ নীতি ইউনিলিভার বাংলাদেশের

July 25, 2021 | 6:59 pm

সারাবাংলা ডেস্ক

দেশের অন্যতম বড় এফএমসিজি কোম্পানি ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল) তার কর্মীদের কল্যালে নতুন দুইটি বিশেষ ও অগ্রগামী নীতি বাস্তবায়ন করেছে। এই দুই নীতির আওতায় অসুস্থ হলে কর্মী ও তার পরিবারের সদস্যদের জন্য বাড়িতেই স্বাস্থ্য পরিচর্যাসেবা (কেয়ারগিভার সার্ভিস) গ্রহণের সুযোগ এবং বার্ষিক ছুটির সঙ্গে পরিবর্তনযোগ্য সরকারি ছুটি একে অন্যের সঙ্গে সমন্বয়ের সুযোগ থাকছে কর্মীদের জন্য।

বিজ্ঞাপন

ইউনিলিভার থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উদ্যোগটি ইউনিলিভারের বৈচিত্র্যময় ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মক্ষেত্র তৈরির দর্শনের সঙ্গে সম্পৃক্ত, যেখানে প্রতিটি কর্মীর মর্যাদা ও প্রয়োজনীয়তাকে সম্মান দেওয়া হয়, যেন তারা কাজের ক্ষেত্রে দক্ষতার সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পারেন।

এবছর ইউনিলিভার আরও দু’টি অগ্রগামী ও লিঙ্গ-নিরপেক্ষ নীতি গ্রহণ করেছে বলেও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। এগুলো হলো— প্রিভেনশন অন সেক্সুয়াল হ্যারেসমেন্ট এবং সাপোর্ট সারভাইভার্স অব অ্যাবিউজ। অন্তর্ভুক্তিমূলক কাজের পরিবেশ বজায় রাখা এবং কর্মীদের যেকোনো ব্যক্তি বা দলগত হয়রানি থেকে রক্ষা করতে এই নীতিগুলো বাস্তবায়ন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

কর্মীবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইউনিলিভার অনুধাবন করেছে, বৈশ্বিক মহামারির এই মানবিক সংকটময় পরিস্থিতি সমাজে একটি অসম বাস্তবতা তৈরি করতে পারে। তাই কর্মীদের শুধু শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করা নয় বরং মানসিক ও অনুভূতির সুরক্ষা নিশ্চিত করাও এখন গুরুত্বপূর্ণ।

ইউনিলিভারের ‘কেয়ারগিভার সার্ভিস পলিসি’ অনুযায়ী কর্মীরা তাদের পরিবারের সন্তান, বয়োজ্যেষ্ঠ কিংবা অসুস্থ সদস্যদের যত্নের জন্য স্বল্প খরচে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত পরিচর্যাকারী রাখতে পারবেন। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো— জরুরি প্রয়োজনে ইউনিলিভারের কর্মীদেরকে সর্বাত্মকভাবে সাহায্য করা, যেন কর্মক্ষেত্র ও বাসায় তারা তাদের  কাজে পারদর্শিতা দেখানোর সুযোগ পান।

বিজ্ঞাপন

যেসব কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন, প্রশিক্ষিত পরিচর্যাকারী ও সরকার স্বীকৃত সেবিকারা তাদের সেবা দেবেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ইউনিলিভারের কর্মীরা বাসায় কিংবা হাসপাতালে কোভিড-১৯ রোগীর যত্ন, নার্সিং হোমকেয়ার সেবা, ফিজিওথেরাপি, মানসিক পরিচর্যা সহ আয়া সেবার সুবিধা নিতে পারবেন।

ইউনিলিভার বাংলাদেশের নেওয়া দ্বিতীয় নীতি বাস্তবায়নের ফলে সরকারি ছুটি সমন্বয়ের সুযোগ তৈরি হলো। এর ফলে পরিবর্তনযোগ্য সরকারি ছুটি গ্রহণের ক্ষেত্রে ইউনিলিভারের বার্ষিক ছুটির সঙ্গে পরিবর্তন বা একীভূত করার সুযোগ পাবেন ইউনিলিভার কর্মীরা। এতে গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক বা ধর্মীয় ছুটিগুলোতে ব্যক্তি বিশেষের প্রয়োজনে সামঞ্জস্যতা আনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ধর্ম, সংস্কৃতি ও জাতীয়তাভেদে ইউনিলিভারের কর্মীরা লক্ষ্মী পূজা, মাঘী পূর্ণিমা, ইস্টার সান ডে ইত্যাদি উৎসব উদযাপন করেন। এসব ছুটি কোম্পানির বার্ষিক ছুটির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়।

বিজ্ঞাপন

নতুন নীতি প্রসঙ্গে ইউনিলিভার বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জাভেদ আখতার বলেন, সদ্য গৃহীত বিশেষ নীতি দু’টিকে আমরা আন্তরিকভাবেই স্বাগত জানাই। কেননা এটি আমাদের কর্মীদের ক্যারিয়ারের প্রতিটি ধাপে সমতা বিধান নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ইউনিলিভারের প্রতিশ্রুতির বহিঃপ্রকাশ। সব কর্মীর জন্য সমতাভিত্তিক কর্মপরিবেশ তৈরি করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় কর্মকাণ্ডে বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিতের প্রচেষ্টা রয়েছে আমাদের।

এ বিষয়ে ইউনিলিভার বাংলাদেশের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক সাকসী হান্ডা বলেন, আমাদের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্রে মূলত কর্মীদের সুকল্যাণ নিশ্চিতের বিষয়টি প্রোথিত। তাদের জন্য সুষম, বৈচিত্র্যপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মক্ষেত্র তৈরিতে ইউনিলিভার বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিজ্ঞাপন

সাকসী হান্ডা আরও বলেন, সুন্দর আগামীর জন্য প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই ইউনিলিভার বাংলাদেশ কর্মীদের কল্যাণ ও কর্মক্ষেত্রে সমতা বিধানে নতুন এই অগ্রগামী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতিগুলো সন্নিবেশিত করেছে।

সারাবাংলা/টিআর

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন